সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

আর্থিক প্রণাদনা অভাব বসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকরা মানবতর জীবন যাপন করছ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খোলা চিঠি
দেশরত্ম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী¿ী
গণপ্রজাতন্ত্রী¿ী বাংলাদশ সরকার
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, তজগাঁও, ঢাকা।

বিষয়ঃ আর্থিক প্রণাদনা অভাব বসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকরা মানবতর জীবন যাপন করছ।

দেশে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে সেই সাথে মত্যুর মিছিল। সরকারর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আর্থিক প্রণাদনার ব্যবস্ত না হওয়ায় মানবতার জীবন কাটাত হচ্ছে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকদের। এমত অবস্থায় তাদের কোন কর্ম না থাকায় জীবন জীবিকা নির্বাহ হুমকির মুখে পড়ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর¿ীীী কার্যালয় খোলা চিঠির মাধ্যম আবেদন করা হয়ছে। এই বিষয় বিভিন্ন গণ মাধ্যম আসলেও আর্থিক প্রণাদনার ব্যবস্থা না হওয়ায় দুশ্চিন্তা মধ্যে পরছে তারা। করোনা ও রমজানর কারণে সকল শিক্ষক ঘরে থাকায় খাদ্য অভাব ও অর্থনতিক সমস্যার মধ্যে পরছে। রমজানের মধ্যে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে অনক কষ্টে দিন যাপন করছেন। বেতন ভাতা না থাকায় জীবন যাপনের জন্য অনেক শিক্ষক বিকাল ৪.০০ ঘটিকার পর থেকে খন্ডকালীন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। করোনার কারনে তাও বন্ধ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী¿ী করোনার কারণে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আপনার এমন বক্তব্যকে আমরা স্বাগত জানাই। কারণ আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। কি এই ভবিষ্যত কারিগর বসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকরা আজ আর্থিক সমস্যার কারণে মানবতার জীবন যাপন করছে। তারা না পাচ্ছে বেতন ভাতা, না পাচ্ছে প্রণাদনা, না পাচ্ছে রেশম। সব কিছু থেকে আজ বঞ্চিত। তাদের ঘর আজ খাবার নেই ঔষধ নেই, কাথাও না পাচ্ছে তারা হাত পাততে তাই তাদের আজ কষ্টর শেষ নেই। বর্তমানে সারা বিশ্ব কাভিড-১৯ যে ভাবে ডানা বঁধছে বাংলাদশও তার বাহিরে নয়। আপনার সাহসিকতা পদক্ষেপ সকল মহল আজ প্রশংসিত। তাই এই অসহায় শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানার জন্য প্রয়াজনীয় ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করে আর্থিক প্রণাদনাসহ পরবর্তী জাতীয়করণর জন্য আপনার হস্তক্ষপ কামনা করছি।

হ জননত্রী প্রধানমন্ত্রী¿ী,
আমাদের শুভেচ্ছা ও অভিনদন গ্রহণ করিবেন। আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, ০১/০৭/১৯৭৩ সন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধ বিধস্ত জাতিকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্য দেশক অভিশাপ থেকে মুক্ত করার জন্য তাঁহার এক ঘোষণায় প্রথমত- ৩২০০০ (বত্রিশ হাজার) এবং পরবর্তী বঞ্চিত আরও ৪১৬০টি মাট ৩৬১৬০টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ ও কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী সরকারিকরণ করেন। জাতি গঠনের নিপুন কারিগর, প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকদের অভিভাবক হয়ে হৃদয় চির স্মরনীয় হয় আছেন।

হ মহান নত্রী,
প্রায় ৪০ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর বাংলাদশর মহান ¯পতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানর সুযাগ্য উত্তরসূরী হিসব প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করার লক্ষ্য ৯ জানুয়ারী ২০১৩ তারিখ ২৬,১৯৩ টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণর ঘাষণা দিয়ে জাতির পিতার মতো আরও একটি ইতিহাস রচনা করছন। কি অত্যা পরিতাপর বিষয় যে, জাতীয়করণ কালীন ২৬,১৯৩ টি বসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র পরিসংখ্যান করা হয়ছিল, তাহার সংখ্যা যথাযথ না হওয়ায় ৪১৫৯ টি বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকগণ জাতীয়করণ হত বঞ্চিত হয়। ২০১২ সালর সমাপনীসহ এই বিদ্যালয়গুলার মধ্য থেকে প্রায় ১৩০০ বিদ্যালয় জাতীয়করণর জন্য যাচাই বাছাই করা হয়ছে। যা মন্ত্রণালয় সংরক্ষিত আছ।

