সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

স্ত্রীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে থানায় স্বামীর অভিযোগ দায়ের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০ ১৬২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: আহাম্মদ শরিফ নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীর অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া তাকে নানা সময় শারীরিক নির্যাতন করেন। স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া জোরপূর্বক তার কাছে জমি চায়। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রা সহযোগিতাও করেন।
শেষাবধি নির্যাতনের শিকার ওই কাপড় ব্যবসায়ী নিজেকে বাচাতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পাশাপাশি তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রাকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, আহাম্মদ শরিফ উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামের নাছের উদ্দিনের ছেলে। তিনি হাতীবান্ধা শহরে কাপড়ের ব্যবসা করেন। আহাম্মদ শরিফ তার স্ত্রী, পুত্র আহসান হাব্বি মোজাহিদ, মেয়ে আসমাউল হুসনা সোনিয়া, শ্যালক আ. ছালাম রোকন ও ভায়রা কোরবান আলীকে আসামিকে করে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

আহাম্মদ শরিফ তার অভিযোগপত্রে দাবি করেন। তাদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত ৫ মে আহাম্মদ শরিফকে আদালতের মাধ্যমে স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়াকে তালাক প্রদান করেন। কিন্তু তারপরও গত ১১ জুন তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, শালক ও ভায়রা তাকে নির্যাতন করেন।
আহাম্মদ শরিফ বলেন, ‘আমাকে শুধু আমার স্ত্রী নয়, আমার ছেলেও কয়েকবার নির্যাতন করেছে। এলাকায় গেলে শত শত মানুষ সাক্ষী দেবে।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া বলেন, ‘আমার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি চেয়েছিলেন। অনুমতি না দেওয়ায় তিনি আমাকে নির্যাতন করেন।’

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ‘ইতিমধ্যে সহকারী পুলিশ সুপারসহ আমি সরেজমিন তদন্ত করেছি। পুরো বিষয়টি আরও অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে থানায় স্বামীর অভিযোগ দায়ের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: আহাম্মদ শরিফ নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীর অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া তাকে নানা সময় শারীরিক নির্যাতন করেন। স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া জোরপূর্বক তার কাছে জমি চায়। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রা সহযোগিতাও করেন।
শেষাবধি নির্যাতনের শিকার ওই কাপড় ব্যবসায়ী নিজেকে বাচাতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পাশাপাশি তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রাকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, আহাম্মদ শরিফ উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামের নাছের উদ্দিনের ছেলে। তিনি হাতীবান্ধা শহরে কাপড়ের ব্যবসা করেন। আহাম্মদ শরিফ তার স্ত্রী, পুত্র আহসান হাব্বি মোজাহিদ, মেয়ে আসমাউল হুসনা সোনিয়া, শ্যালক আ. ছালাম রোকন ও ভায়রা কোরবান আলীকে আসামিকে করে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

আহাম্মদ শরিফ তার অভিযোগপত্রে দাবি করেন। তাদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত ৫ মে আহাম্মদ শরিফকে আদালতের মাধ্যমে স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়াকে তালাক প্রদান করেন। কিন্তু তারপরও গত ১১ জুন তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, শালক ও ভায়রা তাকে নির্যাতন করেন।
আহাম্মদ শরিফ বলেন, ‘আমাকে শুধু আমার স্ত্রী নয়, আমার ছেলেও কয়েকবার নির্যাতন করেছে। এলাকায় গেলে শত শত মানুষ সাক্ষী দেবে।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া বলেন, ‘আমার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি চেয়েছিলেন। অনুমতি না দেওয়ায় তিনি আমাকে নির্যাতন করেন।’

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ‘ইতিমধ্যে সহকারী পুলিশ সুপারসহ আমি সরেজমিন তদন্ত করেছি। পুরো বিষয়টি আরও অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’