সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

পুলিশ হতে পারে মানুষের প্রকৃত বন্ধু! প্রমান দিলেন দুর্দান্ত সাহসী ও সৎ পুলিশ অফিসার সাইফুল।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০ ৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জীবননগর থানা থেকে ফিরে:- মোঃ আবুল বাশার মোঃ আমিনুল ইসলাম::-

কোনো থানায় বা জেলায় চারিদিকে যখন অপরাধ দিনদিন বাড়তেই থাকে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়। খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই রাহাজানি, চাঁদাবাজি প্রকাশ্য দিবালোকে শুরু হয়। কোনো মতেই প্রশাসন যখন তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ঠিক তখনই জীবননগর থানায় সাহসী পুলিশ অফিসার সাইফুল ইসলাম বা জেলায় দুর্দান্ত ও সৎ পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়। আর ওই পুলিশ অফিসার তার সৎ সাহসকে পুঁজি করে জনগণের শান্তির জন্য দিনরাত এক করে সকল অন্যায়কে বিতাড়িত করে সন্ত্রাস, মাদক দমনে সফল হয়। বলছিলাম চলচ্চিত্রের কাহিনীর কথা যেমনটা আমরা প্রায়ই সিনেমায় দেখে থাকি পুলিশের ভূমিকায় নায়কের অভিনয়। একজন সৎ ও সাহসী পুলিশ হিসেবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে শত বাধা অতিক্রম করে সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এমনটা শুধুমাত্র সিনেমাতেই দেখে থাকি। বাস্তবে পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে।

পুলিশের নাম শুনতেই জণসাধারণের মনে ভালো মন্দের এক বিরাট দেওয়াল তৈরী হয়। অনেকেই নাক ছিটকানো শুরু করে। সারাজীবন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি দেখে আমাদের অনেকের জ্ঞান হয়তো প্রচ- ঝাঁকুনি খায়। কিন্তু পুলিশবাহিনীতেও রয়েছে কিছু অফিসার যারা নিজেদের জীবন সাধারণ মানুষের সেবাই উৎসর্গ করে দিয়েছে। তারা রীতিমত জনসেবায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। আইনের সহযোগিতা সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌছিয়ে দিতে যাদের অসামান্য অবদান রয়েছে য়েমন জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম এর।

যারা পুলিশে যোগদান করেছেন শুধু মাত্র সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য। লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে ন্যায়ের পথে জীবন বাজি রাখা এমনই একজন পুলিশ কর্মকর্তার নাম মোঃ সাইফুল ইসলাম। জীবননগর থানায় একটি, মাদক, ডাকাত অধ্যুষিত এলাকা। প্রায় রাতেই ডাকাতি, ছিনতাই রাহাজানি ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। তিনি যোগদানের পর অপরাধমূলক মাদক, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নেই বললেই চলে। গত কয়দিন আগে প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস ও টিপ টিপ বৃষ্টিতে সারারাত ভিজে মাদক দলকে ধরতে সক্ষম হয়েছে। ঠিক চলচ্চিত্রের কাহিনীর মতো। জীবননগর বেখে যাওয়া যুব সমাজকে সম্পূর্ণভাবে বুঝাতে সফল হয়েছেন যে মাদক একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করতে যথেষ্ট। জীবননগর প্রতিটি মানুষের কাছে মোঃ সাইফুল ইসলাম একটি ন্যায়পরায়ন আদর্শবান পুলিশের নাম। এই পুলিশ কর্মকর্তা শুধুমাত্র মানুষের সেবা করতে পারলেই মহাখুশি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করাই তার স্বপ্ন।
প্রকৃতপক্ষে একজন পুলিশ কর্মকর্তাই পারে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে।

যতই পুলিশকে গালমন্দ করি সামান্য বিপদে পড়লেই কিন্তু এই পুলিশের শরাণাপন্ন হতে হয়। পুলিশ নিজে সারা রাত জেগে অন্যের ঘুমের সু-ব্যবস্থা করে। খুব সম্ভবত এটিই পৃথিবীর একমাত্র প্রফেশন যেটিতে ২৪ ঘন্টা দায়িত্বে ব্যস্ত থাকতে হয়। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কাজেই রাষ্ট্রযন্ত্রকেও এই বাহিনীর যথাযোগ্য মর্যদার কথা বিবেচনায় রাখতে হবে। বিশেষ করে যারা সততা ও ন্যায়ের সাথে নিজেদের কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে আমরাও চাই দেশের প্রতিটি পুলিশ সৎ, সাহসী ও ন্যায়নিষ্ঠাবান হোক। মানুষের সেবাই হোক পুলিশের প্রথম ও প্রধান এবং একমাত্র আদর্শ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশ হতে পারে মানুষের প্রকৃত বন্ধু! প্রমান দিলেন দুর্দান্ত সাহসী ও সৎ পুলিশ অফিসার সাইফুল।

