সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বাড়িওয়ালাদের নাজেহালের মুখে। এমনই ঘটনা রাজধানী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২০ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার/ মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

চলছে সাধারণ ছুটি। এছাড়া অঘোষিত লকডাউন। কর্মহীন মানুষ। দিন আনে দিন খায় এমন মানুষের সংখ্যাটাই বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী মধ্যশ্রেনীর মানুষজন। অনেকেই বাড়ি ভাড়া দিতে পারছেননা পড়তে হচ্ছে বাড়িওয়ালাদের নাজেহালের মুখে। এমনই ঘটনা রাজধানীর কাঁঠালবাগানে।

সংবাদে তারা জানায় রাজধানীর কাঁঠালবাগানে একমাসের বাড়ি ভাড়া বাকি থাকায় দুই মাসের বাচ্চাসহ এক পরিবারকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে এক বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে। ওই বাড়িওয়ালার নাম শম্পা বেগম। কাঁঠালবাগানের ৫৭/৭ ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের বাড়িতে তিন শিশুকন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন থাই গ্লাস ফিটিং মিস্ত্রি সেলিম মিয়া। করোনার মহামারিতে হাতে কাজ না থাকায় দুই মাস বাড়ি ভাড়া দিতে পারেননি তিনি। ভাড়া না দিতে পারায় সেলিম মিয়া ও তার পরিবারকে বাড়ি থেকে জোরপুর্বক বের করে দেন শম্পা বেগম।

বৈশাখের ঝড় ও বৃষ্টি থেকে দুই মাস বয়সী শিশু সন্তানকে বাঁচাতে সেলিম মিয়া থানায় যান। পুলিশের একটি দল সেলিম মিয়াকে বাসায় নিয়ে গেলে দরজা খোলেননি শম্পা বেগম। বাধ্য হয়ে ফিরে আসেন পুলিশ সদস্যরা। সেলিম মিয়ার পরিবারও আশ্রয় নেন সেখানে।

এসময় শম্পার মোবাইল ফোন নম্বরে কল দিয়ে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত শম্পা নানাভাবে হুমকি দেন এবং জানান সেলিম মিয়ার পরিবার তাদের সব আসবাব ও অন্যান্য দ্রব্য ফেলে চলে গেছে।

কিন্ত এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা জানান শম্পার অভিযোগ মিথ্যা। তিনি এই পরিবারটিকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন এবং গেটে তালা দিয়ে রেখেছেন।

এসময় এলাকাবাসী জানায় বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের কিছু ব্যবসায়ী ও কাঁঠালবাগান এলাকায় শম্পা সুদের ব্যবসা চালান। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সেলিমের দশ বছরে শিশুকন্যার অভিযোগ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার সময় তাকে একাধিক থাপ্পর দেন শম্পা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাড়িওয়ালাদের নাজেহালের মুখে। এমনই ঘটনা রাজধানী।

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার/ মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

চলছে সাধারণ ছুটি। এছাড়া অঘোষিত লকডাউন। কর্মহীন মানুষ। দিন আনে দিন খায় এমন মানুষের সংখ্যাটাই বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী মধ্যশ্রেনীর মানুষজন। অনেকেই বাড়ি ভাড়া দিতে পারছেননা পড়তে হচ্ছে বাড়িওয়ালাদের নাজেহালের মুখে। এমনই ঘটনা রাজধানীর কাঁঠালবাগানে।

সংবাদে তারা জানায় রাজধানীর কাঁঠালবাগানে একমাসের বাড়ি ভাড়া বাকি থাকায় দুই মাসের বাচ্চাসহ এক পরিবারকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে এক বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে। ওই বাড়িওয়ালার নাম শম্পা বেগম। কাঁঠালবাগানের ৫৭/৭ ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের বাড়িতে তিন শিশুকন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন থাই গ্লাস ফিটিং মিস্ত্রি সেলিম মিয়া। করোনার মহামারিতে হাতে কাজ না থাকায় দুই মাস বাড়ি ভাড়া দিতে পারেননি তিনি। ভাড়া না দিতে পারায় সেলিম মিয়া ও তার পরিবারকে বাড়ি থেকে জোরপুর্বক বের করে দেন শম্পা বেগম।

বৈশাখের ঝড় ও বৃষ্টি থেকে দুই মাস বয়সী শিশু সন্তানকে বাঁচাতে সেলিম মিয়া থানায় যান। পুলিশের একটি দল সেলিম মিয়াকে বাসায় নিয়ে গেলে দরজা খোলেননি শম্পা বেগম। বাধ্য হয়ে ফিরে আসেন পুলিশ সদস্যরা। সেলিম মিয়ার পরিবারও আশ্রয় নেন সেখানে।

এসময় শম্পার মোবাইল ফোন নম্বরে কল দিয়ে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত শম্পা নানাভাবে হুমকি দেন এবং জানান সেলিম মিয়ার পরিবার তাদের সব আসবাব ও অন্যান্য দ্রব্য ফেলে চলে গেছে।

কিন্ত এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা জানান শম্পার অভিযোগ মিথ্যা। তিনি এই পরিবারটিকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন এবং গেটে তালা দিয়ে রেখেছেন।

এসময় এলাকাবাসী জানায় বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের কিছু ব্যবসায়ী ও কাঁঠালবাগান এলাকায় শম্পা সুদের ব্যবসা চালান। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সেলিমের দশ বছরে শিশুকন্যার অভিযোগ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার সময় তাকে একাধিক থাপ্পর দেন শম্পা।