সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

ধর্ষণ মামলার১৯ দিনেও গ্রেফতার নেই ইউপি সদস্য মেডিকেল রির্পোট না আসলে গ্রেফতার করা যাবে না: পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০ ২৫৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জলিলুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার
বরগুনার তালতলীতে ত্রাণ দেওয়ার নামে ধর্ষক ইউপি সদস্য আনোয়ার খান কে মামলার ১৯ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে মামলার বাদীকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন বাদী। ধর্ষণের মেডিকেল রির্পোট না আসা পর্যন্ত আসামীকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানান ওসি কামরুজ্জামান মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়ের পূর্ব বাদুরগাছা এলাকার করোনা ভাইরাসের কারনে দিনমজুর সোবাহান কোনো কাজকর্ম না করতে পেরে বেকার হয়ে পড়ে তার পরিবারটি। এর জন্য তার পরিবার খাদ্য সংঙ্কটে পড়ি। পরে বিষয়েটি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে গত ৫ এপ্রিল সোমবার জানালে তিনি তাদের নাম সরকারী সহায়তার তালিকাভুক্ত করার জন্য ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীগের সভাপতি আনোয়ার খানের বাড়িতে যেতে বলেন । ৬ এপ্রিল মঙ্গালবার বিকেল ৫টার দিকে ঐ ইউপি সদস্যর বাড়িতে গেলে এই সুযোগে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় আমার স্বামী ইস্রাফিল ইউপি সদস্যর বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি দেখে ফেলে। ইস্রাফিল এর প্রতিবাদ করলে আসামীরা আমার স্বামীকে তাদের নিয়ে মারধর করার পরে তাকে আটক করে রাখেন। এর পরে আমি উপায় না পেয়ে গত ৯ এপ্রিল তালতলী থানায় এই ধর্ষনের বিচার চেয়ে ৯/১ ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের মামলা ধায়ের করি।যার মামলা নংÑ৪/৪১। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দ্বায়িত্ব পায় ওসি তদন্ত ফরিদুল ইসলাম । কিন্তু সে আমাদের কোনো ধরনে সহযোগিতা না করে উল্টা ধর্ষক আনোয়ার খানের পক্ষ নেয়। এদিকে ইউপি সদস্যকে ধর্ষণ মামলার ১৯ দিনেও গ্রেফতার না করার বাদী আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বনে জানান তারা।আর ধর্ষক আনোয়ার প্রকাশ্যে ঘুড়েও বেড়াচ্ছে। আর বিভিন্ন মাধ্যেমে হুমকি দিয়ে বলে বেড়াচ্ছে ইউপি সদস্য এই মামলায় আমার কিছু হবে না। আমি মামলা টাকা দিয়ে ফাইনাল দিয়ে দিবো। তোদের তো টাকা পয়সা নেই তোরা যা পারো করিস। ধর্ষক ইউপি সদস্য আনোয়ার খান স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদেও কার্যক্রমে তাকে দেখা যায় বলেন জানান ভুক্তভোগি পরিবারটি। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা(ওসি তদন্ত) ফরিদুল ইসলাম বিবাদীর পক্ষ নিয়ে মামলার ফাইনাল দেওয়ার কথা বলেন।আর তোদের অজীবন জেলের ভাত খাওয়াবো। স্বামী ইস্রাফিলকে ভয় দেখিয়ে কোর্টে মিথ্যা জবান বন্ধী দেওয়ার অভিযোগও করেন বাদী।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা(ওসি তদন্ত) ফরিদুল ইসলাম বলেন,আমি বাদীকে কোনো প্রকার হুমকি দেয়নি। আর আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আসামী প্রকাশে ঘুড়ে বেড়ানোর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আসামীকে ধরতে গেলে সে পালিয়ে থাকে। যদি সে প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়ায় তাহলে বাদীর লোকজন ধরে আমাদের খবর দিলে আমরা গ্রেফতার করবো।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিয়া বলেন,ধর্ষণের মেডিকেল রির্পোট আসলে পর্যালোচনা করে দেখার পরে আসামীকে গ্রেফতার করা হবে। আর বাদীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা। মামলা তদন্ত কাজ চলমান আছে। তদন্ত করার পরে দেখা যাবে এই মামলার কতটুকু সতত্যা আছে।
এবিষয়ে আমতলী-তালতলী সার্কেল (এএসপি) সৈয়দ রবিউল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্ত কাজে মেডিকেল রির্পোট নিয়ে কিছুটা কনফিউস থাকে। আর তদন্ত করে দেখার পরে ইউপি সদস্য আনোয়ার খান অপরাধী হয় তাকে গ্রেফতার করা হবে। বাদীকে কোনো প্রকার ভয় দেখানো যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ধর্ষণ মামলার১৯ দিনেও গ্রেফতার নেই ইউপি সদস্য মেডিকেল রির্পোট না আসলে গ্রেফতার করা যাবে না: পুলিশ

