সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ২ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০ ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাস মহামারীর জেরে গত দুই মাসে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ঋণের প্রায় ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকার সুদের মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেবে সরকার।
রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ও পরিসংখ্যান প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ফলে আনুমানিক ১ কোটি ৩৮ লাখ ঋণগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হবেন। কোভিড-১৯ এর কারণে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ ছিল। সেই কারণেই তাদেরকে এই সুযোগটা আমরা দিচ্ছি, যাতে তারা তাদের ব্যবসা বাণিজ্য বা কার্যক্রমগুলো সব চালাতে পারেন।

শেখ হাসিনা বলেন, দুই মাসে স্থগিত সুদের পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্য থেকে ২ হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি হিসেবে দেবে, যার ফলে ঋণগ্রহীতাদের আনুপাতিক হারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সুদ আর পরিশোধ করতে হবে না। তাদেরকে এইটুকু আমরা মুক্ত করে দিচ্ছি।

করোনাভাইরাস মহামারীর অর্থনৈতিক প্রতিঘাত মোকাবিলায় এটা সরকারের ১৯তম প্রণোদনা প্যাকেজ। এর মধ্য দিয়ে প্রণোদনা তহবিলের মোট আকার একলাখ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা বা প্রায় ১২ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হলো, যা দেশের জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুদের অবশিষ্ট অর্থ ব্যবসায়ীরা যাতে ১২ মাসের কিস্তিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পরিশোধ করতে পারেন, সরকার সেই উদ্যোগ নেবে। অর্থাৎ যেটা প্রতি মাসে দিতে হতো সেটা এই দুই মাসে যেহেতু দিতে পারেনি এটাকে আমরা ১২ মাসের একটা সময় দিয়ে দিচ্ছি। এই ১২ মাসে ধীরে ধীরে তারা বাকিটা শোধ করতে পারবে।

সর্বস্তরের মানুষের জন্যই বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছেন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি না পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ এভাবে দিয়েছে কিনা। কিন্তু আমরা সেভাবে এই সুযোগটা দিচ্ছি। আমাদের জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশই আমরা প্রণোদনা দিচ্ছি। এত প্রণোদনা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ দিয়েছে কিনা জানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ২ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৫১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাস মহামারীর জেরে গত দুই মাসে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ঋণের প্রায় ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকার সুদের মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেবে সরকার।
রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ও পরিসংখ্যান প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ফলে আনুমানিক ১ কোটি ৩৮ লাখ ঋণগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হবেন। কোভিড-১৯ এর কারণে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ ছিল। সেই কারণেই তাদেরকে এই সুযোগটা আমরা দিচ্ছি, যাতে তারা তাদের ব্যবসা বাণিজ্য বা কার্যক্রমগুলো সব চালাতে পারেন।

শেখ হাসিনা বলেন, দুই মাসে স্থগিত সুদের পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্য থেকে ২ হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি হিসেবে দেবে, যার ফলে ঋণগ্রহীতাদের আনুপাতিক হারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সুদ আর পরিশোধ করতে হবে না। তাদেরকে এইটুকু আমরা মুক্ত করে দিচ্ছি।

করোনাভাইরাস মহামারীর অর্থনৈতিক প্রতিঘাত মোকাবিলায় এটা সরকারের ১৯তম প্রণোদনা প্যাকেজ। এর মধ্য দিয়ে প্রণোদনা তহবিলের মোট আকার একলাখ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা বা প্রায় ১২ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হলো, যা দেশের জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুদের অবশিষ্ট অর্থ ব্যবসায়ীরা যাতে ১২ মাসের কিস্তিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পরিশোধ করতে পারেন, সরকার সেই উদ্যোগ নেবে। অর্থাৎ যেটা প্রতি মাসে দিতে হতো সেটা এই দুই মাসে যেহেতু দিতে পারেনি এটাকে আমরা ১২ মাসের একটা সময় দিয়ে দিচ্ছি। এই ১২ মাসে ধীরে ধীরে তারা বাকিটা শোধ করতে পারবে।

সর্বস্তরের মানুষের জন্যই বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছেন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি না পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ এভাবে দিয়েছে কিনা। কিন্তু আমরা সেভাবে এই সুযোগটা দিচ্ছি। আমাদের জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশই আমরা প্রণোদনা দিচ্ছি। এত প্রণোদনা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ দিয়েছে কিনা জানি না।