সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

পিটিয়ে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলা সেই ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০ ৪৫১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স :: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ আগুনে পোড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের আগে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ঘটে এ ঘটনা।
যে ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর পোড়ানো হয়েছে তার নাম আবু ইউনুস মো. সহিদুন্নবী জুয়েল। বাড়ি রংপুর শহরের শালবান এলাকায়।
তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সাবেক লাইব্রেরিয়ান ছিলেন। তার বাবার নাম আবদুল ওয়াজেদ মিয়া। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে তার চাকরি চলে যায় বলে বলে জানিয়েছেন তার এলাকাবাসী, বন্ধু ও সহকর্মীরা।

পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুল ইসলাম এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ইউপি সদস্য হাফিজুল ইসলাম মোবাইলে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, আসরের নামাজ শেষে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দুইজন ব্যক্তি আসেন। মসজিদের খাদেম জুবেদ আলীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের একজন মসজিদে প্রবেশ করে কোরআন-হাদিসের বই রাখার তাকে অস্ত্র আছে বলে তল্লাশি শুরু করেন।

একপর্যায়ে মসজিদের সামনে থাকা ৫-৬ জন মুসল্লি মসজিদের প্রবেশ করে ওই ব্যক্তিকে এবং বারান্দায় থাকা অপর ব্যক্তিকে মারধর করেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষের ভেতরে ঢুকে তালা লাগিয়ে রক্ষার চেষ্টা করি। তবে মুহূর্তে শত শত লোকজন জড়ো হতে থাকে। আমি ও স্থানীয় রফিকুল ইসলাম প্রধান নামে এক ব্যক্তি পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত, ইউএনও কামরুন নাহার, উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম নেওয়াজ নিশাতকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলি।

এরই মধ্যে উত্তেজিত জনতা কারো কথা না শুনে পরিষদের দরজা-জানালা ভেঙে এক ব্যক্তিকে বাইরে বের করে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে লাশ নিয়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের বুড়িমারী প্রথম বাঁশকল এলাকায় কাঠখড়ি ও পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়। সেখানে ৫-৬ হাজার উত্তেজিত মানুষ ছিল, কারো কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে জানান ইউপি সদস্য।

বর্তমানে ঘটনাস্থলে লালমনিরহাটের ডিসি আবু জাফর ও এসপি আবিদা সুলতান অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পিটিয়ে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলা সেই ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স :: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ আগুনে পোড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের আগে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ঘটে এ ঘটনা।
যে ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর পোড়ানো হয়েছে তার নাম আবু ইউনুস মো. সহিদুন্নবী জুয়েল। বাড়ি রংপুর শহরের শালবান এলাকায়।
তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সাবেক লাইব্রেরিয়ান ছিলেন। তার বাবার নাম আবদুল ওয়াজেদ মিয়া। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে তার চাকরি চলে যায় বলে বলে জানিয়েছেন তার এলাকাবাসী, বন্ধু ও সহকর্মীরা।

পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুল ইসলাম এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ইউপি সদস্য হাফিজুল ইসলাম মোবাইলে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, আসরের নামাজ শেষে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দুইজন ব্যক্তি আসেন। মসজিদের খাদেম জুবেদ আলীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের একজন মসজিদে প্রবেশ করে কোরআন-হাদিসের বই রাখার তাকে অস্ত্র আছে বলে তল্লাশি শুরু করেন।

একপর্যায়ে মসজিদের সামনে থাকা ৫-৬ জন মুসল্লি মসজিদের প্রবেশ করে ওই ব্যক্তিকে এবং বারান্দায় থাকা অপর ব্যক্তিকে মারধর করেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষের ভেতরে ঢুকে তালা লাগিয়ে রক্ষার চেষ্টা করি। তবে মুহূর্তে শত শত লোকজন জড়ো হতে থাকে। আমি ও স্থানীয় রফিকুল ইসলাম প্রধান নামে এক ব্যক্তি পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত, ইউএনও কামরুন নাহার, উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম নেওয়াজ নিশাতকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলি।

এরই মধ্যে উত্তেজিত জনতা কারো কথা না শুনে পরিষদের দরজা-জানালা ভেঙে এক ব্যক্তিকে বাইরে বের করে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে লাশ নিয়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের বুড়িমারী প্রথম বাঁশকল এলাকায় কাঠখড়ি ও পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়। সেখানে ৫-৬ হাজার উত্তেজিত মানুষ ছিল, কারো কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে জানান ইউপি সদস্য।

বর্তমানে ঘটনাস্থলে লালমনিরহাটের ডিসি আবু জাফর ও এসপি আবিদা সুলতান অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।