সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার”

তবুও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ স্যালুট ম্যাডাম ফ্লোরা কে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

উনি যথেষ্ট নম্র ভদ্র একজন মহিলা। তার উপস্থাপনা বাচনভঙ্গি এবং একজন ডাক্তার হিসেবে তার পেশাদারি আচরণ সবাইকেই মুগ্ধ করেছে। এবং করোনা নিয়ে কথা বলার মতো অনেক দায়িত্বশীল মন্ত্রীদের চেয়েও তার কথা বার্তা পরিমার্জিত, রুচিশীল, প্রাণবন্ত বলে মনে হয়েছে। প্রতিটা দিন উনি যেভাবে মিডিয়া ফেইস করছেন এবং জনগণের সামনে তথ্য উপস্থাপন এবং করণীয় সম্পর্কে অবহিত করছেন তা প্রশংসার দাবীদার। সে নিজে অসুস্থ থাকার পরেও দায়িত্বে অবহেলা করেননি বিন্দু পরিমান। আর আমাদের এই প্রজন্মের কিছু সুশীল তার শাড়ির সংখ্যা নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে। জঘন্য মনমান‌সিকতার মানুষগু‌লো কি জানে যে উনার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম বাংলাদেশের পাওয়ার সেক্টরের অন্যতম প্রধান জায়েন্ট কোম্পানি এনার্জি প্যাকের সম্মানিত চেয়ারম্যান। ওরা জানেনা যে এই ভদ্র মহিলা প্রতিবার যাকাতই দেয় প্রায় ২২ হাজার শাড়ি। শত কোটি টাকা প্রতিমাসে কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন দেয় তার পরিবার। কখনো প্রচার করেছেন? তি‌নি কিন্তু একজন ডাক্তার এবং একজন প্র‌ফেসর। তার মতো অনেক দক্ষ মানুষ আছে যারা কিনা তাদের দক্ষতা আমাদের দেশে না থেকে বিদেশে কাজে লাগাচ্ছে। সে কিন্তু দেশের মাটিতেই দেশের মানুষের জন্যই তার শ্রম এবং মেধা দিয়ে যাচ্ছে। তার মুল্যায়ন আমরা কতটুকু করতে পারছি!? এরকম শাড়ি তিনি প্রতিদিন ২২ টা করে কেনার ক্ষমতা রাখেন এটা তার পা‌র্সোনাল ব্যাপার এটা নি‌য়ে প্রশ্ন তোলার কি আ‌ছে? স‌ত্যি ভাই বোন দেশটা বড় অদ্ভুত! ভাল কাজ কর‌তে গে‌লে কিভা‌বে টে‌নে নি‌চে নামা‌নো যায় সেটা at least ভালো পা‌রি আমরা। ম্যামকে নিয়ে একটি কথা বলবো
মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ব্যক্তিত্বে অনন্যা, গোড়ামি মুক্ত, মেধাবী আর আত্ম বিশ্বাসে ঝলমলে। বাঙালি নারীর অনন্যতাকে তিনি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। প্রতিদিন ২৫ টি টেলিভিশন, ১৫ টির বেশি দৈনিক কাগজ, অনলাইনের চৌকষ সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়া মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ঢাকা মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন ১৯৮৩ সালে নেতৃত্বের সহজাত গুণাবলীটা সেখানেই আয়ত্ব করেছেন তিনি। প্রতিকূল পরিবেশে দাঁড়িয়ে বিরুদ্ধ স্রোতে সাঁতার কাঁটতে তিনি শিখেছিলেন ঢাকা মেডিকেলের ডরমিটরিতে কাটানো দিনগুলোতেই। জড়িত ছিলেন ছাত্র রাজনীতির সঙ্গেও। কৃতিত্বের সঙ্গে এমবিবিএস পাশ করার পরে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন কাজ করেছিলেন। পরে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান যেটাকে এখন সবাই নিপসম নামে চেনে- সেখান থেকে রোগতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করে তিন বছর গবেষণা করেছেন। তিনি নিপসমে সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে উচ্চশিক্ষার জন্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন দেশের বাইরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিয়েছেন পিএইচডি ডিগ্রি। ২০১৬ সালে তাকে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাবার পর তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মহামারী সৃষ্টিকারী ভাইরাস ও রোগ বিস্তার প্রতিরোধে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গবেষণা করেন। সেব্রিনা পরিচালক হবার পরে সরকারি মৃতপ্রায় সংস্থাটির কাজে অন্যরকম একটা গতি এসেছে নিরসন হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে লেগে থাকা অনেক জটিলাবস্থার। তার তত্ত্বাবাধানেই ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে জিকা ভাইরাস, মধ্য প্রাচ্যের শ্বাসযন্ত্রের সিন্ড্রোম সম্পর্কিত ভাইরাস এবং অতি সাম্প্রতিক করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অবহেলিত অপ্রতুল ব্যবস্থাপনার মধ্যেও তিনি এবং তার দল ২০১৭ সালে বাংলাদেশে চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে কাজ করেছেন সফলতাও পেয়েছেন। এখন লড়াই চলছে করোনার বিরুদ্ধে। আমরা চাই এ যাত্রা সমতল পথের নয় কন্টকময় বন্ধর। তবুও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ স্যালুট আপনাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তবুও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ স্যালুট ম্যাডাম ফ্লোরা কে।

