সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

করোনায় বাবার মৃত্যু জানা যায় যেতে পারল না ছেলে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০ ২১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গতকাল সোমবার সকালে মারা গেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক জালাল সাইফুর রহমান। বাবার মৃত্যুর পর ছেলে সামিন রহমান ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, সেলফ আইসোলেশনে থাকার কারণে বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে পারেননি সামিন।

দুদক পরিচালক পরিচালকের ছেলের স্ট্যাটাসটি এখানে তুলে ধরা হলো :

আমার বাবা আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কার্ডিয়াক এরেস্টের কারণে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। উনি গত ৩০ মার্চ করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তবে দুঃখের বিষয় এই যে, উনার মৃত্যুর সংবাদ নিয়ে লেখা প্রতিবেদনেও অনেক ভুল-ভ্রান্তি চোখে পড়ে। সে ভুল-ভ্রান্তিগুলো আমি একটু তুলে ধরতে চাই :

১। আমি উনার একমাত্র সন্তান ছিলাম, আমার কোনো ভাইবোন নেই।

২। আমি এবং আমার আম্মু দুজনই পরিপূর্ণ রূপে সুস্থ আছি।

৩। আমরা গত সাত দিন ধরে দুজনই সেলফ আইসোলেশনে আছি, কোন হাসপাতালে না। আমাদের দুজনকে আরও সাত দিন সেলফ আইসোলেশনে থাকতে হবে। (সেলফ আইসোলেশন বলতে ঘরের মধ্যে নিজেকে আলাদা করে রাখা, কার সাথে দেখা সাক্ষাৎ কিংবা মেলামেশা না করা)।

সেলফ আইসোলেশনের কারণে না বাবার জানাজার অংশ হতে পেরেছি, না উনাকে কবর দেওয়ার অংশ হতে পেরেছি। এর চেয়ে কঠিন কিছু আর নেই। উনাকে আজ ৪টার দিকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। উনি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ ছিলেন। উনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

আমার বাবা জীবিকার তাগিদে সরকারি আদেশ না আসা পর্যন্ত ২২ মার্চ পর্যন্ত অফিস করেছিলেন। তারপর থেকে তিনি বাসাতেই ছিলেন। কিন্তু তবুও রক্ষা পাননি। তাই এখনো যারা ঘরে থাকার বিধিনিষেধ মানছেন না, তাদের সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই না, বর্তমানে এই মুহূর্তে আমার এবং আমার পরিবারের ওপর দিয়ে যা যাচ্ছে, সেটা আমার শত্রুকেও মোকাবিলা করতে হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনায় বাবার মৃত্যু জানা যায় যেতে পারল না ছেলে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গতকাল সোমবার সকালে মারা গেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক জালাল সাইফুর রহমান। বাবার মৃত্যুর পর ছেলে সামিন রহমান ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, সেলফ আইসোলেশনে থাকার কারণে বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে পারেননি সামিন।

দুদক পরিচালক পরিচালকের ছেলের স্ট্যাটাসটি এখানে তুলে ধরা হলো :

আমার বাবা আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কার্ডিয়াক এরেস্টের কারণে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। উনি গত ৩০ মার্চ করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তবে দুঃখের বিষয় এই যে, উনার মৃত্যুর সংবাদ নিয়ে লেখা প্রতিবেদনেও অনেক ভুল-ভ্রান্তি চোখে পড়ে। সে ভুল-ভ্রান্তিগুলো আমি একটু তুলে ধরতে চাই :

১। আমি উনার একমাত্র সন্তান ছিলাম, আমার কোনো ভাইবোন নেই।

২। আমি এবং আমার আম্মু দুজনই পরিপূর্ণ রূপে সুস্থ আছি।

৩। আমরা গত সাত দিন ধরে দুজনই সেলফ আইসোলেশনে আছি, কোন হাসপাতালে না। আমাদের দুজনকে আরও সাত দিন সেলফ আইসোলেশনে থাকতে হবে। (সেলফ আইসোলেশন বলতে ঘরের মধ্যে নিজেকে আলাদা করে রাখা, কার সাথে দেখা সাক্ষাৎ কিংবা মেলামেশা না করা)।

সেলফ আইসোলেশনের কারণে না বাবার জানাজার অংশ হতে পেরেছি, না উনাকে কবর দেওয়ার অংশ হতে পেরেছি। এর চেয়ে কঠিন কিছু আর নেই। উনাকে আজ ৪টার দিকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। উনি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ ছিলেন। উনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

আমার বাবা জীবিকার তাগিদে সরকারি আদেশ না আসা পর্যন্ত ২২ মার্চ পর্যন্ত অফিস করেছিলেন। তারপর থেকে তিনি বাসাতেই ছিলেন। কিন্তু তবুও রক্ষা পাননি। তাই এখনো যারা ঘরে থাকার বিধিনিষেধ মানছেন না, তাদের সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই না, বর্তমানে এই মুহূর্তে আমার এবং আমার পরিবারের ওপর দিয়ে যা যাচ্ছে, সেটা আমার শত্রুকেও মোকাবিলা করতে হোক।