সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

বরিশালে শ্রেণিকক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ছেলে-মেয়ে আটক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০ ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গৌরনদী প্রতিনিধি :: অবাধে মেলামেশা করার সময় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ছেলে ও মেয়েকে হাতেনাতে আটক করেছে এলাকাবাসী। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাকাই নিরঞ্জন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাস শ্রেনীকক্ষে অবাধে মেলামেশা করার জন্য জায়গা দিয়েছে বলে এলাকাবাসীর দাবী।

জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর সকালে এলাকার কিছু যুবকরা খেলাধুলা করার জন্য বাঁকাই হরগবিন্দ সংস্কৃত মহাবিদ্যালয় মাঠে যান। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে দেশের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা থাকলেও অসময়ে তারা বিদ্যালয়ের গেটটি খোলা দেখতে পেয়ে ভবনের ২য় তলায় উঠে যান এবং গিয়ে প্রধান শিক্ষকের বাসার রুমের পাশের শ্রেনীকক্ষে বাকাই বাজারের মেসার্স সাহা জেনারেল স্টোরের মালিক মনোতোষ সাহার ছেলে অংকন সাহা ও একটি মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলে।

স্থানীয় শিক্ষক মোঃ আল আমিন জানান, বাকাই নিরঞ্জন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাস ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি নিয়ে পাশের বাঁকাই হরগবিন্দ সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়ের ২য় তলায় একটি কক্ষে পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছেন। ওই মহাবিদ্যালয়ের গেটের চাবি প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাসের কাছেই থাকে। এরকম ঘটনা বিদ্যালয়ে হরহামেশাই ঘটে থাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, অংকন সাহা ও মেয়েটিকে সাবেক ইউপি সদস্য বিপ্লব, আনোয়ার, শাহজাহান ও ইদ্রিসের কাছে তুলে দেন। কিন্তু তারা অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মুহূর্তের মধ্যে অংকন ও ওই মেয়েটিকে সরিয়ে ফেলেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাস বিষটির সত্যতা স্বিকার করে বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তবে এসে এই ঘটনার কথা শুনেছি এখানে নাকি একটি ছেলে ও মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছিল। তবে আমি বিদ্যালয়ে আসার আগেই স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে শ্রেণিকক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ছেলে-মেয়ে আটক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০

গৌরনদী প্রতিনিধি :: অবাধে মেলামেশা করার সময় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ছেলে ও মেয়েকে হাতেনাতে আটক করেছে এলাকাবাসী। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাকাই নিরঞ্জন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাস শ্রেনীকক্ষে অবাধে মেলামেশা করার জন্য জায়গা দিয়েছে বলে এলাকাবাসীর দাবী।

জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর সকালে এলাকার কিছু যুবকরা খেলাধুলা করার জন্য বাঁকাই হরগবিন্দ সংস্কৃত মহাবিদ্যালয় মাঠে যান। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে দেশের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা থাকলেও অসময়ে তারা বিদ্যালয়ের গেটটি খোলা দেখতে পেয়ে ভবনের ২য় তলায় উঠে যান এবং গিয়ে প্রধান শিক্ষকের বাসার রুমের পাশের শ্রেনীকক্ষে বাকাই বাজারের মেসার্স সাহা জেনারেল স্টোরের মালিক মনোতোষ সাহার ছেলে অংকন সাহা ও একটি মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলে।

স্থানীয় শিক্ষক মোঃ আল আমিন জানান, বাকাই নিরঞ্জন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাস ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি নিয়ে পাশের বাঁকাই হরগবিন্দ সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়ের ২য় তলায় একটি কক্ষে পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছেন। ওই মহাবিদ্যালয়ের গেটের চাবি প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাসের কাছেই থাকে। এরকম ঘটনা বিদ্যালয়ে হরহামেশাই ঘটে থাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, অংকন সাহা ও মেয়েটিকে সাবেক ইউপি সদস্য বিপ্লব, আনোয়ার, শাহজাহান ও ইদ্রিসের কাছে তুলে দেন। কিন্তু তারা অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মুহূর্তের মধ্যে অংকন ও ওই মেয়েটিকে সরিয়ে ফেলেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাস বিষটির সত্যতা স্বিকার করে বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তবে এসে এই ঘটনার কথা শুনেছি এখানে নাকি একটি ছেলে ও মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছিল। তবে আমি বিদ্যালয়ে আসার আগেই স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা হয়ে গেছে।