সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

মাদক মামলায় কারাগারে নারায়ণগঞ্জের ওসি কামরুল। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় সদর মডেল থানার সাবেক ওসি মো. কামরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জেলাকারাগারে এক সপ্তাহ যাবত বন্দী থাকলেও রহস্যজনক কারণে সাংবাদিকদের তথ্য দিতে অনিহা প্রকাশ করেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর আসাদজ্জামান।

উল্টো কোর্ট ইন্সপেক্টর আসাদজ্জামান রুল কল ডেকে কোর্টে দায়িত্বে থাকা সকল পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করে দেন যাতে কোন অবস্থাতেই যেন ওসি কামরুল ইসলামের কারাগারে পাঠানোর খবর প্রকাশ না হয়। অবশেষে পুলিশের নানা নাটকীয়তার পর বৃহস্পতিবার রাতে ওসি কামরুল ইসলামের কারাগারে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেল সুপার মো. মাহবুবুল আলম।

আদালত সূত্র জানান, কঠোর গোপনীয়তায় গত ২২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন কামরুল ইসলাম। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এক সপ্তাহ ধরে ওসি কামরুল নারায়ণগঞ্জ কারাগারে রয়েছেন এমন খবরের গুঞ্জনে গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করতে নারায়ণগঞ্জ আদালতের পুলিশ ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামানের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করলেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে আদালতের দায়িত্বে থাকা একাধিক পুলিশ অফিসারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এমন ঘটনা আমাদের জানা নাই।

তবে নারায়ণগঞ্জ আদালতের নির্ভরশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর আসাদ রুল কল ডেকে সকল পুলিশ সদস্যকে সতর্ক করে দেন যাতে কোন অবস্থাতেই যেন ওসি কামরুল ইসলামের কারাগারে পাঠানোর খবর প্রকাশ না হয়। জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার রুপালি আবাসিক এলাকা থেকে সদর মডেল থানার এএসআই সরোয়ার্দি ও মাদকবহনকারী সাবিনা আক্তার রুনুকে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৫ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ ঘটনায় বন্দর থানায় দায়েরকৃত মামলার আসামি পুলিশের এএসআই আলম সরোয়ার্দি আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, রুনুকে ইয়াবাসহ আটকের পর ওসি কামরুল ইসলামকে আমি ফোন করি। উনি আমাকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলেন।

এরপর ঘাটের কাছেই বাসা হওয়ায় আমি আসামিসহ আমার বাসায় চলে যাই। পরে ওসি আলামত (৪৯ হাজার পিস ইয়াবা) ও ৫ লাখ টাকা রেখে রুনুসহ দু’জনকে এসআই মোর্শেদের কাছে দিতে বলে। মোর্শেদ আসামি রুনুকে নিয়ে বাসার নিচে যাওয়ার পর আমাকে ফোন দিয়ে অপর আসামিকে ছেড়ে দিতে বলে। ঐ আলামত থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা এনে ওসির নির্দেশমতো রাস্তা থেকে জনি নামে একজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসি। রাতে ডিবি অভিযান চালিয়ে আলামত ও টাকা জব্দ করে।
কনস্টেবল মো. আসাদুজ্জামান জবানবন্দিতে বলেন, সরোয়ার্দির বাসায় গিয়ে রুনু ও আ. রহমানকে দেখতে পাই। সে দু’জনকে ইয়াবাসহ ধরেছে। মাদকগুলো থানায় না এনে বাসায় আনার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সরোয়ার্দি বলেন, ওসি কামরুল স্যার আমাকে আসামিসহ মাদকগুলো বাসায় রাখতে বলেছে। পুলিশের দু’জন সদস্যের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওসি কামরুলের নাম আসার পরেও তাকে বাদ দিয়ে গত আগস্ট মাসে ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিমউদ্দিন আল আজাদ।

জানা গেছে, মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল আসাদুজ্জামানের জামিন আবেদন পর্যালোচনাকালে বিষয়টি হাইকোর্টের দৃষ্টিতে আসে। এরপরই তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব এবং এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। হাইকোর্টে দেওয়া ব্যাখ্যায় তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, দু’জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছাড়া পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় ওসিকে আসামি করা হয়নি।

ওই ব্যাখ্যা আইনগতভাবে কতটা সঠিক সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও এস এম শাহজাহানের মতামত গ্রহণ করে হাইকোর্ট। তারা আদালতে অভিমত দিয়ে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার প্রধান কাজ মামলার তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করা। তার কোনো ক্ষমতা নেই মামলার তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নে সিদ্ধান্ত দেওয়ার। ফলে তদন্ত কর্মকর্তা ওসিকে আসামি না করার ব্যাপারে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা আইনগতভাবে সঠিক নয়।

এই মামলায় ওসি কামরুলের নাম আসায় আদালতের নির্দেশে গত বছরের ৪ মার্চ সদর থানা থেকে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। পরে তাকে মামলার চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেয়া হলে ২ এপ্রিল আবারও সদর থানায় তাকে পুনর্বহাল করা হয়। তিনি পরে ডিবি ও অন্যত্র বদলি হন।

পরে সিআইডি ওসি কামরুলকে সম্পূরক চার্জশীটভুক্ত করেন। গত ২২ অক্টোবর তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি আদালতে হাজির হলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আগামী ১ নভেম্বর তার জামিন শুনানি হবে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিউল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নিশ্চিত করে জানান, সাবেক ওসি কামরুল ইসলাম মাদক মামলায় জামিন চেয়ে গত ২২ অক্টোবর আদালতে আবেদন করেছিল, আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদক মামলায় কারাগারে নারায়ণগঞ্জের ওসি কামরুল। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় সদর মডেল থানার সাবেক ওসি মো. কামরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জেলাকারাগারে এক সপ্তাহ যাবত বন্দী থাকলেও রহস্যজনক কারণে সাংবাদিকদের তথ্য দিতে অনিহা প্রকাশ করেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর আসাদজ্জামান।