হ দশরত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী¿ী
২০১৮ সাল ১৮ দিন আন্দোলনের পর আপনার কার্যালয় হইত ২০ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ তালিখ বহির্ভূত প্রাথমিক বিদ্যালগুলা জাতীয়করণর হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়। তৎকালীন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী¿ী মহাদয় সঠিক তথ্য না দওয়ায় আবারও বিদ্যালয়গুলা জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়ে যায়। ২০১৯ সাল আবারও আপনার সুদষ্টি কামনার জন্য জাতীয় প্রস ক্লাবের সামন অনশনর মত কর্মসূচী পালন করি। এসময় একজন শিক্ষক ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত হয়ে মত্যুবরণ করে। ২০২০ সাল আপনার দপ্তরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলা জাতীয়করণর জন্য স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। হঠাৎ করোনার কারণে সবকিছু ¯বিলম্ব হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষকরা মহা বিপদ পড়ন।

মহান আল্লাহ আপনার হাতকে আগামী দিন আরও শক্তিশালী, ও দীর্ঘায়ু করুন। এই কামনায় বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সকল শিক্ষক/শিক্ষিকার বদর পক্ষ-

মাঃ ফিরাজ উদ্দিন
সাংগঠনিক সম্পাদক
বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কদ্রীয় কমিটি, ঢাকা।
মাবাঃ ০১৭২৯১৫৩৯৭৮
আ.স.ম. জাফর ইকবাল
মহাসচিব
বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কদ্রীয় কমিটি, ঢাকা।
মাবা ০১৭১৫০৪৭১২০
মাঃ মামুনুর রশিদ খোকন
সভাপতি
বাংলাদশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কদ্রীয় কমিটি, ঢাকা।
মাবাঃ ০১৭৩৮০৩১৯১৩

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আর্থিক প্রণাদনা অভাব বসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকরা মানবতর জীবন যাপন করছ।

আপডেট সময় : ০৮:৫২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

খোলা চিঠি
দেশরত্ম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী¿ী
গণপ্রজাতন্ত্রী¿ী বাংলাদশ সরকার
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, তজগাঁও, ঢাকা।

বিষয়ঃ আর্থিক প্রণাদনা অভাব বসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকরা মানবতর জীবন যাপন করছ।

দেশে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে সেই সাথে মত্যুর মিছিল। সরকারর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আর্থিক প্রণাদনার ব্যবস্ত না হওয়ায় মানবতার জীবন কাটাত হচ্ছে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকদের। এমত অবস্থায় তাদের কোন কর্ম না থাকায় জীবন জীবিকা নির্বাহ হুমকির মুখে পড়ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর¿ীীী কার্যালয় খোলা চিঠির মাধ্যম আবেদন করা হয়ছে। এই বিষয় বিভিন্ন গণ মাধ্যম আসলেও আর্থিক প্রণাদনার ব্যবস্থা না হওয়ায় দুশ্চিন্তা মধ্যে পরছে তারা। করোনা ও রমজানর কারণে সকল শিক্ষক ঘরে থাকায় খাদ্য অভাব ও অর্থনতিক সমস্যার মধ্যে পরছে। রমজানের মধ্যে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে অনক কষ্টে দিন যাপন করছেন। বেতন ভাতা না থাকায় জীবন যাপনের জন্য অনেক শিক্ষক বিকাল ৪.০০ ঘটিকার পর থেকে খন্ডকালীন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। করোনার কারনে তাও বন্ধ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী¿ী করোনার কারণে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আপনার এমন বক্তব্যকে আমরা স্বাগত জানাই। কারণ আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। কি এই ভবিষ্যত কারিগর বসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকরা আজ আর্থিক সমস্যার কারণে মানবতার জীবন যাপন করছে। তারা না পাচ্ছে বেতন ভাতা, না পাচ্ছে প্রণাদনা, না পাচ্ছে রেশম। সব কিছু থেকে আজ বঞ্চিত। তাদের ঘর আজ খাবার নেই ঔষধ নেই, কাথাও না পাচ্ছে তারা হাত পাততে তাই তাদের আজ কষ্টর শেষ নেই। বর্তমানে সারা বিশ্ব কাভিড-১৯ যে ভাবে ডানা বঁধছে বাংলাদশও তার বাহিরে নয়। আপনার সাহসিকতা পদক্ষেপ সকল মহল আজ প্রশংসিত। তাই এই অসহায় শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানার জন্য প্রয়াজনীয় ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করে আর্থিক প্রণাদনাসহ পরবর্তী জাতীয়করণর জন্য আপনার হস্তক্ষপ কামনা করছি।

