সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

অসহায় রিজিয়া বেগম (৬০)”কে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নিলেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার, প্রদান করলেন শাড়ী ও নগদ টাকা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো: জাকিরুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি ::-

বাংলাদেশ পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার সামাজিক, মানবিক ও উৎসাহমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে মানবিক পুলিশ সুপার খ্যাত জনাব, মোঃ জাহিদুল ইসলাম সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে একের পর এক গণমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।

প্রতিদিন পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার কার্যালয়ে ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হাজির হন নানা শ্রেনী পেশার বিভিন্ন বয়সী মানুষ। রিজিয়া বেগম (৬০) তাদেরই একজন। তিনি কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে আসেননি। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার কাছে আসেন। ভরন পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। পুলিশের মানবিকতাই তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত টেনে নিয়ে এসেছে। প্রয়োজন একটি শাড়ীর। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই সল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। রিজিয়া বেগম তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু”চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রæ ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষনিকভাবে একটি শাড়ী এবং ঔষধ কেনার জন্য নগদ টাকা প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গা বাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অসহায় রিজিয়া বেগম (৬০)”কে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নিলেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার, প্রদান করলেন শাড়ী ও নগদ টাকা।

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

মো: জাকিরুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি ::-

বাংলাদেশ পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার সামাজিক, মানবিক ও উৎসাহমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে মানবিক পুলিশ সুপার খ্যাত জনাব, মোঃ জাহিদুল ইসলাম সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে একের পর এক গণমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।

প্রতিদিন পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার কার্যালয়ে ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হাজির হন নানা শ্রেনী পেশার বিভিন্ন বয়সী মানুষ। রিজিয়া বেগম (৬০) তাদেরই একজন। তিনি কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে আসেননি। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার কাছে আসেন। ভরন পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। পুলিশের মানবিকতাই তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত টেনে নিয়ে এসেছে। প্রয়োজন একটি শাড়ীর। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই সল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। রিজিয়া বেগম তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু”চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রæ ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষনিকভাবে একটি শাড়ী এবং ঔষধ কেনার জন্য নগদ টাকা প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গা বাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন।