সংবাদ শিরোনাম ::
চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক!

জীবিত আসামিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দেখিয়ে চার্জশিট থেকে বাদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২০০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আসামি নিহত, তাই অভিযোগপত্র থেকে নাম বাদ। কিন্তু আসামি জীবিত, আদালতে আসেন হাজিরা দিতে। চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটির তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। শুধু কি নামের মিল, না অন্য কোন কারণ, না মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতা।

ঘটনার রহস্য বের করতে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ডিবির এক ডিসিকে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালে বায়েজিদ থানার রৌফবাদ এলাকায় হত্যাচেষ্টার একটি মামলা, যার আসামি ৭ জন। পরের বছর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এই মামলার অন্যতম আসামি জয়নাল বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন দাবি করে তাকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। সম্প্রতি ওই মামলার আসামি জয়নাল আদালতে হাজিরা দিতে গেলে প্রকাশ পায় আসল ঘটনা।

মামলার আসামি মোহাম্মদ জয়নাল বলেন, ‘আমি বলে মৃত। আমি বললাম কখন মরলাম? উকিলকে কল করলাম, উনি বললো তোমার কোন সমস্যা হবে না। এতটুকুই জানতে পেরেছি। পরে আবার বাসায় এসে নোটিশ দিয়ে গেছে। ‘

জীবিত আসামিকে মৃত দেখিয়ে বাদ দেওয়ায় এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদি শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘আগামী মাসের ১৩ তারিখ ওসি সাহেব, দারোগা সাহেব, আসামি পক্ষের সবাই ও বাদি পক্ষের সবাই গিয়ে হাজিরা দেয়ার জন্য বলেছে আমাকে। ‘
২০১৯ সালে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় আমিন জুট মিল এলাকার জয়নাল। জয়নালের মা জোহরা বেগম বলেন, এটা মোবারকের পিএস শামসু করেছে। মোবারক আমার কাছ থেকে টাকা চেয়েছিলো। আমি টাকা দেইনি। আমি বলেছি কত টাকা লাগবে। সবার সামনে আমাকে বলেনি। আমি এর সুুষ্ঠু বিচার চাই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দীপংকর চন্দ্র রায় জানান, দুই আসামির নামে মিল থাকায় ভুলবশত এমন হয়েছে। মামলার আসামি জয়নাল আরেকজন, আর বন্দুকযুদ্ধে যে নিহত হয়েছে সে জয়নাল আলাদা। ভুলক্রমে তাই জয়নালকে আমরা চার্জশিট থেকে বাদ দিয়েছি।

এদিকে, সদ্য নিযুক্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর জানান, ব্যক্তির অপরাধের দায়ভার প্রতিষ্ঠান নিবে না। তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত পেশাদারভাবে বিষয়টা ডিল করবো। প্রত্যেককেই যার যার ভুল ত্রুটির দায় নিতে হবে। এর মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জীবিত আসামিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দেখিয়ে চার্জশিট থেকে বাদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আসামি নিহত, তাই অভিযোগপত্র থেকে নাম বাদ। কিন্তু আসামি জীবিত, আদালতে আসেন হাজিরা দিতে। চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটির তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। শুধু কি নামের মিল, না অন্য কোন কারণ, না মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতা।

ঘটনার রহস্য বের করতে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ডিবির এক ডিসিকে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালে বায়েজিদ থানার রৌফবাদ এলাকায় হত্যাচেষ্টার একটি মামলা, যার আসামি ৭ জন। পরের বছর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এই মামলার অন্যতম আসামি জয়নাল বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন দাবি করে তাকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। সম্প্রতি ওই মামলার আসামি জয়নাল আদালতে হাজিরা দিতে গেলে প্রকাশ পায় আসল ঘটনা।

মামলার আসামি মোহাম্মদ জয়নাল বলেন, ‘আমি বলে মৃত। আমি বললাম কখন মরলাম? উকিলকে কল করলাম, উনি বললো তোমার কোন সমস্যা হবে না। এতটুকুই জানতে পেরেছি। পরে আবার বাসায় এসে নোটিশ দিয়ে গেছে। ‘

জীবিত আসামিকে মৃত দেখিয়ে বাদ দেওয়ায় এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদি শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘আগামী মাসের ১৩ তারিখ ওসি সাহেব, দারোগা সাহেব, আসামি পক্ষের সবাই ও বাদি পক্ষের সবাই গিয়ে হাজিরা দেয়ার জন্য বলেছে আমাকে। ‘
২০১৯ সালে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় আমিন জুট মিল এলাকার জয়নাল। জয়নালের মা জোহরা বেগম বলেন, এটা মোবারকের পিএস শামসু করেছে। মোবারক আমার কাছ থেকে টাকা চেয়েছিলো। আমি টাকা দেইনি। আমি বলেছি কত টাকা লাগবে। সবার সামনে আমাকে বলেনি। আমি এর সুুষ্ঠু বিচার চাই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দীপংকর চন্দ্র রায় জানান, দুই আসামির নামে মিল থাকায় ভুলবশত এমন হয়েছে। মামলার আসামি জয়নাল আরেকজন, আর বন্দুকযুদ্ধে যে নিহত হয়েছে সে জয়নাল আলাদা। ভুলক্রমে তাই জয়নালকে আমরা চার্জশিট থেকে বাদ দিয়েছি।

এদিকে, সদ্য নিযুক্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর জানান, ব্যক্তির অপরাধের দায়ভার প্রতিষ্ঠান নিবে না। তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত পেশাদারভাবে বিষয়টা ডিল করবো। প্রত্যেককেই যার যার ভুল ত্রুটির দায় নিতে হবে। এর মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।