সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২০ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

জাঙ্গালিয়াপাড়া এলাকার বাংলাবাজার রোডের উত্তর পাশে ১ নং খতিয়ানভুক্ত এসএ ৩০৪ ও আরএস ৬৫৩ নং পার্ট দাগে জমি ১৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারের জমি ৭৭ শতাংশ ও স্থানীয় আবদুল আজিজের নামে ৭০ শতাংশ।
আজিজ অনেক আগে থেকেই ৭৭ শতাংশের ভোগদখলীয় মালিক। সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক বাড়ি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল।
এ ছাড়া তিনি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দিয়েছেন সোয়া ১১ শতাংশ। স্কুলের পাশে তার দানকৃত পাঁচ শতাংশে নির্মাণ করা হয়েছে জাঙ্গালিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাবাজার রোড সংলগ্ন অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ জমির অর্ধেকেরও বেশি অংশে একটি পুকুর ছিলো। গত বছর বালু ফেলে ভরাট করে তাতে হাজী আজিজ সুপার মার্কেট নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। তিন তলা ফাউন্ডেশন মার্কেটটির নিচ তলার কাজ সম্পন্নে তোড়জোড় চলছে। শতাধিক দোকান ভাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের জামানত। আজিজের একমাত্র ছেলে জাহাঙ্গীর আলম শহরের অন্যতম বড় গ্লাস ব্যবসায়ী। খাস জমি গ্রাসের উদ্দেশে বাবার নামে ডিমারকেশন করেছেন তিনি। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসএ শাখার ১৮১/২০১৮ নং সীমানা নির্ধারণ মামলা অনুযায়ী, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ৭৭ শতাংশ জমি খাস হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর খালি ৭০ শতাংশ জমি দেখানো হয়েছে জোত হিসেবে। অর্থাৎ ৭৭ শতাংশ জমি আগে থেকেই তাদের ভোগদখলে। অবশিষ্ট ৭০ শতাংশে মার্কেট নির্মাণের ফলে পুরো সরকারি জমি বেহাত হয়ে গেল। শিল্প কারখানা অধ্যুষিত ওই এলাকায় বিঘাপ্রতি জমির বর্তমান বাজারমূল্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকা। সে হিসাবে দখলীয় জমির মূল্য দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ওয়াকিবহাল সূত্র জানায়, তঞ্চকতাপূর্ণ ডিমারকেশনটিতে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। সন্দেহের অগ্রভাগে থাকা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম বর্তমানে এলএ শাখায় কর্মরত। একাধিক ভূমি কর্মকর্তা বলেছেন, পার্ট দাগে ডিমারকেশনের সময় সরকারের স্বার্থে রাস্তা সংলগ্ন অংশ অগ্রাধিকার পায়। দখলীয় অংশকে খাস দেখিয়ে খালি অংশ দখলদারের হাতে তুলে দেওয়া গুরুতর অপরাধ। এ ছাড়া খাস জমি ওয়াকফ বা দান করার এখতিয়ার কোন ব্যক্তির নেই। আগের ভোগদখলীয় অংশই জোত হিসেবে পরিগণিত হবে। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের আমলে ওই ডিমারকেশনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাই বর্তমান কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে এগোতে চাইছেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে।

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

জাঙ্গালিয়াপাড়া এলাকার বাংলাবাজার রোডের উত্তর পাশে ১ নং খতিয়ানভুক্ত এসএ ৩০৪ ও আরএস ৬৫৩ নং পার্ট দাগে জমি ১৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারের জমি ৭৭ শতাংশ ও স্থানীয় আবদুল আজিজের নামে ৭০ শতাংশ।
আজিজ অনেক আগে থেকেই ৭৭ শতাংশের ভোগদখলীয় মালিক। সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক বাড়ি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল।
এ ছাড়া তিনি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দিয়েছেন সোয়া ১১ শতাংশ। স্কুলের পাশে তার দানকৃত পাঁচ শতাংশে নির্মাণ করা হয়েছে জাঙ্গালিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাবাজার রোড সংলগ্ন অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ জমির অর্ধেকেরও বেশি অংশে একটি পুকুর ছিলো। গত বছর বালু ফেলে ভরাট করে তাতে হাজী আজিজ সুপার মার্কেট নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। তিন তলা ফাউন্ডেশন মার্কেটটির নিচ তলার কাজ সম্পন্নে তোড়জোড় চলছে। শতাধিক দোকান ভাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের জামানত। আজিজের একমাত্র ছেলে জাহাঙ্গীর আলম শহরের অন্যতম বড় গ্লাস ব্যবসায়ী। খাস জমি গ্রাসের উদ্দেশে বাবার নামে ডিমারকেশন করেছেন তিনি। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসএ শাখার ১৮১/২০১৮ নং সীমানা নির্ধারণ মামলা অনুযায়ী, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ৭৭ শতাংশ জমি খাস হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর খালি ৭০ শতাংশ জমি দেখানো হয়েছে জোত হিসেবে। অর্থাৎ ৭৭ শতাংশ জমি আগে থেকেই তাদের ভোগদখলে। অবশিষ্ট ৭০ শতাংশে মার্কেট নির্মাণের ফলে পুরো সরকারি জমি বেহাত হয়ে গেল। শিল্প কারখানা অধ্যুষিত ওই এলাকায় বিঘাপ্রতি জমির বর্তমান বাজারমূল্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকা। সে হিসাবে দখলীয় জমির মূল্য দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ওয়াকিবহাল সূত্র জানায়, তঞ্চকতাপূর্ণ ডিমারকেশনটিতে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। সন্দেহের অগ্রভাগে থাকা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম বর্তমানে এলএ শাখায় কর্মরত। একাধিক ভূমি কর্মকর্তা বলেছেন, পার্ট দাগে ডিমারকেশনের সময় সরকারের স্বার্থে রাস্তা সংলগ্ন অংশ অগ্রাধিকার পায়। দখলীয় অংশকে খাস দেখিয়ে খালি অংশ দখলদারের হাতে তুলে দেওয়া গুরুতর অপরাধ। এ ছাড়া খাস জমি ওয়াকফ বা দান করার এখতিয়ার কোন ব্যক্তির নেই। আগের ভোগদখলীয় অংশই জোত হিসেবে পরিগণিত হবে। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের আমলে ওই ডিমারকেশনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাই বর্তমান কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে এগোতে চাইছেন না।