সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

গভীর রাতে যুবলীগ কর্মীকে মন্দিরে কুপিয়ে হত্যা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বগুড়া শহরতলীর সাবগ্রাম হাট দুর্গামন্দিরে ইউনিয়নের যুবলীগ কর্মী সুব্রত ওরফে সম্রাট দাসকে (২৭) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে হাটমন্দির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিহত সম্রাট সাবগ্রাম পালপাড়ার কালিপদ দাসের ছেলে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বালু ব্যবসা নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে সম্রাটকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল রাত ১টার দিকে সাবগ্রাম হাট দুর্গামন্দির থেকে প্রতিমা দর্শন শেষে বের হওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। প্রাণে বাঁচতে সম্রাট মন্দির চত্বরে একটি টিনের ঘরে আশ্রয় নিলেও দুর্বৃত্তরা তাকে সেখান থেকে টেনে হেঁচড়ে বের করে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্রাটের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি গ্রামছাড়া হয়ে বগুড়ায় বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি এলাকায় বালু ব্যবসা নিয়ে তার সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরোধ হয়। সম্রাটের বড় ভাই জুয়েল দাস ওরফে হাড়ি জুয়েলও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। কিছুদিন আগে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে সম্রাটের পক্ষে ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধর করেন। এরপর থেকে সাবগ্রাম এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল।

সম্রাটের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে বগুড়া থেকে ফিরে সম্রাট গোপনে বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মার সঙ্গে দেখা করেন। বাড়িতে খাওয়া দাওয়া শেষে মন্দিরে যান প্রতিমা দর্শন করতে। এর মধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন জেনে যায়, সম্রাট এলাকায় ফিরেছেন। পরে তারা সাবগ্রাম হাটের বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেন। সম্রাট মন্দির থেকে বের হতেই মন্দির চত্বরেই তার ওপর হামলা চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর পরই এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু জড়িতদের পাওয়া যায়নি। নিহত সম্রাটের নামে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্রসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গভীর রাতে যুবলীগ কর্মীকে মন্দিরে কুপিয়ে হত্যা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বগুড়া শহরতলীর সাবগ্রাম হাট দুর্গামন্দিরে ইউনিয়নের যুবলীগ কর্মী সুব্রত ওরফে সম্রাট দাসকে (২৭) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে হাটমন্দির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিহত সম্রাট সাবগ্রাম পালপাড়ার কালিপদ দাসের ছেলে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বালু ব্যবসা নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে সম্রাটকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল রাত ১টার দিকে সাবগ্রাম হাট দুর্গামন্দির থেকে প্রতিমা দর্শন শেষে বের হওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। প্রাণে বাঁচতে সম্রাট মন্দির চত্বরে একটি টিনের ঘরে আশ্রয় নিলেও দুর্বৃত্তরা তাকে সেখান থেকে টেনে হেঁচড়ে বের করে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্রাটের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি গ্রামছাড়া হয়ে বগুড়ায় বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি এলাকায় বালু ব্যবসা নিয়ে তার সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরোধ হয়। সম্রাটের বড় ভাই জুয়েল দাস ওরফে হাড়ি জুয়েলও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। কিছুদিন আগে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে সম্রাটের পক্ষে ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধর করেন। এরপর থেকে সাবগ্রাম এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল।

সম্রাটের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে বগুড়া থেকে ফিরে সম্রাট গোপনে বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মার সঙ্গে দেখা করেন। বাড়িতে খাওয়া দাওয়া শেষে মন্দিরে যান প্রতিমা দর্শন করতে। এর মধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন জেনে যায়, সম্রাট এলাকায় ফিরেছেন। পরে তারা সাবগ্রাম হাটের বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেন। সম্রাট মন্দির থেকে বের হতেই মন্দির চত্বরেই তার ওপর হামলা চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর পরই এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু জড়িতদের পাওয়া যায়নি। নিহত সম্রাটের নামে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্রসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।