সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

মাগুরায় যৌতুকের জন্য শারীরিক নির্যাতনেৱ শিকার পুলিশ সদস্যেৱ স্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

(অনলাইন ডেস্ক)
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলাৱ বিনোদপুর ইউনিয়নেৱ ঘুল্লিয়া গ্রামে যৌতুকের কারণে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনেৱ শিকার পুলিশ সদস্যেৱ স্ত্রী সাথী খাতুন। সাথী খাতুন কন্যা সন্তান নিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন বাবার বাড়িতে। সাথী খাতুন অভিযোগ করে বলেন ,সাথী খাতুনের সহিত গত পাচ বছৱ পূর্বে পুলিশ সদস্য মহিদুল ইসলামেৱ সাথে বিবাহ হয়।পুলিশ সদস্য মহীদুল ইসলাম ঝালোকাঠি জেলাৱ কাঠালিয়া থানাৱ তালগাছিয়া গ্রামেৱ ইউনুচ হাওলাদারের ছেলে। বিবাহের কিছুদিন সুখে শান্তিতে বসবাস করে। তবে কিছু দিন পর থেকে যৌতুকের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে যায় সাথী খাতুনেৱ পরিবার । বিয়ের সময় যৌতুক হিসাবে একটি আর টি আর মোটরসাইকেল কেনা বাবদ টাকা দিয়েছিলো সেটাই যেন কাল হয়ে দাড়াই। বিবাহের ১ বছর পরে সাথী খাতুনেৱ ঘরে জন্মনেয় ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান তাতে করে ও আরো বেরে যায় শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। ফুটফুটে কন্যা সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে শত যন্ত্রণা শয়ে সংসার করতে থাকে সাথী খাতুন।সাথী খাতুন আৱো জানান, করোনা কালীন দীর্ঘ আট মাস নির্যাতনেৱ মাত্রা বেরে যায়। সাথীর সংঙ্গে মহিদুল কোনো যোগাযোগ রাখতে চাইনা বলেও সাথীকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়।শারীরিক এবং মানসীক নির্যাতন করেই শেষ হয় নাই আমাৱ স্বামী মহিদুল। যৌতুক বাবদ দশ লক্ষ টাকা আমাৱ নিকট দাবী করে মহিদুল । টাকা দিতে না পাৱায় আমাকে মেৱে ফেলাৱ হুমকিও দেন মহিদুল।সাথী আৱো বলেন ,দীর্ঘ দিন যাবত ধরে আমাৱ স্বামী পুলিশ সদস্য মহিদুল অনেক মেয়েৱ সঙ্গে পরোকিয়ায় লিপ্ত আছে বলে আমি জানতে পারি এবং বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে অশ্লীল যৌথ ছবি মোবাইলে ধারন করে আমাৱ স্বামী । মোবাইলে ধারন করা সেই অশ্লীল যৌথ ছবি আমি প্রমান হিসাবে পাই । তখন বিষয়টি আমি বুঝতে পেরে আমাৱ স্বামী মহিদুলের কাছে জানতে চাইলে তখন থেকে নির্যাতনেৱ শিকার বেশি হই আমি। তখন আমি পুলিশেৱ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবগত করি কিন্তু সেখানেও আমি বিচার পাইনি।বিচারের বদলে আমাকে বলা হয় পাচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমাৱ স্বামীৱ সংসার ত্যাগ করতে । আমি রাজি না হওয়ায় আমাৱ কাছে দশ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে এবং টাকা দিতে না পারলে মেরে ফেলাৱ হুমকি সহ লাশ গুম করিয়া ফেলবে মর্মে হুমকি প্রদান করে আমাৱ স্বামী পুলিশ সদস্য মহিদুল ইসলাম । পুলিশ সদস্য মহিদুল ইসলাম বর্তমানে বরগুনা জেলার সদর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত আছেন । মোবাইল ফোনে মহিদুলেৱ সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, ঐ সকল বিষয়ে আমি কিছু জানিনা এবং এগুলা মিথ্যা অভিযোগ । তিনি আরো বলেন, পরোকিয়াৱ বিষয়টি সত্য না কিন্তু আমাৱ একটি মেয়েৱ সঙ্গে প্রেমেৱ সম্পর্ক আছে এবং কিছু অশ্লীল যৌথ ছবি মোবাইলে ধারন করা ছিলো,সে গুলো আমাৱ ল্যাপটপে রাখা ছিলো । সেই ছবি গুলো আমাৱ স্ত্রী দেখে ফেলে কিন্তু এ বিষয়ে আমাৱ স্ত্রীৱ কাছে ক্ষমা চেয়েছি ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাগুরায় যৌতুকের জন্য শারীরিক নির্যাতনেৱ শিকার পুলিশ সদস্যেৱ স্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

