সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ভোলায় ধর্ষণচেষ্টাকারীর পুরুষাঙ্গ কেটে বিপাকে গৃহবধূ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেক্স প্রতিবেদক:: চরফ্যাসনে ধর্ষণেরচেষ্টাকারীর নঈমের বিশেষ অঙ্গ কেটে নিজের সম্ভ্রম রক্ষাকারী গৃহবধূর পরিবার এখন ভুগছে নিরাপত্তহীনতায়। ঘটনার ১৩ দিন হয়ে গেলো গ্রেফতার হয়নি ধর্ষণের চেষ্টায় বিশেষ অঙ্গ হারানো মো. নঈম। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে নঈমের লোকজন নির্যাতিতা গৃহিণী ও ঘটনার সাক্ষীদের এলাকা ছাড়ার জন্য দিচ্ছে বিভিন্ন ভাবে প্রান নাশের হুমকি । আদালতে দায়ের করেছে একাধিক মিথ্যা মামলা। এ অবস্থায় অভিযুক্ত মো. নঈমকে গ্রেফতার করে অসহায় পরিবারসহ সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে চরফ্যাসন উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভাষানচর গুচ্ছ গ্রামে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করে একই এলাকার নঈম। লম্পট নঈমের বিশেষ অঙ্গ কেটে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করে ওই গৃহবধূ। এ ঘটনায় পরদিন নঈমকে আসামি করে শশীভুষণ থানায় একটি মামলা করা হয়। আহত নঈম প্রথমে চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও পুলিশ এখনও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।

এদিকে ঘটনার পর থেকেই নঈমের বাবা আজম আলী সরদারের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা নির্যাতিতাকে এলাকা ছাড়ার হুমকি দিচ্ছে। রাতের আধারে হামলা চালিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি আদালতে দায়ের করেছে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েও করছে হয়রানী। মানুষের মল-মূত্র এনে ঘরের সামনে ফেলে যাতায়াতে বাঁধা সৃষ্টি করছে।

নির্যাতনের শিকার ওই গৃহিণী জানান, নঈমের আত্মীয়স্বজনরা রাতের আঁধারে গুচ্ছ গ্রামে ঢুকে তাকে নানাভাবে হয়রানি করছে। এতে তিনি আতংকিত। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর শশীভুষণ থানায় একটি জিডি করেছেন তিনি।

শুধু নির্যাতিতা নয়, ঘটনার সাক্ষীদেরও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে নঈমের বাবা আজম আলী সরদারের বিরুদ্ধে।

অব্যাহত হুমকির পাশাপাশি আজম আলী সরদার বাদী হয়ে চরফ্যাসন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১ অক্টোবর একটি মামলা করেছে। ওই মামলায় নির্যাতিতা গৃহবধূ, ঘটনার সাক্ষীসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ আসামিরা নঈমকে ডেকে এনে হত্যার উদ্দেশ্যে তার বিশেষ অঙ্গ কাটতে চেয়েছে। তবে নির্যাতিত গৃহবধূ ও ঘটনার সাক্ষীদের হয়রানি করতেই মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানিয়েছেন, আসামি পলাতক রয়েছে। ভোলা-বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে খোঁজ নিয়ে পাওয়া যায়নি। এখন ঢাকার হাসপাতাল ও ক্লিনিকে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া হুমকিদাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ চেষ্টা করছে।

নির্যাতনের শিকার ওই নারীর পরিবার নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে এক বছর আগে ভাষানচর গুচ্ছ গ্রামে আশ্রয় নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভোলায় ধর্ষণচেষ্টাকারীর পুরুষাঙ্গ কেটে বিপাকে গৃহবধূ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০

ডেক্স প্রতিবেদক:: চরফ্যাসনে ধর্ষণেরচেষ্টাকারীর নঈমের বিশেষ অঙ্গ কেটে নিজের সম্ভ্রম রক্ষাকারী গৃহবধূর পরিবার এখন ভুগছে নিরাপত্তহীনতায়। ঘটনার ১৩ দিন হয়ে গেলো গ্রেফতার হয়নি ধর্ষণের চেষ্টায় বিশেষ অঙ্গ হারানো মো. নঈম। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে নঈমের লোকজন নির্যাতিতা গৃহিণী ও ঘটনার সাক্ষীদের এলাকা ছাড়ার জন্য দিচ্ছে বিভিন্ন ভাবে প্রান নাশের হুমকি । আদালতে দায়ের করেছে একাধিক মিথ্যা মামলা। এ অবস্থায় অভিযুক্ত মো. নঈমকে গ্রেফতার করে অসহায় পরিবারসহ সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে চরফ্যাসন উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভাষানচর গুচ্ছ গ্রামে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করে একই এলাকার নঈম। লম্পট নঈমের বিশেষ অঙ্গ কেটে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করে ওই গৃহবধূ। এ ঘটনায় পরদিন নঈমকে আসামি করে শশীভুষণ থানায় একটি মামলা করা হয়। আহত নঈম প্রথমে চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও পুলিশ এখনও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।

এদিকে ঘটনার পর থেকেই নঈমের বাবা আজম আলী সরদারের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা নির্যাতিতাকে এলাকা ছাড়ার হুমকি দিচ্ছে। রাতের আধারে হামলা চালিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি আদালতে দায়ের করেছে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েও করছে হয়রানী। মানুষের মল-মূত্র এনে ঘরের সামনে ফেলে যাতায়াতে বাঁধা সৃষ্টি করছে।

নির্যাতনের শিকার ওই গৃহিণী জানান, নঈমের আত্মীয়স্বজনরা রাতের আঁধারে গুচ্ছ গ্রামে ঢুকে তাকে নানাভাবে হয়রানি করছে। এতে তিনি আতংকিত। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর শশীভুষণ থানায় একটি জিডি করেছেন তিনি।

শুধু নির্যাতিতা নয়, ঘটনার সাক্ষীদেরও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে নঈমের বাবা আজম আলী সরদারের বিরুদ্ধে।

অব্যাহত হুমকির পাশাপাশি আজম আলী সরদার বাদী হয়ে চরফ্যাসন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১ অক্টোবর একটি মামলা করেছে। ওই মামলায় নির্যাতিতা গৃহবধূ, ঘটনার সাক্ষীসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ আসামিরা নঈমকে ডেকে এনে হত্যার উদ্দেশ্যে তার বিশেষ অঙ্গ কাটতে চেয়েছে। তবে নির্যাতিত গৃহবধূ ও ঘটনার সাক্ষীদের হয়রানি করতেই মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানিয়েছেন, আসামি পলাতক রয়েছে। ভোলা-বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে খোঁজ নিয়ে পাওয়া যায়নি। এখন ঢাকার হাসপাতাল ও ক্লিনিকে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া হুমকিদাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ চেষ্টা করছে।

নির্যাতনের শিকার ওই নারীর পরিবার নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে এক বছর আগে ভাষানচর গুচ্ছ গ্রামে আশ্রয় নেয়।