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০

জলিলুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার
বরগুনার তালতলীতে ত্রাণ দেওয়ার নামে ধর্ষক ইউপি সদস্য আনোয়ার খান কে মামলার ১৯ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে মামলার বাদীকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন বাদী। ধর্ষণের মেডিকেল রির্পোট না আসা পর্যন্ত আসামীকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানান ওসি কামরুজ্জামান মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়ের পূর্ব বাদুরগাছা এলাকার করোনা ভাইরাসের কারনে দিনমজুর সোবাহান কোনো কাজকর্ম না করতে পেরে বেকার হয়ে পড়ে তার পরিবারটি। এর জন্য তার পরিবার খাদ্য সংঙ্কটে পড়ি। পরে বিষয়েটি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে গত ৫ এপ্রিল সোমবার জানালে তিনি তাদের নাম সরকারী সহায়তার তালিকাভুক্ত করার জন্য ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীগের সভাপতি আনোয়ার খানের বাড়িতে যেতে বলেন । ৬ এপ্রিল মঙ্গালবার বিকেল ৫টার দিকে ঐ ইউপি সদস্যর বাড়িতে গেলে এই সুযোগে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় আমার স্বামী ইস্রাফিল ইউপি সদস্যর বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি দেখে ফেলে। ইস্রাফিল এর প্রতিবাদ করলে আসামীরা আমার স্বামীকে তাদের নিয়ে মারধর করার পরে তাকে আটক করে রাখেন। এর পরে আমি উপায় না পেয়ে গত ৯ এপ্রিল তালতলী থানায় এই ধর্ষনের বিচার চেয়ে ৯/১ ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের মামলা ধায়ের করি।যার মামলা নংÑ৪/৪১। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দ্বায়িত্ব পায় ওসি তদন্ত ফরিদুল ইসলাম । কিন্তু সে আমাদের কোনো ধরনে সহযোগিতা না করে উল্টা ধর্ষক আনোয়ার খানের পক্ষ নেয়। এদিকে ইউপি সদস্যকে ধর্ষণ মামলার ১৯ দিনেও গ্রেফতার না করার বাদী আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বনে জানান তারা।আর ধর্ষক আনোয়ার প্রকাশ্যে ঘুড়েও বেড়াচ্ছে। আর বিভিন্ন মাধ্যেমে হুমকি দিয়ে বলে বেড়াচ্ছে ইউপি সদস্য এই মামলায় আমার কিছু হবে না। আমি মামলা টাকা দিয়ে ফাইনাল দিয়ে দিবো। তোদের তো টাকা পয়সা নেই তোরা যা পারো করিস। ধর্ষক ইউপি সদস্য আনোয়ার খান স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদেও কার্যক্রমে তাকে দেখা যায় বলেন জানান ভুক্তভোগি পরিবারটি। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা(ওসি তদন্ত) ফরিদুল ইসলাম বিবাদীর পক্ষ নিয়ে মামলার ফাইনাল দেওয়ার কথা বলেন।আর তোদের অজীবন জেলের ভাত খাওয়াবো। স্বামী ইস্রাফিলকে ভয় দেখিয়ে কোর্টে মিথ্যা জবান বন্ধী দেওয়ার অভিযোগও করেন বাদী।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা(ওসি তদন্ত) ফরিদুল ইসলাম বলেন,আমি বাদীকে কোনো প্রকার হুমকি দেয়নি। আর আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আসামী প্রকাশে ঘুড়ে বেড়ানোর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আসামীকে ধরতে গেলে সে পালিয়ে থাকে। যদি সে প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়ায় তাহলে বাদীর লোকজন ধরে আমাদের খবর দিলে আমরা গ্রেফতার করবো।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিয়া বলেন,ধর্ষণের মেডিকেল রির্পোট আসলে পর্যালোচনা করে দেখার পরে আসামীকে গ্রেফতার করা হবে। আর বাদীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা। মামলা তদন্ত কাজ চলমান আছে। তদন্ত করার পরে দেখা যাবে এই মামলার কতটুকু সতত্যা আছে।
এবিষয়ে আমতলী-তালতলী সার্কেল (এএসপি) সৈয়দ রবিউল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্ত কাজে মেডিকেল রির্পোট নিয়ে কিছুটা কনফিউস থাকে। আর তদন্ত করে দেখার পরে ইউপি সদস্য আনোয়ার খান অপরাধী হয় তাকে গ্রেফতার করা হবে। বাদীকে কোনো প্রকার ভয় দেখানো যাবে না।