সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

অবৈধভাবে বিদেশ গিয়ে লাশ হয়ে ফিরছেন মাদারীপুরের যুবকেরা//

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাদারীপুরে দালাল চক্রের সিন্ডিকেট অবৈধভাবে সমুদ্র পথে ইতালি, সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। উন্নত জীবনের আশায় দালালদের ফাঁদে পা দিয়ে লিবিয়া থেকেই অনেকে ফিরছেন লাশ হয়ে। তবুও থামছে না অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা।

প্রশাসন বলছে, মানব পাচারকারীদের তালিকা না থাকায় ব্যবস্থা নিতে পারছেন না তারা। এদিকে, দালাল চক্রের অধিকাংশই লাপাত্তা। আর এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হচ্ছে না পরিবারের কেউই।

জানা যায়, অবৈধভাবে সমুদ্রপথে বিদেশ যাত্রাকালে গত ৫ বছরে নৌকাডুবিতে মারা গেছে মাদারীপুরের ৪ উপজেলার অর্ধশত যুবক। এখনও নিখোঁজ কয়েক’শ মানুষ। তবুও থামছে না অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা। গ্রামের সহজ সরল যুবকদের উন্নত জীবনের স্বপ্ন আর রাতারাতি ধনী হওয়ার প্রবণতা দেখিয়ে বিদেশে পাঠাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ জনের দালাল চক্রের সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নীরব প্রশাসনও।

স্বজনরা জানায়, প্রথমে লোভ দেখিয়ে লিবিয়া পাঠায় দালাল চক্র। পরে নৌকা বা ছোট ট্রলারে করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে যুবকদের বাধ্য করে তারা। এতে প্রাণ হারাতে হয় অনেককেই। এছাড়া দালালদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারায় শুরু হয় শারীরিক নির্যাতন। এমনকি তুলে দেওয়া হয় লিবিয়ার মাফিয়াদের হাতে।

এসেছে এমনই একটি দালাল চক্রের নামের তালিকা। ওই চক্রের সদস্যরা হলেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার বড়াইলবাড়ির জামাল খাঁ ও রুবেল খাঁ, শ্রীনাথদি বাজিতপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার, কুমড়াখালীর এমদাদ বেপারী, ধুরাইল ইউনিয়নের চাছার গ্রামের ইউসুফ খান জাহিদ, পেয়ারপুর ইউনিয়নের নয়াচর গ্রামের মহসিন মাতুব্বর ও মিজান মাতুব্বর, গাছবাড়িয়া গ্রামের নাসির শিকদার, রাজৈর উপজেলার বদরপাশা গ্রামের জুলহাঁস তালুকদার, শাখারপাড় গ্রামের কামরুল মোল্লা, এমরান মোল্লা, আমগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণারমোড় এলাকার শামীম ফকির, সম্রাট ফকির, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের শহিদুল মাতুব্বর ও সিরাজ মাতুব্বর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবৈধভাবে বিদেশ গিয়ে লাশ হয়ে ফিরছেন মাদারীপুরের যুবকেরা//

আপডেট সময় : ১১:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

মাদারীপুরে দালাল চক্রের সিন্ডিকেট অবৈধভাবে সমুদ্র পথে ইতালি, সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। উন্নত জীবনের আশায় দালালদের ফাঁদে পা দিয়ে লিবিয়া থেকেই অনেকে ফিরছেন লাশ হয়ে। তবুও থামছে না অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা।

প্রশাসন বলছে, মানব পাচারকারীদের তালিকা না থাকায় ব্যবস্থা নিতে পারছেন না তারা। এদিকে, দালাল চক্রের অধিকাংশই লাপাত্তা। আর এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হচ্ছে না পরিবারের কেউই।

জানা যায়, অবৈধভাবে সমুদ্রপথে বিদেশ যাত্রাকালে গত ৫ বছরে নৌকাডুবিতে মারা গেছে মাদারীপুরের ৪ উপজেলার অর্ধশত যুবক। এখনও নিখোঁজ কয়েক’শ মানুষ। তবুও থামছে না অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা। গ্রামের সহজ সরল যুবকদের উন্নত জীবনের স্বপ্ন আর রাতারাতি ধনী হওয়ার প্রবণতা দেখিয়ে বিদেশে পাঠাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ জনের দালাল চক্রের সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নীরব প্রশাসনও।

স্বজনরা জানায়, প্রথমে লোভ দেখিয়ে লিবিয়া পাঠায় দালাল চক্র। পরে নৌকা বা ছোট ট্রলারে করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে যুবকদের বাধ্য করে তারা। এতে প্রাণ হারাতে হয় অনেককেই। এছাড়া দালালদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারায় শুরু হয় শারীরিক নির্যাতন। এমনকি তুলে দেওয়া হয় লিবিয়ার মাফিয়াদের হাতে।

এসেছে এমনই একটি দালাল চক্রের নামের তালিকা। ওই চক্রের সদস্যরা হলেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার বড়াইলবাড়ির জামাল খাঁ ও রুবেল খাঁ, শ্রীনাথদি বাজিতপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার, কুমড়াখালীর এমদাদ বেপারী, ধুরাইল ইউনিয়নের চাছার গ্রামের ইউসুফ খান জাহিদ, পেয়ারপুর ইউনিয়নের নয়াচর গ্রামের মহসিন মাতুব্বর ও মিজান মাতুব্বর, গাছবাড়িয়া গ্রামের নাসির শিকদার, রাজৈর উপজেলার বদরপাশা গ্রামের জুলহাঁস তালুকদার, শাখারপাড় গ্রামের কামরুল মোল্লা, এমরান মোল্লা, আমগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণারমোড় এলাকার শামীম ফকির, সম্রাট ফকির, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের শহিদুল মাতুব্বর ও সিরাজ মাতুব্বর।