সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, শ্বশুর গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: হবিগঞ্জের বাহুবলে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় শ্বশুর হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।
বুধবার গভীর রাতে উপজেলার ভূগলী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একইদিন রাতে তানিয়ার দেবর জানে আলমকে প্রধান আসামি করে শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের মা।
র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের এসআই মনির জানান, উপজেলার ভূগলী গ্রাম থেকে নিহতের শ্বশুর হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিন বছর আগে উপজেলার মির্জাটুলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী নুরুল ইসলামের মেয়ে তানিয়া আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার ফদ্রখলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী শাহ আলমের। বিয়ের পর তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। সুখেই যাচ্ছিল তানিয়ার দাম্পত্য জীবন। তবে তানিয়ার ওপর কুনজর পড়ে দেবর জানে আলমের। তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন তিনি। তানিয়া বিষয়টি শ্বশুর ও শাশুড়িকে বারবার জানালেও কোনো সমাধান পাননি।

জানে আলমের স্ত্রীকেও বিষয়টি জানান তানিয়া। এ নিয়ে জানে আলমের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়াও হয়। স্ত্রী নিষেধ করলেও তার নিষেধ মানেননি জানে আলম। একপর্যায়ে জানে আলমের ঘর ছাড়েন তার স্ত্রী। বিষয়টি পুরো গ্রামে জানাজানি হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জানে আলম। রোববার রাতে দরজার লক ভেঙে তানিয়ার কক্ষে ঢুকে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখে বিষ ঢেলে দেন।

রাতে তানিয়ার ছোট ভাই তানভীরকে ফোন দিয়ে জানে আলম জানান, তার স্ত্রী অসুস্থ। তাকে একটি অটোরিকশা নিয়ে আসতে বলেন। অটোরিকশা নিয়ে জানে আলমের বাড়িতে গিয়ে তানভীর দেখেন জানে আলমের স্ত্রী নয় তানভীরের বোন অজ্ঞান হয়ে পড়ে রয়েছেন। তিনি বিষপান করেছেন জানিয়ে তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সোমবার ভোরে গুরুতর অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে গলা টিপে হত্যা করেন জানে আলম।

বাহুবল মডেল থানার (ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় মামলার পর নিহতের শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বাকিদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, শ্বশুর গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০২:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: হবিগঞ্জের বাহুবলে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় শ্বশুর হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।
বুধবার গভীর রাতে উপজেলার ভূগলী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একইদিন রাতে তানিয়ার দেবর জানে আলমকে প্রধান আসামি করে শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের মা।
র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের এসআই মনির জানান, উপজেলার ভূগলী গ্রাম থেকে নিহতের শ্বশুর হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিন বছর আগে উপজেলার মির্জাটুলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী নুরুল ইসলামের মেয়ে তানিয়া আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার ফদ্রখলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী শাহ আলমের। বিয়ের পর তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। সুখেই যাচ্ছিল তানিয়ার দাম্পত্য জীবন। তবে তানিয়ার ওপর কুনজর পড়ে দেবর জানে আলমের। তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন তিনি। তানিয়া বিষয়টি শ্বশুর ও শাশুড়িকে বারবার জানালেও কোনো সমাধান পাননি।

জানে আলমের স্ত্রীকেও বিষয়টি জানান তানিয়া। এ নিয়ে জানে আলমের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়াও হয়। স্ত্রী নিষেধ করলেও তার নিষেধ মানেননি জানে আলম। একপর্যায়ে জানে আলমের ঘর ছাড়েন তার স্ত্রী। বিষয়টি পুরো গ্রামে জানাজানি হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জানে আলম। রোববার রাতে দরজার লক ভেঙে তানিয়ার কক্ষে ঢুকে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখে বিষ ঢেলে দেন।

রাতে তানিয়ার ছোট ভাই তানভীরকে ফোন দিয়ে জানে আলম জানান, তার স্ত্রী অসুস্থ। তাকে একটি অটোরিকশা নিয়ে আসতে বলেন। অটোরিকশা নিয়ে জানে আলমের বাড়িতে গিয়ে তানভীর দেখেন জানে আলমের স্ত্রী নয় তানভীরের বোন অজ্ঞান হয়ে পড়ে রয়েছেন। তিনি বিষপান করেছেন জানিয়ে তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সোমবার ভোরে গুরুতর অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে গলা টিপে হত্যা করেন জানে আলম।

বাহুবল মডেল থানার (ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় মামলার পর নিহতের শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বাকিদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।