বানারীপাড়ায় গাছে গাছে ঝুলছে মৌচাক…
- আপডেট সময় : ০২:০০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২০ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥ “মৌমাছি মৌমাছি/ কোথা যাও নাচি নাচি/দাঁড়াও
না একবার ভাই।/ ওই ফুল ফোটে বনে /যাই মধু আহরণে/ দাঁড়াবার সময়তো নাই।’’
হিসেবী মৌমাছি ভবিষ্যতে তার খাবারের কথা ভেবে বিভিন্ন ফুল-ফল থেকে মধু
আহরণ করে নিজ বাসায় সঞ্চয় করে রাখে। বেহিসেবী মানুষকে সঞ্চয়ী হতে অনেক
সময় মৌমাছির কাছ থেকে শিক্ষা নিতে বলা হয়ে থাকে। মৌমাছির কাছ থেকে সঞ্চয়ী
হওয়ার শিক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি এর আহরণ করে জমিয়ে রাখা মধু ওষুধের মতো
মানব দেহে টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুন্দরবন ছাড়া পিওর মধু পাওয়া
কষ্টসাধ্য। তবে দেশের অনেক এলাকায় বানিজ্যিকভাবে মধু চাষও করা হয়। এছাড়া
শহর ও গ্রামগঞ্জের আম সহ বিভিন্ন গাছে মৌচাকের বাসায় মধু পাওয়া যায়। অনেক
সময় বিল্ডিংয়ের কার্নিশেও মৌমাছি বাসা বাঁধে। স্থানীয় ভাষায় যাকে মৌচাক ও
মধু সংগ্রহকারীকে মৌয়াল বলা হয়ে থাকে। বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রত্যন্ত
গ্রামাঞ্চলে আম সহ বিভিন্ন গাছে গাছে মৌমাছি বাসা বেঁধেছে। উপজেলার নিভৃত
জনপদ বিশারকান্দি ইউনিয়নের মরিচবুনিয়া গ্রামের খ্রিষ্টান পল্লীতে সাবেক
ইউপি চেয়ারম্যান এডওয়ার্ড বিশ্বাস নান্নুর বাড়ির আম গাছে মৌমাছি বিশাল
আকৃতির এক বাসা বেঁধেছে। ওই এলাকা সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে
এভাবে অসংখ্য মৌচাক রয়েছে। মধু মাস জ্যৈষ্ঠের কোন এক সময়ে এসব মৌচাক থেকে
মধু সংগ্রহ করা হবে। মৌচাকে ঢিল ছুঁড়লে হুল ফুটিয়ে দেবে এ শঙ্কায় কেউ এ
ভুলটি না করে বরং অপেক্ষার প্রহর গুনছে কখন মৌচাক কেটে মধু সংগ্রহ করবে
সে আশায়। ###