আপডেট সময় : ০৪:২৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০

মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

উনি যথেষ্ট নম্র ভদ্র একজন মহিলা। তার উপস্থাপনা বাচনভঙ্গি এবং একজন ডাক্তার হিসেবে তার পেশাদারি আচরণ সবাইকেই মুগ্ধ করেছে। এবং করোনা নিয়ে কথা বলার মতো অনেক দায়িত্বশীল মন্ত্রীদের চেয়েও তার কথা বার্তা পরিমার্জিত, রুচিশীল, প্রাণবন্ত বলে মনে হয়েছে। প্রতিটা দিন উনি যেভাবে মিডিয়া ফেইস করছেন এবং জনগণের সামনে তথ্য উপস্থাপন এবং করণীয় সম্পর্কে অবহিত করছেন তা প্রশংসার দাবীদার। সে নিজে অসুস্থ থাকার পরেও দায়িত্বে অবহেলা করেননি বিন্দু পরিমান। আর আমাদের এই প্রজন্মের কিছু সুশীল তার শাড়ির সংখ্যা নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে। জঘন্য মনমান‌সিকতার মানুষগু‌লো কি জানে যে উনার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম বাংলাদেশের পাওয়ার সেক্টরের অন্যতম প্রধান জায়েন্ট কোম্পানি এনার্জি প্যাকের সম্মানিত চেয়ারম্যান। ওরা জানেনা যে এই ভদ্র মহিলা প্রতিবার যাকাতই দেয় প্রায় ২২ হাজার শাড়ি। শত কোটি টাকা প্রতিমাসে কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন দেয় তার পরিবার। কখনো প্রচার করেছেন? তি‌নি কিন্তু একজন ডাক্তার এবং একজন প্র‌ফেসর। তার মতো অনেক দক্ষ মানুষ আছে যারা কিনা তাদের দক্ষতা আমাদের দেশে না থেকে বিদেশে কাজে লাগাচ্ছে। সে কিন্তু দেশের মাটিতেই দেশের মানুষের জন্যই তার শ্রম এবং মেধা দিয়ে যাচ্ছে। তার মুল্যায়ন আমরা কতটুকু করতে পারছি!? এরকম শাড়ি তিনি প্রতিদিন ২২ টা করে কেনার ক্ষমতা রাখেন এটা তার পা‌র্সোনাল ব্যাপার এটা নি‌য়ে প্রশ্ন তোলার কি আ‌ছে? স‌ত্যি ভাই বোন দেশটা বড় অদ্ভুত! ভাল কাজ কর‌তে গে‌লে কিভা‌বে টে‌নে নি‌চে নামা‌নো যায় সেটা at least ভালো পা‌রি আমরা। ম্যামকে নিয়ে একটি কথা বলবো
মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ব্যক্তিত্বে অনন্যা, গোড়ামি মুক্ত, মেধাবী আর আত্ম বিশ্বাসে ঝলমলে। বাঙালি নারীর অনন্যতাকে তিনি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। প্রতিদিন ২৫ টি টেলিভিশন, ১৫ টির বেশি দৈনিক কাগজ, অনলাইনের চৌকষ সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়া মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ঢাকা মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন ১৯৮৩ সালে নেতৃত্বের সহজাত গুণাবলীটা সেখানেই আয়ত্ব করেছেন তিনি। প্রতিকূল পরিবেশে দাঁড়িয়ে বিরুদ্ধ স্রোতে সাঁতার কাঁটতে তিনি শিখেছিলেন ঢাকা মেডিকেলের ডরমিটরিতে কাটানো দিনগুলোতেই। জড়িত ছিলেন ছাত্র রাজনীতির সঙ্গেও। কৃতিত্বের সঙ্গে এমবিবিএস পাশ করার পরে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন কাজ করেছিলেন। পরে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান যেটাকে এখন সবাই নিপসম নামে চেনে- সেখান থেকে রোগতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করে তিন বছর গবেষণা করেছেন। তিনি নিপসমে সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে উচ্চশিক্ষার জন্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন দেশের বাইরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিয়েছেন পিএইচডি ডিগ্রি। ২০১৬ সালে তাকে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাবার পর তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মহামারী সৃষ্টিকারী ভাইরাস ও রোগ বিস্তার প্রতিরোধে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গবেষণা করেন। সেব্রিনা পরিচালক হবার পরে সরকারি মৃতপ্রায় সংস্থাটির কাজে অন্যরকম একটা গতি এসেছে নিরসন হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে লেগে থাকা অনেক জটিলাবস্থার। তার তত্ত্বাবাধানেই ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে জিকা ভাইরাস, মধ্য প্রাচ্যের শ্বাসযন্ত্রের সিন্ড্রোম সম্পর্কিত ভাইরাস এবং অতি সাম্প্রতিক করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অবহেলিত অপ্রতুল ব্যবস্থাপনার মধ্যেও তিনি এবং তার দল ২০১৭ সালে বাংলাদেশে চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে কাজ করেছেন সফলতাও পেয়েছেন। এখন লড়াই চলছে করোনার বিরুদ্ধে। আমরা চাই এ যাত্রা সমতল পথের নয় কন্টকময় বন্ধর। তবুও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ স্যালুট আপনাকে।