সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

মেম্বারের পরিবারের ৭ জনের নামে রেশনকার্ড! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: ফরিদপুরের সালথায় কামরুল পাটওয়ারী নামে এক ইউপি মেম্বারের পরিবারের ৭ জনের নামে রেশন কার্ড করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই মেম্বার যদুনন্দী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন। অনুসন্ধান করে ও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য ঘেঁটে জানা যায়, মেম্বার কমরুলের করা রেশন কার্ডে যে নাম ও নম্বর সংযোজন করা হয় তারা হলেন, ৬৩৬ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের বড় ভাই ইব্রাহিম পাটওয়ারী, ৬৩৯ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের বড় ভাইয়ের ছেলে ইমরান পাটওয়ারী, ৬৫৩ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের ছোট ভাইয়ের বউ তানজিলা বেগম, ৬৫৪ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের মামাত ভাই ইয়াদ মুন্সী, ৬৬৫ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের ছেলে রুমান পাটওয়ারী, ৬৬৬ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের মেয়ে মোসা. রুমী খানম, ৬৭৯ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের চাচাত ভাই জুবায়ের পাটওয়ারী।
তালিকার কথা স্বীকার করে মেম্বার কামরুল পাটওয়ারী বলেন- এরা সবাই গরীব মানুষ। তাই তাদের নাম তালিকায় দিয়েছি। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন। নিজেদের মধ্যে এতোগুলো কার্ড দেওয়া যায় কি-না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না এভাবে কার্ড করা যায় না, আপনারা যেটা ভালো মনে হয় করেন। ছেলের নাম কেন দিয়েছেন এ প্রশ্নের জবাবে ওই মেম্বার বলেন, ছেলেটা ভিন্ন (আলাদা) খায়। কাজ-কর্ম নেই বেকার তাই ওর নামটি দিয়েছি।

এ ব্যাপারের যদুনন্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আবুল খায়ের মুন্সী বলেন- আসলেই এটা করা ঠিক হয়নি। তবে এ ব্যাপারে ওই মেম্বারের বিরুদ্ধে আমার কাছে এলাকা থেকে আপত্তি দিলে আমি ইউএনও স্যারকে ব্যবস্থা নিতে জানাবো। তিনি বলেন, রেশনের ব্যাপারে উপজেলায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারাই যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিয়েছে।

সালথা উপজেলার ইউএনও মোহাম্মদ হাসিব সরকার বলেন- আমিও এ ব্যাপারে কিছু তথ্য পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মেম্বারের পরিবারের ৭ জনের নামে রেশনকার্ড! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১১:২৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: ফরিদপুরের সালথায় কামরুল পাটওয়ারী নামে এক ইউপি মেম্বারের পরিবারের ৭ জনের নামে রেশন কার্ড করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই মেম্বার যদুনন্দী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন। অনুসন্ধান করে ও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য ঘেঁটে জানা যায়, মেম্বার কমরুলের করা রেশন কার্ডে যে নাম ও নম্বর সংযোজন করা হয় তারা হলেন, ৬৩৬ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের বড় ভাই ইব্রাহিম পাটওয়ারী, ৬৩৯ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের বড় ভাইয়ের ছেলে ইমরান পাটওয়ারী, ৬৫৩ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের ছোট ভাইয়ের বউ তানজিলা বেগম, ৬৫৪ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের মামাত ভাই ইয়াদ মুন্সী, ৬৬৫ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের ছেলে রুমান পাটওয়ারী, ৬৬৬ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের মেয়ে মোসা. রুমী খানম, ৬৭৯ নম্বর কার্ডধারী মেম্বারের চাচাত ভাই জুবায়ের পাটওয়ারী।
তালিকার কথা স্বীকার করে মেম্বার কামরুল পাটওয়ারী বলেন- এরা সবাই গরীব মানুষ। তাই তাদের নাম তালিকায় দিয়েছি। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন। নিজেদের মধ্যে এতোগুলো কার্ড দেওয়া যায় কি-না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না এভাবে কার্ড করা যায় না, আপনারা যেটা ভালো মনে হয় করেন। ছেলের নাম কেন দিয়েছেন এ প্রশ্নের জবাবে ওই মেম্বার বলেন, ছেলেটা ভিন্ন (আলাদা) খায়। কাজ-কর্ম নেই বেকার তাই ওর নামটি দিয়েছি।

এ ব্যাপারের যদুনন্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আবুল খায়ের মুন্সী বলেন- আসলেই এটা করা ঠিক হয়নি। তবে এ ব্যাপারে ওই মেম্বারের বিরুদ্ধে আমার কাছে এলাকা থেকে আপত্তি দিলে আমি ইউএনও স্যারকে ব্যবস্থা নিতে জানাবো। তিনি বলেন, রেশনের ব্যাপারে উপজেলায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারাই যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিয়েছে।

সালথা উপজেলার ইউএনও মোহাম্মদ হাসিব সরকার বলেন- আমিও এ ব্যাপারে কিছু তথ্য পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’