সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

হেফাজতের বক্তব্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মে ২০২১ ১২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ওয়াজ মাহফিলে ধর্মে অবিশ্বাসীদের গলাকেটে হত্যার নির্দেশ দিচ্ছেন এক শ্রেণির ওয়াজকারী। তাদের কেউ কেউ আবার সাহাবীদের আখ্যা দিচ্ছেন জঙ্গি হিসাবে। বিরোধীদের গণহারে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়ে হত্যারও হুমকি দিচ্ছেন অনেক বক্তা। এসব বয়ানকারীর বেশিরভাগ যুক্ত হেফাজতের সঙ্গে। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলছেন, ভিন্ন মতাবলম্বীদের কটাক্ষ বা হত্যার হুমকি দেওয়া ইসলামের মূলনীতি বিরোধী। আর পুলিশ বলছে, ধর্মের নামে কেউ উগ্রবাদ ছড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এরই মধ্যে ওয়াজে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আলী হাসান উসামা নামে এ বক্তা ওয়াজ মাহফিলে যতটা না ধর্মীয় উপদেশ দেন, তার চেয়ে বেশি কটাক্ষ করেন ভিন্ন মতাবলম্বীদের। কখনো কখনো কটাক্ষ রূপ নেয় উগ্রবাদী বক্তব্যে। ওয়াজ মাহফিলে নির্দেশ দিচ্ছেন গলা কেটে হত্যার। শুধু তাই নয়, জঙ্গিবাদের পক্ষে প্রকাশ্যে সাফাই গাইছেন এ বক্তা।

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম প্রধান মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, আলী হাসান উসামা আমাদের কাছে আছে, আর তাকে আমরা নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জঙ্গি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছি সাকিব নামে একজনকে। উসামাসহ আরও কয়েকজনের বক্তবে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন তিনি।
আরেক ওয়াজকারী মাহমুদুল হাসান গুনবী। সাহাবীদের আখ্যা দিচ্ছেন জঙ্গি হিসাবে। বলছেন, মৌলবাদীরাই চালাবে পৃথিবী। হরহামেশাই উৎসাহ থেকে নির্দেশ দিচ্ছেন হত্যার।
ইসলামী চিন্তাবিদ উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, মুসলমানকে অমুসলমান বানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা এটা ইসলামে জঘন্যতম অপরাধ।
পিছিয়ে নেই হেফাজত নেতা নুর হোসাইন নূরানী। তালিকা তৈরি করে গাছে ঝুলিয়ে হত্যার অভিলাষ চরিতার্থ করতে চান এ ওয়াজকারী।
নুর হোসাইন নূরানী বলেন, রায় দেব- গাছে গাছে ফাঁসিতে ঝুলতে থাকবে। এ ধরনের বক্তব্যকে দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি দাবি করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, হেফাজত যে লাগাহীন কথা বলে যাচ্ছে। একটা কাউন্টার বক্তব্য থাকে যে, হেফাজত যেটা বলছে সেটা আসলে প্রকৃত ধর্ম নয়। তার একটা প্রভাব অবশ্যই মানুষের মাঝে পড়বে।
উগ্রবাদী বক্তব্য রোধে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মনিটরিং করার পরামর্শ তাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হেফাজতের বক্তব্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আপডেট সময় : ০৮:৫১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মে ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ওয়াজ মাহফিলে ধর্মে অবিশ্বাসীদের গলাকেটে হত্যার নির্দেশ দিচ্ছেন এক শ্রেণির ওয়াজকারী। তাদের কেউ কেউ আবার সাহাবীদের আখ্যা দিচ্ছেন জঙ্গি হিসাবে। বিরোধীদের গণহারে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়ে হত্যারও হুমকি দিচ্ছেন অনেক বক্তা। এসব বয়ানকারীর বেশিরভাগ যুক্ত হেফাজতের সঙ্গে। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলছেন, ভিন্ন মতাবলম্বীদের কটাক্ষ বা হত্যার হুমকি দেওয়া ইসলামের মূলনীতি বিরোধী। আর পুলিশ বলছে, ধর্মের নামে কেউ উগ্রবাদ ছড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এরই মধ্যে ওয়াজে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আলী হাসান উসামা নামে এ বক্তা ওয়াজ মাহফিলে যতটা না ধর্মীয় উপদেশ দেন, তার চেয়ে বেশি কটাক্ষ করেন ভিন্ন মতাবলম্বীদের। কখনো কখনো কটাক্ষ রূপ নেয় উগ্রবাদী বক্তব্যে। ওয়াজ মাহফিলে নির্দেশ দিচ্ছেন গলা কেটে হত্যার। শুধু তাই নয়, জঙ্গিবাদের পক্ষে প্রকাশ্যে সাফাই গাইছেন এ বক্তা।

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম প্রধান মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, আলী হাসান উসামা আমাদের কাছে আছে, আর তাকে আমরা নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জঙ্গি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছি সাকিব নামে একজনকে। উসামাসহ আরও কয়েকজনের বক্তবে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন তিনি।
আরেক ওয়াজকারী মাহমুদুল হাসান গুনবী। সাহাবীদের আখ্যা দিচ্ছেন জঙ্গি হিসাবে। বলছেন, মৌলবাদীরাই চালাবে পৃথিবী। হরহামেশাই উৎসাহ থেকে নির্দেশ দিচ্ছেন হত্যার।
ইসলামী চিন্তাবিদ উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, মুসলমানকে অমুসলমান বানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা এটা ইসলামে জঘন্যতম অপরাধ।
পিছিয়ে নেই হেফাজত নেতা নুর হোসাইন নূরানী। তালিকা তৈরি করে গাছে ঝুলিয়ে হত্যার অভিলাষ চরিতার্থ করতে চান এ ওয়াজকারী।
নুর হোসাইন নূরানী বলেন, রায় দেব- গাছে গাছে ফাঁসিতে ঝুলতে থাকবে। এ ধরনের বক্তব্যকে দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি দাবি করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, হেফাজত যে লাগাহীন কথা বলে যাচ্ছে। একটা কাউন্টার বক্তব্য থাকে যে, হেফাজত যেটা বলছে সেটা আসলে প্রকৃত ধর্ম নয়। তার একটা প্রভাব অবশ্যই মানুষের মাঝে পড়বে।
উগ্রবাদী বক্তব্য রোধে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মনিটরিং করার পরামর্শ তাদের।