সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

করোনাকালে চাকরি হারিয়েছেন ২ কোটি মানুষ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত উন্নত দেশগুলোর ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগী সংস্থা ওইসিডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

দীর্ঘসময় ধরে বেকার থাকা মানুষদের নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত প্যারিসভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের আগে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলো মহামারির আগের অবস্থায় পৌঁছাতে পারবে না। তবে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক অগ্রগতিও বেশ ভালো। বেশিরভাগ দেশই আগের অবস্থায় অর্থনীতি ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংকটের সময়ে চাকরি ধরে রাখতে ব্যবস্থা নেওয়ায় ২ কোটি ১০ লাখ চাকরি বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এরপরও ধনী দেশগুলো দীর্ঘ মেয়াদে বেকারত্বের হার বাড়ার আশঙ্কায় আছে। কারণ অনেক কম দক্ষ কর্মী মহামারির সময়ে নতুন চাকরি শুরু করতে না পেরে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
মহামারিতে ২০২০ সালেই কর্মসংস্থান হারিয়েছেন ৮০ লাখ মানুষ। বাকি ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চাকরির খোঁজই করছেন না। ২০২০ সালের শেষদিকে এসে এ অঞ্চলে ৬ মাস ধরে বেকার আছেন-এমন মানুষের সংখ্যা মহামারির আগের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেড়েছে।
২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকেও এ সংখ্যা বেড়েছে। কয়েকটি উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ কর্মী নিয়োগ দিতে শুরু করেছে। কর্মী সংকটে মজুরি বাড়াচ্ছে অনেক কোম্পানি। তরুণরা আর নিম্ন আয়ের মানুষের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে মহামারির কারণে। উন্নত দেশে ২৮ শতাংশ নিম্ন আয়ের মানুষের কর্মঘণ্টা কমেছে। কমেছে আয়ও।
তরুণ কিন্তু বেকার, পড়াশোনা করছে কিংবা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে- এমন বেকারের সংখ্যা এখন ৮০ লাখ। ২০২০ সালের এপ্রিলে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর বেকারত্ব হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। ২০২১ সালের মে মাসে এ হার ছিল ৬.৬ শতাংশ। ওইসিডির মতে, তরুণদের ওপর প্রভাব অপেক্ষাকৃত বয়স্কদের চেয়ে কমপক্ষে দ্বিগুণ হয়েছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও স্পেনের তরুণেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনাকালে চাকরি হারিয়েছেন ২ কোটি মানুষ।

আপডেট সময় : ০৬:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত উন্নত দেশগুলোর ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগী সংস্থা ওইসিডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

দীর্ঘসময় ধরে বেকার থাকা মানুষদের নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত প্যারিসভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের আগে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলো মহামারির আগের অবস্থায় পৌঁছাতে পারবে না। তবে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক অগ্রগতিও বেশ ভালো। বেশিরভাগ দেশই আগের অবস্থায় অর্থনীতি ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংকটের সময়ে চাকরি ধরে রাখতে ব্যবস্থা নেওয়ায় ২ কোটি ১০ লাখ চাকরি বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এরপরও ধনী দেশগুলো দীর্ঘ মেয়াদে বেকারত্বের হার বাড়ার আশঙ্কায় আছে। কারণ অনেক কম দক্ষ কর্মী মহামারির সময়ে নতুন চাকরি শুরু করতে না পেরে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
মহামারিতে ২০২০ সালেই কর্মসংস্থান হারিয়েছেন ৮০ লাখ মানুষ। বাকি ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চাকরির খোঁজই করছেন না। ২০২০ সালের শেষদিকে এসে এ অঞ্চলে ৬ মাস ধরে বেকার আছেন-এমন মানুষের সংখ্যা মহামারির আগের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেড়েছে।
২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকেও এ সংখ্যা বেড়েছে। কয়েকটি উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ কর্মী নিয়োগ দিতে শুরু করেছে। কর্মী সংকটে মজুরি বাড়াচ্ছে অনেক কোম্পানি। তরুণরা আর নিম্ন আয়ের মানুষের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে মহামারির কারণে। উন্নত দেশে ২৮ শতাংশ নিম্ন আয়ের মানুষের কর্মঘণ্টা কমেছে। কমেছে আয়ও।
তরুণ কিন্তু বেকার, পড়াশোনা করছে কিংবা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে- এমন বেকারের সংখ্যা এখন ৮০ লাখ। ২০২০ সালের এপ্রিলে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর বেকারত্ব হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। ২০২১ সালের মে মাসে এ হার ছিল ৬.৬ শতাংশ। ওইসিডির মতে, তরুণদের ওপর প্রভাব অপেক্ষাকৃত বয়স্কদের চেয়ে কমপক্ষে দ্বিগুণ হয়েছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও স্পেনের তরুণেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।