সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

রাজশাহীতে তরমুজ ৩০ টাকা কেজি, ১৫০ টাকা পিচ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১ ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীতে তরমুজের দাম কমেছে, ক্রেতা বেড়েছে। হুড়াহুড়ি করে ইফতারি আর মনের আফসোস মেটাতে তরমুজের দোকান গুলোতে ভীড় নেমেছে। আজ প্রতি কেজি তরমুজ ৩০ টাকা আর ১৫০-২০০ টাকা পিচ দরে বিক্রি হচ্ছে।

এতদিনে‌ রাজশাহী নগরীর ক্রেতারা তরমুজ দেখেছেন, টাকা নাই তাই হয়তো ভীড়তে পারেননি তরমুজের দোকানে। আজ বিকেল‌ ৫ টায় রাজশাহীর গোরহাঙ্গা মসজিদ থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ফলের দোকান গুলোতে উপচেপড়া ভীড় নেমেছে। একেক জনে এক দুই অথবা তিনটা ও তরমুজ ক্রয় করছেন।
সারাদিন রোজা থেকে ক্লান্ত শরীরে তরমুজের শরবত মানেই তরতাজা শরীর। প্রফুল্ল মনে এশার পর তারাবি নামাজ আদায় করা যেন কোনো ব্যাপারই না।
রাজশাহীতে প্রচন্ড তাপমাত্রা আর কর্মব্যস্ততায় শরীরের দিকে তাকানো যায় না।
একেক টা তরমুজ ৩ থেকে ৭ কেজি ওজন। আকার অনুযায়ী দাম।
অন্যান্য ফলের দাম গুলো ক্রয়ক্ষমতার বাইরে বলে জানান সাধারণ মানুষেরা।

নিউমার্কেটের সামনে থাকা ফল দোকানদার মোঃ খাজিম আলী জানান
মালটা ১৭০ টাকা, কমলা ২৪০ টাকা, আপেল ১৮০ টাকা, বেদানা ৩৫০ টাকা, লাল আঙ্গুর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, আঙ্গুর ২৮০ টাকা, নাশপাতি ২৪০ টাকা, খেজুর ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, গোপালভোগ আম ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

সালাউদ্দিন নামে এক ক্রেতা জানান, রোজা শেষের দিকে, এখন দাম কমিয়ে লাভ আছে? গতকালই এসেছিলাম নাটরের ৪৫-৫০ টাকা , পটুয়াখালীর ৬০-৬৫ টাকা, বরিশালের ৫৫-৬০ টাকা কেজি তরমুজ। আজ হঠাৎ কেটেও বিক্রি হচ্ছে। বছরকার ফল খাওয়া হবে আজ, এই আরকি।

নাহিদ নামের এক ফল বিক্রেতা জানান, আসলে আমরা আড়ৎ থেকে কেজি আকারে নিয়ে আসি। তাই লাভ কম জেনেও মানুষের মুখে তরমুজ দিতে বিক্রি করতে বসি। কি আর করার বলেন,ফল ব্যবসায়ী বলে কথা। তরমুজ তো রাখতেই হয়। কলা দাম ও কম না ৪০ টাকা হালি। ডাব ১৫০-২০০ টাকা জোড়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজশাহীতে তরমুজ ৩০ টাকা কেজি, ১৫০ টাকা পিচ।

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীতে তরমুজের দাম কমেছে, ক্রেতা বেড়েছে। হুড়াহুড়ি করে ইফতারি আর মনের আফসোস মেটাতে তরমুজের দোকান গুলোতে ভীড় নেমেছে। আজ প্রতি কেজি তরমুজ ৩০ টাকা আর ১৫০-২০০ টাকা পিচ দরে বিক্রি হচ্ছে।

এতদিনে‌ রাজশাহী নগরীর ক্রেতারা তরমুজ দেখেছেন, টাকা নাই তাই হয়তো ভীড়তে পারেননি তরমুজের দোকানে। আজ বিকেল‌ ৫ টায় রাজশাহীর গোরহাঙ্গা মসজিদ থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ফলের দোকান গুলোতে উপচেপড়া ভীড় নেমেছে। একেক জনে এক দুই অথবা তিনটা ও তরমুজ ক্রয় করছেন।
সারাদিন রোজা থেকে ক্লান্ত শরীরে তরমুজের শরবত মানেই তরতাজা শরীর। প্রফুল্ল মনে এশার পর তারাবি নামাজ আদায় করা যেন কোনো ব্যাপারই না।
রাজশাহীতে প্রচন্ড তাপমাত্রা আর কর্মব্যস্ততায় শরীরের দিকে তাকানো যায় না।
একেক টা তরমুজ ৩ থেকে ৭ কেজি ওজন। আকার অনুযায়ী দাম।
অন্যান্য ফলের দাম গুলো ক্রয়ক্ষমতার বাইরে বলে জানান সাধারণ মানুষেরা।

নিউমার্কেটের সামনে থাকা ফল দোকানদার মোঃ খাজিম আলী জানান
মালটা ১৭০ টাকা, কমলা ২৪০ টাকা, আপেল ১৮০ টাকা, বেদানা ৩৫০ টাকা, লাল আঙ্গুর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, আঙ্গুর ২৮০ টাকা, নাশপাতি ২৪০ টাকা, খেজুর ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, গোপালভোগ আম ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

সালাউদ্দিন নামে এক ক্রেতা জানান, রোজা শেষের দিকে, এখন দাম কমিয়ে লাভ আছে? গতকালই এসেছিলাম নাটরের ৪৫-৫০ টাকা , পটুয়াখালীর ৬০-৬৫ টাকা, বরিশালের ৫৫-৬০ টাকা কেজি তরমুজ। আজ হঠাৎ কেটেও বিক্রি হচ্ছে। বছরকার ফল খাওয়া হবে আজ, এই আরকি।

নাহিদ নামের এক ফল বিক্রেতা জানান, আসলে আমরা আড়ৎ থেকে কেজি আকারে নিয়ে আসি। তাই লাভ কম জেনেও মানুষের মুখে তরমুজ দিতে বিক্রি করতে বসি। কি আর করার বলেন,ফল ব্যবসায়ী বলে কথা। তরমুজ তো রাখতেই হয়। কলা দাম ও কম না ৪০ টাকা হালি। ডাব ১৫০-২০০ টাকা জোড়া।