সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

বরগুনায় সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ। রক্তক্ষরণ থামাতে হাসপাতালে ভর্তি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২০ ২৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাওসার হামিদ, তালতলী প্রতিনিধি॥
বরগুনার তলতলীতে মায়ের সাথে নানা বাড়ী গিয়ে ৭ বছরের একটি শিশু তার আপন মামাতো ভাই সোহেল প্যাদা কর্তৃক ধর্ষণের স্বীকার হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য স্বজনরা তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন। ধর্ষণের ঘটনাটি গত বুধবার সন্ধ্যায় ঘটলেও আজ ভিকটিম ধর্ষিতার রক্তক্ষরণ হয়ে পুনঃরায় অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।

ধর্ষণের স্বীকার হওয়া শিশুটির বাবা জানান, গত তিন মাস পূর্বে শ্বাশুরী খুশিদা বেগমের (৫৫) অসুস্থতার সংবাদে আমার স্ত্রী কন্যা শিশুটিকে নিয়ে তালতলী উপজেলার শারিকখালী গ্রামে নানা বাড়ী যায়। সেখানে এখনো তারা অবস্থান করছেন। গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমার শিশু কন্যাটিকে কৌশলে ফুসলিয়ে রান্নাঘরে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আমার স্ত্রীর বড় ভাই মোঃ ফারুক প্যাদার বখাটে পুত্র সোহেল প্যাদা। এতে ধর্ষিতা শিশুটির ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়ে অসুস্থ্য হয়ে গেলেও ধর্ষক সোহেলের ভয়ে কাউকে কিছু বলেনি। আজ বিকেলে পুনঃরায় ব্যথা ও রক্তক্ষরণ শুরু হলে ভিকটিম শিশুটি মায়ের কাছে সেই দিনের ধর্ষণের ঘটনা খুলে বলে।

বিষয়টি স্থাণীয় গ্রাম পুলিশ মামুন জেনে সংশ্লিষ্ট শারিকখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বাশার বাদশা তালুকদারকে জানান। তিনি গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ভিকটিমকে উদ্ধার করে তার বাবা মায়ের মাধ্যমে শনিবার সন্ধ্যার পরে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আলহাজ্ব ডাঃ ফারজানা আক্তার দিনা বলেন, আপাতত এতটুকুই বলা যাচ্ছে শিশুটি হয়রানীর স্বীকার হয়েছে।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান মিয়া মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরগুনায় সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ। রক্তক্ষরণ থামাতে হাসপাতালে ভর্তি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২০

কাওসার হামিদ, তালতলী প্রতিনিধি॥
বরগুনার তলতলীতে মায়ের সাথে নানা বাড়ী গিয়ে ৭ বছরের একটি শিশু তার আপন মামাতো ভাই সোহেল প্যাদা কর্তৃক ধর্ষণের স্বীকার হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য স্বজনরা তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন। ধর্ষণের ঘটনাটি গত বুধবার সন্ধ্যায় ঘটলেও আজ ভিকটিম ধর্ষিতার রক্তক্ষরণ হয়ে পুনঃরায় অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।

ধর্ষণের স্বীকার হওয়া শিশুটির বাবা জানান, গত তিন মাস পূর্বে শ্বাশুরী খুশিদা বেগমের (৫৫) অসুস্থতার সংবাদে আমার স্ত্রী কন্যা শিশুটিকে নিয়ে তালতলী উপজেলার শারিকখালী গ্রামে নানা বাড়ী যায়। সেখানে এখনো তারা অবস্থান করছেন। গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমার শিশু কন্যাটিকে কৌশলে ফুসলিয়ে রান্নাঘরে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আমার স্ত্রীর বড় ভাই মোঃ ফারুক প্যাদার বখাটে পুত্র সোহেল প্যাদা। এতে ধর্ষিতা শিশুটির ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়ে অসুস্থ্য হয়ে গেলেও ধর্ষক সোহেলের ভয়ে কাউকে কিছু বলেনি। আজ বিকেলে পুনঃরায় ব্যথা ও রক্তক্ষরণ শুরু হলে ভিকটিম শিশুটি মায়ের কাছে সেই দিনের ধর্ষণের ঘটনা খুলে বলে।

বিষয়টি স্থাণীয় গ্রাম পুলিশ মামুন জেনে সংশ্লিষ্ট শারিকখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বাশার বাদশা তালুকদারকে জানান। তিনি গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ভিকটিমকে উদ্ধার করে তার বাবা মায়ের মাধ্যমে শনিবার সন্ধ্যার পরে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আলহাজ্ব ডাঃ ফারজানা আক্তার দিনা বলেন, আপাতত এতটুকুই বলা যাচ্ছে শিশুটি হয়রানীর স্বীকার হয়েছে।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান মিয়া মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।