সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

ভুয়া কাজীকে অভিনব শাস্তি, ইউএনওর প্রশংসা এলাকাবাসীর। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২০ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
নিজের ভুল স্বীকার করে মাইকিং করছেন বাছেদ মিয়া

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ৬ নং হাতীবান্ধা ইউনিয়নসহ ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন স্থানে বেআইনি যত বিয়ে নিবন্ধন করতেন কাজী বাছেদ মিয়া। তিনি প্রায় দুই মাস আগে হাতীবান্ধা ইউনিয়নে পাগলার মুক গ্রামে বাল্য বিয়ে পড়াচ্ছেন, এমন খবর আসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদের কাছে। এরপর নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বাছেদ মিয়া পালিয়ে যায়। ঘটনার পরের দিন ওই কর্মকর্তা কাজী বাছেদ মিয়াকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে স্বশরীরে ভলিউমসহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেন।

এর পর নির্বাহী কর্মকর্তা বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হন ওই কাজী আসলে ভুয়া। বিষয়টি টের পেয়ে ভুয়া কাজী বাছেদ মিয়া দুই মাস পালিয়ে থাকেন। দুই মাস পর বাছেদ মিয়া গত সপ্তাহে হাজির হন নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে। কাজী অনুরোধ করেন তিনি যে কোন শাস্তি মেনে নিতে রাজী আছেন তবুও তার (কাজী) বিরুদ্ধে যেন আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়।

নির্বাহী কর্মকর্তা শর্ত দেন, আপনি (বাছেদ) ভুয়া কাজী এই কথা স্বীকার করে ৭ দিন নিজে উপজেলায় মাইকিং করবেন। আর ১০০ টাকার ১০০ টি স্ট্র্যম্পে ই্উনিয়ন পরিষদে অঙ্গীকার করতে হবে।

শর্ত মোতাবেক আজ বৃহস্পতিবার ছিল মাইকিং করার শেষ দিন। এই ৭ দিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাছেদ মিয়াকে মাইকিং করতে দেখা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক কাজীকে অভিনব এই শাস্তি ও কাজীর এই কান্ডে এই নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে বেশ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
বাছেদ মিয়া নিজ খরচে ইজিবাইকে করে তিনি মাইকিং করে নিজে বলছেন, আমি যা করেছি অন্যায় করেছি, আমি আরো অঙ্গীকার করছি যে ভবিষ্যতে আমি কোন প্রকার বাল্যবিবাহ পড়ারো না, অনৈতিক কোন কাজ করবো না।

এদিকে বাছেদ মিয়ার এমন মাইকিংয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে বেশ আনন্দের খোরাক জুগিয়েছে। নির্বাহী কর্মকর্তার এমন কাজকে মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ বলেন, এই কাজীর সরকারি কোন নিবন্ধন নেই, কাজী পরিচয়ে এলাকায় অন্যায় ভাবে বিবাহ সম্পাদন করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরেই।

অভিনব এই শাস্তিতে ভুয়া কাজীদের উপদ্রব কমবে। বিয়ের মত একটি স্পর্শকাতর কাজ ভুয়া কাজী নিবন্ধন করবেন তা মেনে নেওয়া যায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভুয়া কাজীকে অভিনব শাস্তি, ইউএনওর প্রশংসা এলাকাবাসীর। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
নিজের ভুল স্বীকার করে মাইকিং করছেন বাছেদ মিয়া

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ৬ নং হাতীবান্ধা ইউনিয়নসহ ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন স্থানে বেআইনি যত বিয়ে নিবন্ধন করতেন কাজী বাছেদ মিয়া। তিনি প্রায় দুই মাস আগে হাতীবান্ধা ইউনিয়নে পাগলার মুক গ্রামে বাল্য বিয়ে পড়াচ্ছেন, এমন খবর আসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদের কাছে। এরপর নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বাছেদ মিয়া পালিয়ে যায়। ঘটনার পরের দিন ওই কর্মকর্তা কাজী বাছেদ মিয়াকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে স্বশরীরে ভলিউমসহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেন।

এর পর নির্বাহী কর্মকর্তা বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হন ওই কাজী আসলে ভুয়া। বিষয়টি টের পেয়ে ভুয়া কাজী বাছেদ মিয়া দুই মাস পালিয়ে থাকেন। দুই মাস পর বাছেদ মিয়া গত সপ্তাহে হাজির হন নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে। কাজী অনুরোধ করেন তিনি যে কোন শাস্তি মেনে নিতে রাজী আছেন তবুও তার (কাজী) বিরুদ্ধে যেন আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়।

নির্বাহী কর্মকর্তা শর্ত দেন, আপনি (বাছেদ) ভুয়া কাজী এই কথা স্বীকার করে ৭ দিন নিজে উপজেলায় মাইকিং করবেন। আর ১০০ টাকার ১০০ টি স্ট্র্যম্পে ই্উনিয়ন পরিষদে অঙ্গীকার করতে হবে।

শর্ত মোতাবেক আজ বৃহস্পতিবার ছিল মাইকিং করার শেষ দিন। এই ৭ দিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাছেদ মিয়াকে মাইকিং করতে দেখা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক কাজীকে অভিনব এই শাস্তি ও কাজীর এই কান্ডে এই নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে বেশ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
বাছেদ মিয়া নিজ খরচে ইজিবাইকে করে তিনি মাইকিং করে নিজে বলছেন, আমি যা করেছি অন্যায় করেছি, আমি আরো অঙ্গীকার করছি যে ভবিষ্যতে আমি কোন প্রকার বাল্যবিবাহ পড়ারো না, অনৈতিক কোন কাজ করবো না।

এদিকে বাছেদ মিয়ার এমন মাইকিংয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে বেশ আনন্দের খোরাক জুগিয়েছে। নির্বাহী কর্মকর্তার এমন কাজকে মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ বলেন, এই কাজীর সরকারি কোন নিবন্ধন নেই, কাজী পরিচয়ে এলাকায় অন্যায় ভাবে বিবাহ সম্পাদন করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরেই।

অভিনব এই শাস্তিতে ভুয়া কাজীদের উপদ্রব কমবে। বিয়ের মত একটি স্পর্শকাতর কাজ ভুয়া কাজী নিবন্ধন করবেন তা মেনে নেওয়া যায় না।