সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে চীন থেকে ৪ জন বিশেষজ্ঞ ঢাকায় আসছেন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে চীন থেকে ৪ জন বিশেষজ্ঞ ঢাকায় আসছেন।
দলটি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং সরকারের অন্যান্য এজেন্সির সঙ্গে কাজ করবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার চীনে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান বলেছেন, বাংলাদেশে এপিডেমিক প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি) তৈরির জন্য চীনের এই চার বিশেষজ্ঞ কাজ করবেন। ইতোমধ্যে তারা ভিসা পেয়ে গেছেন এবং বাংলাদেশে তারা তিন মাস অবস্থান করবেন।

এই চার বিশেষজ্ঞের অভিজ্ঞতা ও পারদর্শিতার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, দলটির সবাই চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিনোভাশিও সংস্থায় কর্মরত আছেন। এই সংস্থাটি করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চীন সরকারকে সহায়তা করেছিল এবং তারা সফল হয়েছিলেন।

চীন থেকে চার বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে শিগগিরই আসিছেন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশে অবস্থিত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

রোববার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসক, নার্স এবং প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞদের একটি চীনা চিকিৎসা দল বাংলাদেশে আসছে।’

তিনি আরও লেখেন, চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় একটি অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে।

বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা আরও একবার!’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, চীনা কোম্পানিগুলো এবং জ্যাক মা ফাউন্ডেশন ও আলিবাবা ফাউন্ডেশনের মতো দাতব্য সংগঠনগুলোও বাংলাদেশকে বিপুল সংখ্যক চিকিৎসা সামগ্রী ও উপকরণ দিয়েছে। আমি আপনাদের আবারও নিশ্চিত করছি যে, আরও ভালো ও অংশীদারিত্বমূলক ভবিষ্যতের জন্য এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীন বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের পাশে দাঁড়িয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে চীন থেকে ৪ জন বিশেষজ্ঞ ঢাকায় আসছেন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে চীন থেকে ৪ জন বিশেষজ্ঞ ঢাকায় আসছেন।
দলটি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং সরকারের অন্যান্য এজেন্সির সঙ্গে কাজ করবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার চীনে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান বলেছেন, বাংলাদেশে এপিডেমিক প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি) তৈরির জন্য চীনের এই চার বিশেষজ্ঞ কাজ করবেন। ইতোমধ্যে তারা ভিসা পেয়ে গেছেন এবং বাংলাদেশে তারা তিন মাস অবস্থান করবেন।

এই চার বিশেষজ্ঞের অভিজ্ঞতা ও পারদর্শিতার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, দলটির সবাই চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিনোভাশিও সংস্থায় কর্মরত আছেন। এই সংস্থাটি করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চীন সরকারকে সহায়তা করেছিল এবং তারা সফল হয়েছিলেন।

চীন থেকে চার বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে শিগগিরই আসিছেন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশে অবস্থিত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

রোববার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসক, নার্স এবং প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞদের একটি চীনা চিকিৎসা দল বাংলাদেশে আসছে।’

তিনি আরও লেখেন, চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় একটি অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে।

বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা আরও একবার!’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, চীনা কোম্পানিগুলো এবং জ্যাক মা ফাউন্ডেশন ও আলিবাবা ফাউন্ডেশনের মতো দাতব্য সংগঠনগুলোও বাংলাদেশকে বিপুল সংখ্যক চিকিৎসা সামগ্রী ও উপকরণ দিয়েছে। আমি আপনাদের আবারও নিশ্চিত করছি যে, আরও ভালো ও অংশীদারিত্বমূলক ভবিষ্যতের জন্য এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীন বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের পাশে দাঁড়িয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবে।