সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীকে মৃত দেখানো রেজিস্ট্রিকৃত দলিলে জীবিত দেখানো হয়েছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ।। আলেয়া বেগমের ২০০৮ সালের প্রাপ্ত জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামী সেকান্দার হাওলাদারকে মৃত দেখানো হয়েছে। অথচ ২০১১ সালের ২৪ মার্চ ২৪৪২ নম্বর রেজিস্ট্রিকৃত দলিলে জীবিত দেখানো হয়েছে। এ দলিলের মাধ্যমে কলাপাড়ার মধুখালী মৌজার খাস খতিয়ানের ৫৩৭৫ নম্বর দাগের এক একর ৪৭ শতক জমি বন্দোবস্ত দেখানো হয়েছে। এ জমিতে ১২টি দরিদ্র পরিবার প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত বসবাস করে আসছে। এসব জমি অন্য এলাকা কলাপাড়া পৌরসভার বাসীন্দা ছিলেন মৃত সেকান্দার হাওলাদার। তাকে জীবিত দেখিয়ে বন্দোবস্ত নেয়া হয়েছে। সেকান্দার হাওলাদারকে শণাক্ত করেছেন মেলাপাড়া গ্রামের হোসেনের ছেলে গনি হাওলাদার। এসব জমি আবার ৫০৭ ও ৫১১ নম্বর আমমোক্তার নামা দলিলে ২০১৫ সালে অধিকাংশ জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। যা বন্দোবস্ত কেসের শর্ত ভঙ্গ করার শামিল। বর্তমানে এমন প্রতারণার বিষয়টি নজরে এনে বন্দোবস্ত কেসটি বাতিলের জন্য পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর কাছে আবেদন করেছেন পূর্বমধুখালীর বাসীন্দা জাহিদুল ইসলাম। আবেদনে এসব উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম জানান, মৃত ওই এলাকার বাসীন্দা নন এমন ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ১২টি দরিদ্র পরিবারের বসতভিটার জমি বন্দোবস্ত দেখানো হয়েছে। যারা ওই খাস জমিতে বসবাস করে আসছে তারাও অধিকাংশ ভূমিহীন পরিবার। অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সৃজিত বন্দোবস্ত কেসটি বাতিল করে ভূমিহীন পরিবারকে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া হোক। এছাড়া ভূমি অফিসসহ এমন জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনারও দাবি করেন বসবাসকৃত পরিবারের লোকজন। কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল জানান, আবেদনটি তার কাছে পৌছলে তদন্ত করে বিধিমতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীকে মৃত দেখানো রেজিস্ট্রিকৃত দলিলে জীবিত দেখানো হয়েছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ।। আলেয়া বেগমের ২০০৮ সালের প্রাপ্ত জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামী সেকান্দার হাওলাদারকে মৃত দেখানো হয়েছে। অথচ ২০১১ সালের ২৪ মার্চ ২৪৪২ নম্বর রেজিস্ট্রিকৃত দলিলে জীবিত দেখানো হয়েছে। এ দলিলের মাধ্যমে কলাপাড়ার মধুখালী মৌজার খাস খতিয়ানের ৫৩৭৫ নম্বর দাগের এক একর ৪৭ শতক জমি বন্দোবস্ত দেখানো হয়েছে। এ জমিতে ১২টি দরিদ্র পরিবার প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত বসবাস করে আসছে। এসব জমি অন্য এলাকা কলাপাড়া পৌরসভার বাসীন্দা ছিলেন মৃত সেকান্দার হাওলাদার। তাকে জীবিত দেখিয়ে বন্দোবস্ত নেয়া হয়েছে। সেকান্দার হাওলাদারকে শণাক্ত করেছেন মেলাপাড়া গ্রামের হোসেনের ছেলে গনি হাওলাদার। এসব জমি আবার ৫০৭ ও ৫১১ নম্বর আমমোক্তার নামা দলিলে ২০১৫ সালে অধিকাংশ জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। যা বন্দোবস্ত কেসের শর্ত ভঙ্গ করার শামিল। বর্তমানে এমন প্রতারণার বিষয়টি নজরে এনে বন্দোবস্ত কেসটি বাতিলের জন্য পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর কাছে আবেদন করেছেন পূর্বমধুখালীর বাসীন্দা জাহিদুল ইসলাম। আবেদনে এসব উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম জানান, মৃত ওই এলাকার বাসীন্দা নন এমন ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ১২টি দরিদ্র পরিবারের বসতভিটার জমি বন্দোবস্ত দেখানো হয়েছে। যারা ওই খাস জমিতে বসবাস করে আসছে তারাও অধিকাংশ ভূমিহীন পরিবার। অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সৃজিত বন্দোবস্ত কেসটি বাতিল করে ভূমিহীন পরিবারকে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া হোক। এছাড়া ভূমি অফিসসহ এমন জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনারও দাবি করেন বসবাসকৃত পরিবারের লোকজন। কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল জানান, আবেদনটি তার কাছে পৌছলে তদন্ত করে বিধিমতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।