সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

আবারও সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ায় লকডাউন শিথিল বা কড়াকড়ি তুলে নেয়া হচ্ছে; এমন দেশগুলোতে আবারও সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার সংস্থাটির হেলথ ইমারজেন্সিজ প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। লকডাউন শিথিল হওয়ায় ইউরোপের অনেক দেশেই মানুষ বের হতে শুরু করেছে
সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও-এর বিশেষজ্ঞ ড. মাইক রায়ান বলেন, এই মুহূর্তে আমরা বিশ্বজুড়ে প্রথম প্রাদুর্ভাবের মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছি।

বিশ্বে সামগ্রিকভাবে করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমতে শুরু করলেও এখনও বেশ কয়েকটি দেশে আক্রান্তের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল পর্যন্ত এই ভাইরা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ। আর মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষের।

সোমবার ড. মাইক রায়ান বলেন, আমরা এখনও এমন পর্যায়ে রয়েছি যেখান থেকে রোগটি আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, আমাদের এই সত্যও স্বীকার করতে হবে যে, যে কোনও মুহূর্তে সংক্রমণ বিস্তৃত হতে পারে। রোগটি খানিক কমতে শুরু করেছে ঠিকই, তবে সেখান থেকে আমরা এখনই কোনও অনুমান দাঁড় করাতে পারি না। আর যেভাবে এটি কমছে তাতে কয়েক মাসের মধ্যে আমাদের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রাদুর্ভাবের প্রস্তুতি নিতে হবে- আর এভাবেই হয়তো দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাবের চূড়ান্ত পর্যায়ের পৌঁছাতে হবে।

ড. রায়ান সতর্ক করেছেন, দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব বা এর চূড়ান্ত পর্যায় স্বাভাবিক ইনফ্লুয়েঞ্জা মৌসুমের মধ্যে আসতে পারে। আর তা হলে রোগটি নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

ডব্লিউএইচও’র সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভান কেরখোভ বলেন, সব দেশেরই এই মুহূর্তে অতি মাত্রায় সতর্ক থাকার প্রয়োজন। সবারই দ্রুত আক্রান্ত শনাক্ত করার প্রস্তুতি থাকার দরকার, এমনকি যেসব দেশ রোগটি নিয়ন্ত্রণে সফলতা দেখিয়েছে তাদেরও সতর্ক থাকতে হবে… । তিনি বলেন, সুযোগ পেলেই ভাইরাসটি আবারও প্রাদুর্ভাব বাড়াতে শুরু করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আবারও সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১২:৩৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ায় লকডাউন শিথিল বা কড়াকড়ি তুলে নেয়া হচ্ছে; এমন দেশগুলোতে আবারও সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার সংস্থাটির হেলথ ইমারজেন্সিজ প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। লকডাউন শিথিল হওয়ায় ইউরোপের অনেক দেশেই মানুষ বের হতে শুরু করেছে
সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও-এর বিশেষজ্ঞ ড. মাইক রায়ান বলেন, এই মুহূর্তে আমরা বিশ্বজুড়ে প্রথম প্রাদুর্ভাবের মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছি।

বিশ্বে সামগ্রিকভাবে করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমতে শুরু করলেও এখনও বেশ কয়েকটি দেশে আক্রান্তের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল পর্যন্ত এই ভাইরা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ। আর মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষের।

সোমবার ড. মাইক রায়ান বলেন, আমরা এখনও এমন পর্যায়ে রয়েছি যেখান থেকে রোগটি আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, আমাদের এই সত্যও স্বীকার করতে হবে যে, যে কোনও মুহূর্তে সংক্রমণ বিস্তৃত হতে পারে। রোগটি খানিক কমতে শুরু করেছে ঠিকই, তবে সেখান থেকে আমরা এখনই কোনও অনুমান দাঁড় করাতে পারি না। আর যেভাবে এটি কমছে তাতে কয়েক মাসের মধ্যে আমাদের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রাদুর্ভাবের প্রস্তুতি নিতে হবে- আর এভাবেই হয়তো দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাবের চূড়ান্ত পর্যায়ের পৌঁছাতে হবে।

ড. রায়ান সতর্ক করেছেন, দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব বা এর চূড়ান্ত পর্যায় স্বাভাবিক ইনফ্লুয়েঞ্জা মৌসুমের মধ্যে আসতে পারে। আর তা হলে রোগটি নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

ডব্লিউএইচও’র সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভান কেরখোভ বলেন, সব দেশেরই এই মুহূর্তে অতি মাত্রায় সতর্ক থাকার প্রয়োজন। সবারই দ্রুত আক্রান্ত শনাক্ত করার প্রস্তুতি থাকার দরকার, এমনকি যেসব দেশ রোগটি নিয়ন্ত্রণে সফলতা দেখিয়েছে তাদেরও সতর্ক থাকতে হবে… । তিনি বলেন, সুযোগ পেলেই ভাইরাসটি আবারও প্রাদুর্ভাব বাড়াতে শুরু করবে।