সংবাদ শিরোনাম ::
ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”

স্ত্রীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে থানায় স্বামীর অভিযোগ দায়ের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: আহাম্মদ শরিফ নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীর অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া তাকে নানা সময় শারীরিক নির্যাতন করেন। স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া জোরপূর্বক তার কাছে জমি চায়। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রা সহযোগিতাও করেন।
শেষাবধি নির্যাতনের শিকার ওই কাপড় ব্যবসায়ী নিজেকে বাচাতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পাশাপাশি তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রাকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, আহাম্মদ শরিফ উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামের নাছের উদ্দিনের ছেলে। তিনি হাতীবান্ধা শহরে কাপড়ের ব্যবসা করেন। আহাম্মদ শরিফ তার স্ত্রী, পুত্র আহসান হাব্বি মোজাহিদ, মেয়ে আসমাউল হুসনা সোনিয়া, শ্যালক আ. ছালাম রোকন ও ভায়রা কোরবান আলীকে আসামিকে করে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

আহাম্মদ শরিফ তার অভিযোগপত্রে দাবি করেন। তাদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত ৫ মে আহাম্মদ শরিফকে আদালতের মাধ্যমে স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়াকে তালাক প্রদান করেন। কিন্তু তারপরও গত ১১ জুন তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, শালক ও ভায়রা তাকে নির্যাতন করেন।
আহাম্মদ শরিফ বলেন, ‘আমাকে শুধু আমার স্ত্রী নয়, আমার ছেলেও কয়েকবার নির্যাতন করেছে। এলাকায় গেলে শত শত মানুষ সাক্ষী দেবে।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া বলেন, ‘আমার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি চেয়েছিলেন। অনুমতি না দেওয়ায় তিনি আমাকে নির্যাতন করেন।’

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ‘ইতিমধ্যে সহকারী পুলিশ সুপারসহ আমি সরেজমিন তদন্ত করেছি। পুরো বিষয়টি আরও অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে থানায় স্বামীর অভিযোগ দায়ের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: আহাম্মদ শরিফ নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীর অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া তাকে নানা সময় শারীরিক নির্যাতন করেন। স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া জোরপূর্বক তার কাছে জমি চায়। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রা সহযোগিতাও করেন।
শেষাবধি নির্যাতনের শিকার ওই কাপড় ব্যবসায়ী নিজেকে বাচাতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পাশাপাশি তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রাকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, আহাম্মদ শরিফ উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামের নাছের উদ্দিনের ছেলে। তিনি হাতীবান্ধা শহরে কাপড়ের ব্যবসা করেন। আহাম্মদ শরিফ তার স্ত্রী, পুত্র আহসান হাব্বি মোজাহিদ, মেয়ে আসমাউল হুসনা সোনিয়া, শ্যালক আ. ছালাম রোকন ও ভায়রা কোরবান আলীকে আসামিকে করে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

আহাম্মদ শরিফ তার অভিযোগপত্রে দাবি করেন। তাদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত ৫ মে আহাম্মদ শরিফকে আদালতের মাধ্যমে স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়াকে তালাক প্রদান করেন। কিন্তু তারপরও গত ১১ জুন তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, শালক ও ভায়রা তাকে নির্যাতন করেন।
আহাম্মদ শরিফ বলেন, ‘আমাকে শুধু আমার স্ত্রী নয়, আমার ছেলেও কয়েকবার নির্যাতন করেছে। এলাকায় গেলে শত শত মানুষ সাক্ষী দেবে।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া বলেন, ‘আমার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি চেয়েছিলেন। অনুমতি না দেওয়ায় তিনি আমাকে নির্যাতন করেন।’

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ‘ইতিমধ্যে সহকারী পুলিশ সুপারসহ আমি সরেজমিন তদন্ত করেছি। পুরো বিষয়টি আরও অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’