সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

উজিরপুরে পারিবারিক কলহে অসহায় পরিবারের উপর সন্ত্রসী হামলা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০ ২১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আনোয়ার হোসেন :: উজিরপুর আটিপাড়া গ্রামের ফজলুল হক সরদারের স্ত্রী রিনা বেগম (৪৫)। ফজলুল হক স্ত্রী সন্তান সহ পিত্রালয়ে বসবাস করেন। ফজলুল হক স্ত্রী সন্তান সহ বসত ঘরেই বসে ছিলেন। পিতার মৃতঃ পরে চাচা ও চাচাতো ভাইদের সাথে জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

ওই বিরোধের জেরে ২৯ অক্টোবর বেলা ১০ টায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মোঃ আনোয়ার হোসেন সরদারের ছেলে মোঃ সোহেল রানা (২৫), মোঃ রাহাত সরাদার (২০), মোবারেক আলী সরদারের ছেলে মোঃ আনোয়ার সরদার ৫/৬ জন ভাড়াটিয়া মাস্তান নিয়ে এলোপাথাড়ি হামলা চালায়।

হামলার এক পর্যায়ে সোহেল রানার হাতে থাকা ধারালো রামদা দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে রিনা বেগম এর মাথায় কোপ দেয় রক্তাক্ত গুরুতর জখম হয় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

রিনার ডাকচিৎকার সুনিয়া তার মেয়ে সালমা আক্তার (২০) এগিয়ে আসলে তাহার উপর হামলা চালায়। হামলার শিকার রিনা বেগমের মেয়ে বাদী হয়ে উজিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। হামলার শিকার রিনা ও সালমা সহ আরো দুই জনকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। রিনার মাথায় গুরুতর জখম হওয়ার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাহাকে বরিশাল শেবাচিমে হস্তান্তর করা হয়।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমরা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আমাদের মামলা না নিয়ে উল্টো আমাদের আসামি করে হয়রানি করছে উজিরপুর থানা পুলিশ।

ঘটনার দিন পুলিশের সামনে আমাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়। এস আই বাসার সে আমাদের উপর আক্রমণ করেন, তার সাহস দেখে সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি ধারালো দা রামদা দিয়ে আঘাত করতে থাকেন।

তারা আরো বলেন, আমরা আহত হয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু এখন থানা পুলিশ তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে যাননি। কিন্তু পরে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা নিয় পুলিশ আমাদের কে হয়রানি করছে।

তবে অভিযোগের তিন অতিবাহিত হলো ঘটনাস্থলে যাননি এস আই এনামুল হক। তিনি বলেন, আমি তাদেরকে থানায় আসতে বলেছি তারা আসুক কিছু লেখা পরিবর্তন করতে হবে। তার পর দেখি কি করা যায়। ৩ দিন হলো এখনও ঘটনাস্থলে না যাওয়ার কারন জিজ্ঞাস করিলে তিনি বলেন, থানায় বিভিন্ন জামেলা থাকে তাই যেতে পারিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

উজিরপুরে পারিবারিক কলহে অসহায় পরিবারের উপর সন্ত্রসী হামলা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৪০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

আনোয়ার হোসেন :: উজিরপুর আটিপাড়া গ্রামের ফজলুল হক সরদারের স্ত্রী রিনা বেগম (৪৫)। ফজলুল হক স্ত্রী সন্তান সহ পিত্রালয়ে বসবাস করেন। ফজলুল হক স্ত্রী সন্তান সহ বসত ঘরেই বসে ছিলেন। পিতার মৃতঃ পরে চাচা ও চাচাতো ভাইদের সাথে জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

ওই বিরোধের জেরে ২৯ অক্টোবর বেলা ১০ টায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মোঃ আনোয়ার হোসেন সরদারের ছেলে মোঃ সোহেল রানা (২৫), মোঃ রাহাত সরাদার (২০), মোবারেক আলী সরদারের ছেলে মোঃ আনোয়ার সরদার ৫/৬ জন ভাড়াটিয়া মাস্তান নিয়ে এলোপাথাড়ি হামলা চালায়।

হামলার এক পর্যায়ে সোহেল রানার হাতে থাকা ধারালো রামদা দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে রিনা বেগম এর মাথায় কোপ দেয় রক্তাক্ত গুরুতর জখম হয় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

রিনার ডাকচিৎকার সুনিয়া তার মেয়ে সালমা আক্তার (২০) এগিয়ে আসলে তাহার উপর হামলা চালায়। হামলার শিকার রিনা বেগমের মেয়ে বাদী হয়ে উজিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। হামলার শিকার রিনা ও সালমা সহ আরো দুই জনকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। রিনার মাথায় গুরুতর জখম হওয়ার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাহাকে বরিশাল শেবাচিমে হস্তান্তর করা হয়।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমরা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আমাদের মামলা না নিয়ে উল্টো আমাদের আসামি করে হয়রানি করছে উজিরপুর থানা পুলিশ।

ঘটনার দিন পুলিশের সামনে আমাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়। এস আই বাসার সে আমাদের উপর আক্রমণ করেন, তার সাহস দেখে সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি ধারালো দা রামদা দিয়ে আঘাত করতে থাকেন।

তারা আরো বলেন, আমরা আহত হয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু এখন থানা পুলিশ তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে যাননি। কিন্তু পরে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা নিয় পুলিশ আমাদের কে হয়রানি করছে।

তবে অভিযোগের তিন অতিবাহিত হলো ঘটনাস্থলে যাননি এস আই এনামুল হক। তিনি বলেন, আমি তাদেরকে থানায় আসতে বলেছি তারা আসুক কিছু লেখা পরিবর্তন করতে হবে। তার পর দেখি কি করা যায়। ৩ দিন হলো এখনও ঘটনাস্থলে না যাওয়ার কারন জিজ্ঞাস করিলে তিনি বলেন, থানায় বিভিন্ন জামেলা থাকে তাই যেতে পারিনি।