সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

ঝালকাঠির মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলন, ২২ কর্মচারী বরখাস্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠি পৌরসভার মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদারের স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংকের ভবিষ্যৎ তহবিল হিসাব (প্রভিডেন্ট ফান্ড) থেকে ১৮ লাখ ২১ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগে ২২ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌর মেয়র বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করেন।
এ ঘটনায় পৌর মেয়রের নির্দেশে ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে গত ২৩ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে মেয়রের কাছে।

শোকজের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত কর্মচারীরা লিখিতভাবে তাদের জবাব দিলে, তা সন্তোষজনক না হওয়ায় পৌরসভায় জরুরি সভা করে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২২ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা সাত দিনের মধ্যে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া জালিয়াতির কারণে ২২ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তিনি বলেন, পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ তহবিল (প্রভিডেন্ট ফান্ড) নামে রূপালী ব্যাংক ঝালকাঠি শাখায় একটি হিসাব আছে। এতে কর্মচারীদের বেতনের ১০ ভাগ এবং পৌরসভার ১০ ভাগসহ মোট ২০ ভাগ টাকা এ হিসাবে জমা হয়। বিধি অনুযায়ী এ টাকা কর্মচারীরা চাকরি থেকে অবসর নেয়ার সময় পেয়ে থাকেন। অথবা কারও জরুরি প্রয়োজনে মেয়রের কাছে আবেদন করে পৌরসভা থেকে ওই হিসাবের টাকা থেকে অংশবিশেষ ঋণ নিতে পারেন।

ব্যাংকের হিসাব থেকে এ টাকা উঠাতে চেকে মেয়র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত মোট ১০৪টি চেকে মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে ১৮ লাখ ২১ হাজার টাকা উঠিয়ে নেয় ২২ জন কর্মচারী।

যাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে তারা হলেন- স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবদুস সালাম শিকদার, টিকাদানকারী আমিনুল ইসলাম, সীমা রানী দাস, সুলতানা পারভীন ও রাশিদা খানম, কসাইখানা পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন, রোলার চালক ফিরোজ খান, ইয়াসিন আরাফাত, নিম্নমান সহকারী ফোরকান আমিন, অফিস সহায়ক মোরশেদা খানম, চান মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য সহকারী রিয়াজুল ইসলাম, ট্রাকচালক শাকিব খান, ফটোকপি মেশিন অপারেটর সাবেক মেয়রের স্ত্রী সামসুন্নাহার মারিয়া, কার্যসহকারী নাজমুল হাসান, ট্রাক হেলপার মিলন হাওলাদার ও মর্তুজা আলী, বিদ্যুৎ লাইন ম্যান সোহেল রানা, পাম্পচালক ইকবাল হোসেন ও সোহেল খান এবং বিল ক্লার্ক সাহাব উদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠির মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলন, ২২ কর্মচারী বরখাস্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠি পৌরসভার মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদারের স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংকের ভবিষ্যৎ তহবিল হিসাব (প্রভিডেন্ট ফান্ড) থেকে ১৮ লাখ ২১ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগে ২২ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌর মেয়র বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করেন।
এ ঘটনায় পৌর মেয়রের নির্দেশে ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে গত ২৩ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে মেয়রের কাছে।

শোকজের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত কর্মচারীরা লিখিতভাবে তাদের জবাব দিলে, তা সন্তোষজনক না হওয়ায় পৌরসভায় জরুরি সভা করে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২২ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা সাত দিনের মধ্যে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া জালিয়াতির কারণে ২২ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তিনি বলেন, পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ তহবিল (প্রভিডেন্ট ফান্ড) নামে রূপালী ব্যাংক ঝালকাঠি শাখায় একটি হিসাব আছে। এতে কর্মচারীদের বেতনের ১০ ভাগ এবং পৌরসভার ১০ ভাগসহ মোট ২০ ভাগ টাকা এ হিসাবে জমা হয়। বিধি অনুযায়ী এ টাকা কর্মচারীরা চাকরি থেকে অবসর নেয়ার সময় পেয়ে থাকেন। অথবা কারও জরুরি প্রয়োজনে মেয়রের কাছে আবেদন করে পৌরসভা থেকে ওই হিসাবের টাকা থেকে অংশবিশেষ ঋণ নিতে পারেন।

ব্যাংকের হিসাব থেকে এ টাকা উঠাতে চেকে মেয়র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত মোট ১০৪টি চেকে মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে ১৮ লাখ ২১ হাজার টাকা উঠিয়ে নেয় ২২ জন কর্মচারী।

যাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে তারা হলেন- স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবদুস সালাম শিকদার, টিকাদানকারী আমিনুল ইসলাম, সীমা রানী দাস, সুলতানা পারভীন ও রাশিদা খানম, কসাইখানা পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন, রোলার চালক ফিরোজ খান, ইয়াসিন আরাফাত, নিম্নমান সহকারী ফোরকান আমিন, অফিস সহায়ক মোরশেদা খানম, চান মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য সহকারী রিয়াজুল ইসলাম, ট্রাকচালক শাকিব খান, ফটোকপি মেশিন অপারেটর সাবেক মেয়রের স্ত্রী সামসুন্নাহার মারিয়া, কার্যসহকারী নাজমুল হাসান, ট্রাক হেলপার মিলন হাওলাদার ও মর্তুজা আলী, বিদ্যুৎ লাইন ম্যান সোহেল রানা, পাম্পচালক ইকবাল হোসেন ও সোহেল খান এবং বিল ক্লার্ক সাহাব উদ্দিন।