হ জননত্রী প্রধানমন্ত্রী¿ী,
আমাদের শুভেচ্ছা ও অভিনদন গ্রহণ করিবেন। আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, ০১/০৭/১৯৭৩ সন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধ বিধস্ত জাতিকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্য দেশক অভিশাপ থেকে মুক্ত করার জন্য তাঁহার এক ঘোষণায় প্রথমত- ৩২০০০ (বত্রিশ হাজার) এবং পরবর্তী বঞ্চিত আরও ৪১৬০টি মাট ৩৬১৬০টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ ও কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী সরকারিকরণ করেন। জাতি গঠনের নিপুন কারিগর, প্রাথমিক বিদ্যালয়র শিক্ষকদের অভিভাবক হয়ে হৃদয় চির স্মরনীয় হয় আছেন।

হ মহান নত্রী,
প্রায় ৪০ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর বাংলাদশর মহান ¯পতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানর সুযাগ্য উত্তরসূরী হিসব প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করার লক্ষ্য ৯ জানুয়ারী ২০১৩ তারিখ ২৬,১৯৩ টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণর ঘাষণা দিয়ে জাতির পিতার মতো আরও একটি ইতিহাস রচনা করছন। কি অত্যা পরিতাপর বিষয় যে, জাতীয়করণ কালীন ২৬,১৯৩ টি বসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র পরিসংখ্যান করা হয়ছিল, তাহার সংখ্যা যথাযথ না হওয়ায় ৪১৫৯ টি বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকগণ জাতীয়করণ হত বঞ্চিত হয়। ২০১২ সালর সমাপনীসহ এই বিদ্যালয়গুলার মধ্য থেকে প্রায় ১৩০০ বিদ্যালয় জাতীয়করণর জন্য যাচাই বাছাই করা হয়ছে। যা মন্ত্রণালয় সংরক্ষিত আছ।

হ দশরত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী¿ী
২০১৮ সাল ১৮ দিন আন্দোলনের পর আপনার কার্যালয় হইত ২০ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ তালিখ বহির্ভূত প্রাথমিক বিদ্যালগুলা জাতীয়করণর হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়। তৎকালীন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী¿ী মহাদয় সঠিক তথ্য না দওয়ায় আবারও বিদ্যালয়গুলা জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়ে যায়। ২০১৯ সাল আবারও আপনার সুদষ্টি কামনার জন্য জাতীয় প্রস ক্লাবের সামন অনশনর মত কর্মসূচী পালন করি। এসময় একজন শিক্ষক ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত হয়ে মত্যুবরণ করে। ২০২০ সাল আপনার দপ্তরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলা জাতীয়করণর জন্য স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। হঠাৎ করোনার কারণে সবকিছু ¯বিলম্ব হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষকরা মহা বিপদ পড়ন।

মহান আল্লাহ আপনার হাতকে আগামী দিন আরও শক্তিশালী, ও দীর্ঘায়ু করুন। এই কামনায় বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সকল শিক্ষক/শিক্ষিকার বদর পক্ষ-

মাঃ ফিরাজ উদ্দিন
সাংগঠনিক সম্পাদক
বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কদ্রীয় কমিটি, ঢাকা।
মাবাঃ ০১৭২৯১৫৩৯৭৮
আ.স.ম. জাফর ইকবাল
মহাসচিব
বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কদ্রীয় কমিটি, ঢাকা।
মাবা ০১৭১৫০৪৭১২০
মাঃ মামুনুর রশিদ খোকন
সভাপতি
বাংলাদশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কদ্রীয় কমিটি, ঢাকা।
মাবাঃ ০১৭৩৮০৩১৯১৩