(অনলাইন ডেস্ক)
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলাৱ বিনোদপুর ইউনিয়নেৱ ঘুল্লিয়া গ্রামে যৌতুকের কারণে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনেৱ শিকার পুলিশ সদস্যেৱ স্ত্রী সাথী খাতুন। সাথী খাতুন কন্যা সন্তান নিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন বাবার বাড়িতে। সাথী খাতুন অভিযোগ করে বলেন ,সাথী খাতুনের সহিত গত পাচ বছৱ পূর্বে পুলিশ সদস্য মহিদুল ইসলামেৱ সাথে বিবাহ হয়।পুলিশ সদস্য মহীদুল ইসলাম ঝালোকাঠি জেলাৱ কাঠালিয়া থানাৱ তালগাছিয়া গ্রামেৱ ইউনুচ হাওলাদারের ছেলে। বিবাহের কিছুদিন সুখে শান্তিতে বসবাস করে। তবে কিছু দিন পর থেকে যৌতুকের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে যায় সাথী খাতুনেৱ পরিবার । বিয়ের সময় যৌতুক হিসাবে একটি আর টি আর মোটরসাইকেল কেনা বাবদ টাকা দিয়েছিলো সেটাই যেন কাল হয়ে দাড়াই। বিবাহের ১ বছর পরে সাথী খাতুনেৱ ঘরে জন্মনেয় ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান তাতে করে ও আরো বেরে যায় শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। ফুটফুটে কন্যা সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে শত যন্ত্রণা শয়ে সংসার করতে থাকে সাথী খাতুন।সাথী খাতুন আৱো জানান, করোনা কালীন দীর্ঘ আট মাস নির্যাতনেৱ মাত্রা বেরে যায়। সাথীর সংঙ্গে মহিদুল কোনো যোগাযোগ রাখতে চাইনা বলেও সাথীকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়।শারীরিক এবং মানসীক নির্যাতন করেই শেষ হয় নাই আমাৱ স্বামী মহিদুল। যৌতুক বাবদ দশ লক্ষ টাকা আমাৱ নিকট দাবী করে মহিদুল । টাকা দিতে না পাৱায় আমাকে মেৱে ফেলাৱ হুমকিও দেন মহিদুল।সাথী আৱো বলেন ,দীর্ঘ দিন যাবত ধরে আমাৱ স্বামী পুলিশ সদস্য মহিদুল অনেক মেয়েৱ সঙ্গে পরোকিয়ায় লিপ্ত আছে বলে আমি জানতে পারি এবং বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে অশ্লীল যৌথ ছবি মোবাইলে ধারন করে আমাৱ স্বামী । মোবাইলে ধারন করা সেই অশ্লীল যৌথ ছবি আমি প্রমান হিসাবে পাই । তখন বিষয়টি আমি বুঝতে পেরে আমাৱ স্বামী মহিদুলের কাছে জানতে চাইলে তখন থেকে নির্যাতনেৱ শিকার বেশি হই আমি। তখন আমি পুলিশেৱ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবগত করি কিন্তু সেখানেও আমি বিচার পাইনি।বিচারের বদলে আমাকে বলা হয় পাচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমাৱ স্বামীৱ সংসার ত্যাগ করতে । আমি রাজি না হওয়ায় আমাৱ কাছে দশ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে এবং টাকা দিতে না পারলে মেরে ফেলাৱ হুমকি সহ লাশ গুম করিয়া ফেলবে মর্মে হুমকি প্রদান করে আমাৱ স্বামী পুলিশ সদস্য মহিদুল ইসলাম । পুলিশ সদস্য মহিদুল ইসলাম বর্তমানে বরগুনা জেলার সদর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত আছেন । মোবাইল ফোনে মহিদুলেৱ সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, ঐ সকল বিষয়ে আমি কিছু জানিনা এবং এগুলা মিথ্যা অভিযোগ । তিনি আরো বলেন, পরোকিয়াৱ বিষয়টি সত্য না কিন্তু আমাৱ একটি মেয়েৱ সঙ্গে প্রেমেৱ সম্পর্ক আছে এবং কিছু অশ্লীল যৌথ ছবি মোবাইলে ধারন করা ছিলো,সে গুলো আমাৱ ল্যাপটপে রাখা ছিলো । সেই ছবি গুলো আমাৱ স্ত্রী দেখে ফেলে কিন্তু এ বিষয়ে আমাৱ স্ত্রীৱ কাছে ক্ষমা চেয়েছি ।