করোনাকালে চাকরি হারিয়েছেন ২ কোটি মানুষ।
- আপডেট সময় : ০৬:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত উন্নত দেশগুলোর ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগী সংস্থা ওইসিডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
দীর্ঘসময় ধরে বেকার থাকা মানুষদের নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত প্যারিসভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের আগে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলো মহামারির আগের অবস্থায় পৌঁছাতে পারবে না। তবে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক অগ্রগতিও বেশ ভালো। বেশিরভাগ দেশই আগের অবস্থায় অর্থনীতি ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংকটের সময়ে চাকরি ধরে রাখতে ব্যবস্থা নেওয়ায় ২ কোটি ১০ লাখ চাকরি বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এরপরও ধনী দেশগুলো দীর্ঘ মেয়াদে বেকারত্বের হার বাড়ার আশঙ্কায় আছে। কারণ অনেক কম দক্ষ কর্মী মহামারির সময়ে নতুন চাকরি শুরু করতে না পেরে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
মহামারিতে ২০২০ সালেই কর্মসংস্থান হারিয়েছেন ৮০ লাখ মানুষ। বাকি ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চাকরির খোঁজই করছেন না। ২০২০ সালের শেষদিকে এসে এ অঞ্চলে ৬ মাস ধরে বেকার আছেন-এমন মানুষের সংখ্যা মহামারির আগের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেড়েছে।
২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকেও এ সংখ্যা বেড়েছে। কয়েকটি উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ কর্মী নিয়োগ দিতে শুরু করেছে। কর্মী সংকটে মজুরি বাড়াচ্ছে অনেক কোম্পানি। তরুণরা আর নিম্ন আয়ের মানুষের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে মহামারির কারণে। উন্নত দেশে ২৮ শতাংশ নিম্ন আয়ের মানুষের কর্মঘণ্টা কমেছে। কমেছে আয়ও।
তরুণ কিন্তু বেকার, পড়াশোনা করছে কিংবা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে- এমন বেকারের সংখ্যা এখন ৮০ লাখ। ২০২০ সালের এপ্রিলে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর বেকারত্ব হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। ২০২১ সালের মে মাসে এ হার ছিল ৬.৬ শতাংশ। ওইসিডির মতে, তরুণদের ওপর প্রভাব অপেক্ষাকৃত বয়স্কদের চেয়ে কমপক্ষে দ্বিগুণ হয়েছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও স্পেনের তরুণেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
