আপডেট সময় : ০৫:১৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০

জীবননগর থানা থেকে ফিরে:- মোঃ আবুল বাশার মোঃ আমিনুল ইসলাম::-

কোনো থানায় বা জেলায় চারিদিকে যখন অপরাধ দিনদিন বাড়তেই থাকে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়। খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই রাহাজানি, চাঁদাবাজি প্রকাশ্য দিবালোকে শুরু হয়। কোনো মতেই প্রশাসন যখন তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ঠিক তখনই জীবননগর থানায় সাহসী পুলিশ অফিসার সাইফুল ইসলাম বা জেলায় দুর্দান্ত ও সৎ পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়। আর ওই পুলিশ অফিসার তার সৎ সাহসকে পুঁজি করে জনগণের শান্তির জন্য দিনরাত এক করে সকল অন্যায়কে বিতাড়িত করে সন্ত্রাস, মাদক দমনে সফল হয়। বলছিলাম চলচ্চিত্রের কাহিনীর কথা যেমনটা আমরা প্রায়ই সিনেমায় দেখে থাকি পুলিশের ভূমিকায় নায়কের অভিনয়। একজন সৎ ও সাহসী পুলিশ হিসেবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে শত বাধা অতিক্রম করে সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এমনটা শুধুমাত্র সিনেমাতেই দেখে থাকি। বাস্তবে পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে।

পুলিশের নাম শুনতেই জণসাধারণের মনে ভালো মন্দের এক বিরাট দেওয়াল তৈরী হয়। অনেকেই নাক ছিটকানো শুরু করে। সারাজীবন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি দেখে আমাদের অনেকের জ্ঞান হয়তো প্রচ- ঝাঁকুনি খায়। কিন্তু পুলিশবাহিনীতেও রয়েছে কিছু অফিসার যারা নিজেদের জীবন সাধারণ মানুষের সেবাই উৎসর্গ করে দিয়েছে। তারা রীতিমত জনসেবায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। আইনের সহযোগিতা সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌছিয়ে দিতে যাদের অসামান্য অবদান রয়েছে য়েমন জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম এর।

যারা পুলিশে যোগদান করেছেন শুধু মাত্র সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য। লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে ন্যায়ের পথে জীবন বাজি রাখা এমনই একজন পুলিশ কর্মকর্তার নাম মোঃ সাইফুল ইসলাম। জীবননগর থানায় একটি, মাদক, ডাকাত অধ্যুষিত এলাকা। প্রায় রাতেই ডাকাতি, ছিনতাই রাহাজানি ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। তিনি যোগদানের পর অপরাধমূলক মাদক, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নেই বললেই চলে। গত কয়দিন আগে প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস ও টিপ টিপ বৃষ্টিতে সারারাত ভিজে মাদক দলকে ধরতে সক্ষম হয়েছে। ঠিক চলচ্চিত্রের কাহিনীর মতো। জীবননগর বেখে যাওয়া যুব সমাজকে সম্পূর্ণভাবে বুঝাতে সফল হয়েছেন যে মাদক একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করতে যথেষ্ট। জীবননগর প্রতিটি মানুষের কাছে মোঃ সাইফুল ইসলাম একটি ন্যায়পরায়ন আদর্শবান পুলিশের নাম। এই পুলিশ কর্মকর্তা শুধুমাত্র মানুষের সেবা করতে পারলেই মহাখুশি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করাই তার স্বপ্ন।
প্রকৃতপক্ষে একজন পুলিশ কর্মকর্তাই পারে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে।

যতই পুলিশকে গালমন্দ করি সামান্য বিপদে পড়লেই কিন্তু এই পুলিশের শরাণাপন্ন হতে হয়। পুলিশ নিজে সারা রাত জেগে অন্যের ঘুমের সু-ব্যবস্থা করে। খুব সম্ভবত এটিই পৃথিবীর একমাত্র প্রফেশন যেটিতে ২৪ ঘন্টা দায়িত্বে ব্যস্ত থাকতে হয়। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কাজেই রাষ্ট্রযন্ত্রকেও এই বাহিনীর যথাযোগ্য মর্যদার কথা বিবেচনায় রাখতে হবে। বিশেষ করে যারা সততা ও ন্যায়ের সাথে নিজেদের কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে আমরাও চাই দেশের প্রতিটি পুলিশ সৎ, সাহসী ও ন্যায়নিষ্ঠাবান হোক। মানুষের সেবাই হোক পুলিশের প্রথম ও প্রধান এবং একমাত্র আদর্শ।