সংবাদ শিরোনাম ::
​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক

তেতুলিয়ায় ঘরবন্দীদের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তেতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:
মহামারি করোনা ভাইরাস রোধে ঘরবন্দী মানুষের জন্য সরকারের বিশেষ বরাদ্দকৃত প্রণোদনার চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তেতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে।

জানাযায়, গত ৮ এপ্রিল বুধবার উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নে ঘরবন্দী গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। উক্ত চাল গভীর রাতে ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশ উপকারভোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌছে দেন। পরদিন সকালে উপকারভোগীরা চালেরর ব্যাগ ওজন করে দেখেন ১০ কেজির পরিবর্তে ৮ কেজি করে দেওয়া হয়েছে। আবার কোন ব্যাগে সাড়ে ৭ কেজিও রয়েছে বলে জানাযায়। এটা নিয়ে উপকারভোগীদের মাঝে অসন্তোসের সৃষ্টি হয়।ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের যোগিগছ গ্রামের বাসিন্দা হাতেম আলীর স্ত্রী নুর বানু অভিযোগ করে বলেন আমি ৭ কেজি ৮শ গ্রাম চাল পেয়েছি, সরকার আমার জন্য ১০ কেজি চাল বরাদ্দ দিয়েছে। একই গ্রামের বটু মোহাম্মদ, রবিউল, ফলিয়র ও জলিলের অভিযোগ আমরা ৮ কেজি করে চাল পেয়েছি।

এবিষয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, গোডাউন থেকে যে চালের বস্তা আনা হয় সেই বস্তায় অনেক সময় চাল কম থাকে, তাই সবকিছু মিলিয়েই চাল বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণের সময় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
তিরনইহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক দানিয়েল হোসেন বলেন, কিছু বস্তায় চাল কম আসে তাতে প্রতিজন ১ বা ২শ গ্রাম কম হতে পারে কিন্তু দুই আড়াই কেজি চাল কম হওয়ার কথা নয়। তবে ৫নং ওয়ার্ড ও ৬ নং ওয়ার্ডে ওজন ও বিতরণের সময় আমরা ছিলাম না। অন্যান্য ওয়ার্ড গুলোর আমরা ছিলাম। ওই দুই ওয়ার্ডে কি হয়েছে আমরা বলতে পারবো না।

এবিষয়ে তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভার) মাসুদুল হক বলেন, এমনটি তো হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তেতুলিয়ায় ঘরবন্দীদের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০২:০৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

তেতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:
মহামারি করোনা ভাইরাস রোধে ঘরবন্দী মানুষের জন্য সরকারের বিশেষ বরাদ্দকৃত প্রণোদনার চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তেতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে।

জানাযায়, গত ৮ এপ্রিল বুধবার উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নে ঘরবন্দী গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। উক্ত চাল গভীর রাতে ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশ উপকারভোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌছে দেন। পরদিন সকালে উপকারভোগীরা চালেরর ব্যাগ ওজন করে দেখেন ১০ কেজির পরিবর্তে ৮ কেজি করে দেওয়া হয়েছে। আবার কোন ব্যাগে সাড়ে ৭ কেজিও রয়েছে বলে জানাযায়। এটা নিয়ে উপকারভোগীদের মাঝে অসন্তোসের সৃষ্টি হয়।ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের যোগিগছ গ্রামের বাসিন্দা হাতেম আলীর স্ত্রী নুর বানু অভিযোগ করে বলেন আমি ৭ কেজি ৮শ গ্রাম চাল পেয়েছি, সরকার আমার জন্য ১০ কেজি চাল বরাদ্দ দিয়েছে। একই গ্রামের বটু মোহাম্মদ, রবিউল, ফলিয়র ও জলিলের অভিযোগ আমরা ৮ কেজি করে চাল পেয়েছি।

এবিষয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, গোডাউন থেকে যে চালের বস্তা আনা হয় সেই বস্তায় অনেক সময় চাল কম থাকে, তাই সবকিছু মিলিয়েই চাল বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণের সময় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
তিরনইহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক দানিয়েল হোসেন বলেন, কিছু বস্তায় চাল কম আসে তাতে প্রতিজন ১ বা ২শ গ্রাম কম হতে পারে কিন্তু দুই আড়াই কেজি চাল কম হওয়ার কথা নয়। তবে ৫নং ওয়ার্ড ও ৬ নং ওয়ার্ডে ওজন ও বিতরণের সময় আমরা ছিলাম না। অন্যান্য ওয়ার্ড গুলোর আমরা ছিলাম। ওই দুই ওয়ার্ডে কি হয়েছে আমরা বলতে পারবো না।

এবিষয়ে তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভার) মাসুদুল হক বলেন, এমনটি তো হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।