সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

বানারীপাড়ায় ব্যবসায়ীদের মজুদ পণ্য জব্দ করে নিলামে বিক্রির দাবী সাধারণ মানুষের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি।। ঘাতক ব্যধী করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বন্দর বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ীরা অস্থির করে তুলেছে নিত্য পণ্যের দাম। বিশেষ করে চাল, তেল, ডাল, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ও আলু সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হু-হু করে বাড়িয়ে দিচ্ছে এখানকার প্রতিটি পাইকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করেণ মোবাইল কোর্টে অভিযান পরিচালনা করার সময় বেশির ভাগ খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে জরিমানা করা হয়, ফলে প্রতি বারই পার পেয়ে যাচ্ছে পাইকারী ব্যবসায়ীরা। এ অভিযানকে অনেকে আইওয়াশ বলেও মন্তব্য করছেন। অভিযোগ রয়েছে পাইকারী ব্যবসায়ীদের প্রত্যেকের গোডাউনে তল্লাসী করলে শত শত বস্তা চাল,ডাল ও চিনি সহ বিভিন্ন নিত্য পন্যের মজুদ পাওয়া যাবে। মাত্র ৩/৪ দিনের ব্যবধানে একেক বস্তা চালে ২ শত টাকা থেকে ২৫০ টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছেন বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা। কোন কোন ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাজারের পলাশ কফি হাউজের মালিক পলাশ জানান,তার পিতাকে দিয়ে ১৭ মার্চ বন্দর বাজারের বড় দুটি পাইকারী দোকানে চাল কিনতে পাঠালে ওই দোকান থেকে চাল নেই বলে জানিয়ে দেয়া হয়। তবে বন্দর বাজারের একেক জন পাইকারী ব্যবসায়ীর কমপক্ষে ৭/৮ টি বড় আকারের গোডাউন রয়েছে। সেই গোডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটাই প্রধান লক্ষ থাকে তাদের। এক অনুসন্ধানে জানাগেছে বন্দর বাজারের বেশির ভাগ পাইকারী ব্যবসায়ীরা দেশের যে কোন দূর্যোগের সময় নিত্য পণ্য মজুদ করে অধিক মূল্যে বিক্রি করে বর্তমানে অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। যা খতিয়ে দেখা দরকার বলেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে থেকে দাবী ঊঠেছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন নিত্য পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ক্রেতা সাধারণকে হয়রাণির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর এ জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় ব্যবসায়ীদের মজুদ পণ্য জব্দ করে নিলামে বিক্রির দাবী সাধারণ মানুষের

আপডেট সময় : ১২:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি।। ঘাতক ব্যধী করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বন্দর বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ীরা অস্থির করে তুলেছে নিত্য পণ্যের দাম। বিশেষ করে চাল, তেল, ডাল, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ও আলু সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হু-হু করে বাড়িয়ে দিচ্ছে এখানকার প্রতিটি পাইকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করেণ মোবাইল কোর্টে অভিযান পরিচালনা করার সময় বেশির ভাগ খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে জরিমানা করা হয়, ফলে প্রতি বারই পার পেয়ে যাচ্ছে পাইকারী ব্যবসায়ীরা। এ অভিযানকে অনেকে আইওয়াশ বলেও মন্তব্য করছেন। অভিযোগ রয়েছে পাইকারী ব্যবসায়ীদের প্রত্যেকের গোডাউনে তল্লাসী করলে শত শত বস্তা চাল,ডাল ও চিনি সহ বিভিন্ন নিত্য পন্যের মজুদ পাওয়া যাবে। মাত্র ৩/৪ দিনের ব্যবধানে একেক বস্তা চালে ২ শত টাকা থেকে ২৫০ টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছেন বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা। কোন কোন ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাজারের পলাশ কফি হাউজের মালিক পলাশ জানান,তার পিতাকে দিয়ে ১৭ মার্চ বন্দর বাজারের বড় দুটি পাইকারী দোকানে চাল কিনতে পাঠালে ওই দোকান থেকে চাল নেই বলে জানিয়ে দেয়া হয়। তবে বন্দর বাজারের একেক জন পাইকারী ব্যবসায়ীর কমপক্ষে ৭/৮ টি বড় আকারের গোডাউন রয়েছে। সেই গোডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটাই প্রধান লক্ষ থাকে তাদের। এক অনুসন্ধানে জানাগেছে বন্দর বাজারের বেশির ভাগ পাইকারী ব্যবসায়ীরা দেশের যে কোন দূর্যোগের সময় নিত্য পণ্য মজুদ করে অধিক মূল্যে বিক্রি করে বর্তমানে অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। যা খতিয়ে দেখা দরকার বলেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে থেকে দাবী ঊঠেছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন নিত্য পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ক্রেতা সাধারণকে হয়রাণির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর এ জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।