সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

৫ জুলাই থেকে অবৈধ মোবাইল বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি বিটিআরসি কার্যালয়ে টেলিকম খাতের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিয়ম অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। তিনি সেদিন জানান, ১ জুলাইয়ের আগে গ্রাহকদের হাতে থাকা সচল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

এ বিষয়ে বিটিআরসির স্পেকট্রাম ডিভিশনের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আসছে পহেলা জুলাই থেকে বাংলাদেশের ভেতরে যেসব নতুন মোবাইল সেট ব্যবহার করা হবে সেগুলো অবশ্যই নিবন্ধিত হতে হবে।

২০১৮ সাল থেকে মোবাইল ফোনের আইএমইআই দিয়ে একটি ডাটাবেস তৈরি করছে বিটিআরসি। এই ডাটাবেসে যদি কোন মোবাইল ফোনসেটের তথ্য না থাকে তাহলে বিটিআরসি চাইলে সেটি বন্ধ করে দিতে পারে।
এই নিয়মের কারণ হিসেবে তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোন সেট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে। একদিকে এর নিরাপত্তাজনিত বিষয় রয়েছে অন্যদিকে এর একটি আর্থিক দিক রয়েছে।

এই দিকগুলো হচ্ছে :
১. কেউ যাতে অবৈধভাবে হ্যান্ডসেট আনতে না পারে। দেশে যাতে বৈধভাবে অ্যাসেম্বল বা তৈরি করা যায়।

২. মোবাইল সেটগুলো নিবন্ধিত থাকলে আমদানিকারকরা সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি দিতে পারবে না।

৩. কারো মোবাইল ফোন ছিনতাই বা চুরি করে অন্য কেউ সেটি বিক্রি বা ব্যবহার করতে পারবে না।

চুরি হওয়া সেটগুলো উদ্ধার করা সহজ হবে।
৪. মোবাইল সিম, আইএমইআই এবং জাতীয় পরিচয়পত্র একসাথে ট্যাগিং করা হবে। এতে করে একজনের নামে নিবন্ধিত মোবাইল অপরজনের মোবাইল সেটে ব্যবহার করা যাবে না।

৫. মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কোন অপরাধ সংঘটন হলে সেটির বিরুদ্ধে দ্রুত এবং সহজে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, এখনো পর্যন্ত ১৫ কোটি মোবাইল ফোন সেট রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

এই উদ্যোগ নেবার পর থেকে অবৈধ পথে হ্যান্ডসেট আসার সংখ্যা কমে গেছে বলে উল্লেখ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫ জুলাই থেকে অবৈধ মোবাইল বন্ধ হয়ে যাবে।

আপডেট সময় : ০৫:০৮:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি বিটিআরসি কার্যালয়ে টেলিকম খাতের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিয়ম অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। তিনি সেদিন জানান, ১ জুলাইয়ের আগে গ্রাহকদের হাতে থাকা সচল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

এ বিষয়ে বিটিআরসির স্পেকট্রাম ডিভিশনের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আসছে পহেলা জুলাই থেকে বাংলাদেশের ভেতরে যেসব নতুন মোবাইল সেট ব্যবহার করা হবে সেগুলো অবশ্যই নিবন্ধিত হতে হবে।

২০১৮ সাল থেকে মোবাইল ফোনের আইএমইআই দিয়ে একটি ডাটাবেস তৈরি করছে বিটিআরসি। এই ডাটাবেসে যদি কোন মোবাইল ফোনসেটের তথ্য না থাকে তাহলে বিটিআরসি চাইলে সেটি বন্ধ করে দিতে পারে।
এই নিয়মের কারণ হিসেবে তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোন সেট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে। একদিকে এর নিরাপত্তাজনিত বিষয় রয়েছে অন্যদিকে এর একটি আর্থিক দিক রয়েছে।

এই দিকগুলো হচ্ছে :
১. কেউ যাতে অবৈধভাবে হ্যান্ডসেট আনতে না পারে। দেশে যাতে বৈধভাবে অ্যাসেম্বল বা তৈরি করা যায়।

২. মোবাইল সেটগুলো নিবন্ধিত থাকলে আমদানিকারকরা সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি দিতে পারবে না।

৩. কারো মোবাইল ফোন ছিনতাই বা চুরি করে অন্য কেউ সেটি বিক্রি বা ব্যবহার করতে পারবে না।

চুরি হওয়া সেটগুলো উদ্ধার করা সহজ হবে।
৪. মোবাইল সিম, আইএমইআই এবং জাতীয় পরিচয়পত্র একসাথে ট্যাগিং করা হবে। এতে করে একজনের নামে নিবন্ধিত মোবাইল অপরজনের মোবাইল সেটে ব্যবহার করা যাবে না।

৫. মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কোন অপরাধ সংঘটন হলে সেটির বিরুদ্ধে দ্রুত এবং সহজে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, এখনো পর্যন্ত ১৫ কোটি মোবাইল ফোন সেট রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

এই উদ্যোগ নেবার পর থেকে অবৈধ পথে হ্যান্ডসেট আসার সংখ্যা কমে গেছে বলে উল্লেখ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।