উল্টো কোর্ট ইন্সপেক্টর আসাদজ্জামান রুল কল ডেকে কোর্টে দায়িত্বে থাকা সকল পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করে দেন যাতে কোন অবস্থাতেই যেন ওসি কামরুল ইসলামের কারাগারে পাঠানোর খবর প্রকাশ না হয়। অবশেষে পুলিশের নানা নাটকীয়তার পর বৃহস্পতিবার রাতে ওসি কামরুল ইসলামের কারাগারে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেল সুপার মো. মাহবুবুল আলম।

আদালত সূত্র জানান, কঠোর গোপনীয়তায় গত ২২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন কামরুল ইসলাম। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এক সপ্তাহ ধরে ওসি কামরুল নারায়ণগঞ্জ কারাগারে রয়েছেন এমন খবরের গুঞ্জনে গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করতে নারায়ণগঞ্জ আদালতের পুলিশ ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামানের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করলেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে আদালতের দায়িত্বে থাকা একাধিক পুলিশ অফিসারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এমন ঘটনা আমাদের জানা নাই।

তবে নারায়ণগঞ্জ আদালতের নির্ভরশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর আসাদ রুল কল ডেকে সকল পুলিশ সদস্যকে সতর্ক করে দেন যাতে কোন অবস্থাতেই যেন ওসি কামরুল ইসলামের কারাগারে পাঠানোর খবর প্রকাশ না হয়। জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার রুপালি আবাসিক এলাকা থেকে সদর মডেল থানার এএসআই সরোয়ার্দি ও মাদকবহনকারী সাবিনা আক্তার রুনুকে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৫ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ ঘটনায় বন্দর থানায় দায়েরকৃত মামলার আসামি পুলিশের এএসআই আলম সরোয়ার্দি আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, রুনুকে ইয়াবাসহ আটকের পর ওসি কামরুল ইসলামকে আমি ফোন করি। উনি আমাকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলেন।

এরপর ঘাটের কাছেই বাসা হওয়ায় আমি আসামিসহ আমার বাসায় চলে যাই। পরে ওসি আলামত (৪৯ হাজার পিস ইয়াবা) ও ৫ লাখ টাকা রেখে রুনুসহ দু’জনকে এসআই মোর্শেদের কাছে দিতে বলে। মোর্শেদ আসামি রুনুকে নিয়ে বাসার নিচে যাওয়ার পর আমাকে ফোন দিয়ে অপর আসামিকে ছেড়ে দিতে বলে। ঐ আলামত থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা এনে ওসির নির্দেশমতো রাস্তা থেকে জনি নামে একজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসি। রাতে ডিবি অভিযান চালিয়ে আলামত ও টাকা জব্দ করে।
কনস্টেবল মো. আসাদুজ্জামান জবানবন্দিতে বলেন, সরোয়ার্দির বাসায় গিয়ে রুনু ও আ. রহমানকে দেখতে পাই। সে দু’জনকে ইয়াবাসহ ধরেছে। মাদকগুলো থানায় না এনে বাসায় আনার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সরোয়ার্দি বলেন, ওসি কামরুল স্যার আমাকে আসামিসহ মাদকগুলো বাসায় রাখতে বলেছে। পুলিশের দু’জন সদস্যের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওসি কামরুলের নাম আসার পরেও তাকে বাদ দিয়ে গত আগস্ট মাসে ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিমউদ্দিন আল আজাদ।

জানা গেছে, মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল আসাদুজ্জামানের জামিন আবেদন পর্যালোচনাকালে বিষয়টি হাইকোর্টের দৃষ্টিতে আসে। এরপরই তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব এবং এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। হাইকোর্টে দেওয়া ব্যাখ্যায় তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, দু’জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছাড়া পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় ওসিকে আসামি করা হয়নি।

ওই ব্যাখ্যা আইনগতভাবে কতটা সঠিক সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও এস এম শাহজাহানের মতামত গ্রহণ করে হাইকোর্ট। তারা আদালতে অভিমত দিয়ে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার প্রধান কাজ মামলার তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করা। তার কোনো ক্ষমতা নেই মামলার তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নে সিদ্ধান্ত দেওয়ার। ফলে তদন্ত কর্মকর্তা ওসিকে আসামি না করার ব্যাপারে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা আইনগতভাবে সঠিক নয়।

এই মামলায় ওসি কামরুলের নাম আসায় আদালতের নির্দেশে গত বছরের ৪ মার্চ সদর থানা থেকে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। পরে তাকে মামলার চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেয়া হলে ২ এপ্রিল আবারও সদর থানায় তাকে পুনর্বহাল করা হয়। তিনি পরে ডিবি ও অন্যত্র বদলি হন।

পরে সিআইডি ওসি কামরুলকে সম্পূরক চার্জশীটভুক্ত করেন। গত ২২ অক্টোবর তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি আদালতে হাজির হলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আগামী ১ নভেম্বর তার জামিন শুনানি হবে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিউল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নিশ্চিত করে জানান, সাবেক ওসি কামরুল ইসলাম মাদক মামলায় জামিন চেয়ে গত ২২ অক্টোবর আদালতে আবেদন করেছিল, আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন।