বগুড়ার শেরপুরে শয়নঘরে ঢুকে গৃহবধুকে ধর্ষণ\ ধর্ষক সাইফুল গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

আরিফুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চোমড়পাথালিয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের এক গৃহবধুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৭ অক্টোবর (শনিবার) আনুমানিক রাত ৮ টায় এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে জানা যায়, চোমড়পাথালিয়া গ্রামের মৃত আসমত আলীর ছেলে শাহীন আলম এর স্ত্রী মোছাঃ নাজভিন পারভিন (২৬) তার বসত ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধষর্ণন করে সাইফুল ইসলাম। ধর্ষক সাইফুল ইসলাম একই গ্রামের শাহ্ আলী ওরফে ছাকিম উদ্দিন এর ছেলে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে নাজভিন পারভিন এর স্বামী মোঃ শাহীন আলমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, মাঝে মধ্যেই ধষর্ক সাইফুল ইসলাম আমার স্ত্রীকে কু প্রস্তাব দিতেন ও খারাপ নজরে তাকাতেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে আমার উপরে চোরাও হয় ও বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে। তিনি আরো বলেন, উক্ত ঘটনার দিন আমি ঘরেই ছিলাম, সারাদিন কাজকর্ম শেষে বাড়ি ফিরে রাতের খাবার খেয়ে আমি ও আমার মেয়ে সুমাইয়া (৫) ঘুমিয়ে পরি রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে আমার প্রতিবেশি মোঃ সোলামানের ছেলে মতিউর রহমন সহ আরো কয়েক জন আমার থাকার ঘরে জানালায় এসে ডাক দেয়। আমি গভীর ঘুমে থাকার কারনে আমার স্ত্রী মোছাঃ নাজভিন পারভিন দরজা খুলে দিলে ভিতরে প্রবেশ করে আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বলে তোমার ঘরে লোক প্রবেশ করেছে। এমন কথা শুনে আমি হতবাক হয়ে যাই। তাদের সাথে খোঁজাখুঁজি একপযার্য়ে পাশের ঘরের খাটের নিচ থেকে সাইফুল ইসলাম পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে মতিউর রহমানের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমি কাজের জন্য শাহীন আলমের বাড়িতে ডাকতে যাই এমবস্থায় তার ঘর থেকে অন্য রকমের খোশ আলাপের শব্দভেসে আসে। ঘরটি অন্ধকার থাকার কারনে আমার ভিতরে সন্দেহ হলে আমি আশেপাশের কয়েকজন কে সাথে নিয়ে তার বাসার দরজাতে ডাক দিলে কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রী দোরজা খুলে দেয়। পরে আমরা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করি। ঘরে প্রবেশ করে শাহীন আলমকে সাথে নিয়ে খোঁজাখুঁজি করে খাটের নিচে থেকে সাইফুল কে পাওয়া যায়। নাজমিন পারভিন বলেন, আমাকে ভয় দেখিয়ে আমার সঙ্গে অনেক আগে থেকেই এরকম অপকর্ম করে আসছে ধর্ষক সাইফুল ইসলাম।
এবিষয়ে সাইফুলের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার নিজের বিয়ের জন্য প্রাত্রী দেখতে গিয়ে ছিলাম। প্রাত্রীর ছবি দেখার জন্য আমাকে শাহীন আলমের স্ত্রী নাজভিন পারভিন আসতে বলে। তাই আমি তাকে প্রাত্রীর ছবি দেখানোর জন্য এসেছি মাত্র। এসেই তার সাথে অনৈতিক সর্ম্পকে জরিয়ে পরি।
এবিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, উক্ত ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই ঘটনারস্থলে দ্রæত পুলিশ পাঠিয়ে ধর্ষক সাইফুল কে আটক এবং ভিকটিম কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। ভিকটিম মহিলাকে ধর্ষণের আলামত শনাক্ত করার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণ মামলা হয়েছে, আসামীকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


























