সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

পারিবারিক কলহে শাশুড়িকে হত্যা করেন পুত্রবধূ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়ি রোকেয়া বেগমকে (৫৪) ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন পুত্রবধূ নাছমিন আক্তার।

শুক্রবার (২ জুলাই) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার কৌশিক আহমেদের আদালতে তিনি এ জবানবন্দি দেন। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) জাকারিয়া রহমান জিকু।

তিনি বলেন, ‘শাশুড়ি হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার নাছমিন আক্তারকে গত ২৯ জুন তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালতে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম ও তার পুত্রবধূ নাছমিন আক্তারের মধ্যে পারিবারিক নানা বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। একপর্যায়ে গত ২১ জুন সন্ধ্যায় শাশুড়িকে ছুরিকাঘাত করে নাছমিন আক্তার। এরপর তিনি পালিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয়রা আটক করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করে।

তিনদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ২৪ জুন মৃত্যুবরণ করেন তার শাশুড়ি। গ্রেফতার নাছমিন আক্তারকে ২৯ জুন তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে নাছমিন আক্তারকে আদালতে প্রেরণ করা হলে তিনি পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাছমিন আক্তারের বাড়ি রাঙ্গনিয়া উপজেলায়। তার এক ভাই অ্যাডভোকেট এবং আরেক ভাই পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই)। এ প্রভাবে তিনি প্রায় সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া করতেন। একপর্যায়ে শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পারিবারিক কলহে শাশুড়িকে হত্যা করেন পুত্রবধূ।

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়ি রোকেয়া বেগমকে (৫৪) ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন পুত্রবধূ নাছমিন আক্তার।

শুক্রবার (২ জুলাই) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার কৌশিক আহমেদের আদালতে তিনি এ জবানবন্দি দেন। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) জাকারিয়া রহমান জিকু।

তিনি বলেন, ‘শাশুড়ি হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার নাছমিন আক্তারকে গত ২৯ জুন তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালতে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম ও তার পুত্রবধূ নাছমিন আক্তারের মধ্যে পারিবারিক নানা বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। একপর্যায়ে গত ২১ জুন সন্ধ্যায় শাশুড়িকে ছুরিকাঘাত করে নাছমিন আক্তার। এরপর তিনি পালিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয়রা আটক করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করে।

তিনদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ২৪ জুন মৃত্যুবরণ করেন তার শাশুড়ি। গ্রেফতার নাছমিন আক্তারকে ২৯ জুন তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে নাছমিন আক্তারকে আদালতে প্রেরণ করা হলে তিনি পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাছমিন আক্তারের বাড়ি রাঙ্গনিয়া উপজেলায়। তার এক ভাই অ্যাডভোকেট এবং আরেক ভাই পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই)। এ প্রভাবে তিনি প্রায় সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া করতেন। একপর্যায়ে শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।