সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২০ ১৬০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

জাঙ্গালিয়াপাড়া এলাকার বাংলাবাজার রোডের উত্তর পাশে ১ নং খতিয়ানভুক্ত এসএ ৩০৪ ও আরএস ৬৫৩ নং পার্ট দাগে জমি ১৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারের জমি ৭৭ শতাংশ ও স্থানীয় আবদুল আজিজের নামে ৭০ শতাংশ।
আজিজ অনেক আগে থেকেই ৭৭ শতাংশের ভোগদখলীয় মালিক। সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক বাড়ি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল।
এ ছাড়া তিনি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দিয়েছেন সোয়া ১১ শতাংশ। স্কুলের পাশে তার দানকৃত পাঁচ শতাংশে নির্মাণ করা হয়েছে জাঙ্গালিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাবাজার রোড সংলগ্ন অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ জমির অর্ধেকেরও বেশি অংশে একটি পুকুর ছিলো। গত বছর বালু ফেলে ভরাট করে তাতে হাজী আজিজ সুপার মার্কেট নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। তিন তলা ফাউন্ডেশন মার্কেটটির নিচ তলার কাজ সম্পন্নে তোড়জোড় চলছে। শতাধিক দোকান ভাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের জামানত। আজিজের একমাত্র ছেলে জাহাঙ্গীর আলম শহরের অন্যতম বড় গ্লাস ব্যবসায়ী। খাস জমি গ্রাসের উদ্দেশে বাবার নামে ডিমারকেশন করেছেন তিনি। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসএ শাখার ১৮১/২০১৮ নং সীমানা নির্ধারণ মামলা অনুযায়ী, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ৭৭ শতাংশ জমি খাস হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর খালি ৭০ শতাংশ জমি দেখানো হয়েছে জোত হিসেবে। অর্থাৎ ৭৭ শতাংশ জমি আগে থেকেই তাদের ভোগদখলে। অবশিষ্ট ৭০ শতাংশে মার্কেট নির্মাণের ফলে পুরো সরকারি জমি বেহাত হয়ে গেল। শিল্প কারখানা অধ্যুষিত ওই এলাকায় বিঘাপ্রতি জমির বর্তমান বাজারমূল্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকা। সে হিসাবে দখলীয় জমির মূল্য দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ওয়াকিবহাল সূত্র জানায়, তঞ্চকতাপূর্ণ ডিমারকেশনটিতে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। সন্দেহের অগ্রভাগে থাকা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম বর্তমানে এলএ শাখায় কর্মরত। একাধিক ভূমি কর্মকর্তা বলেছেন, পার্ট দাগে ডিমারকেশনের সময় সরকারের স্বার্থে রাস্তা সংলগ্ন অংশ অগ্রাধিকার পায়। দখলীয় অংশকে খাস দেখিয়ে খালি অংশ দখলদারের হাতে তুলে দেওয়া গুরুতর অপরাধ। এ ছাড়া খাস জমি ওয়াকফ বা দান করার এখতিয়ার কোন ব্যক্তির নেই। আগের ভোগদখলীয় অংশই জোত হিসেবে পরিগণিত হবে। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের আমলে ওই ডিমারকেশনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাই বর্তমান কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে এগোতে চাইছেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে।

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

জাঙ্গালিয়াপাড়া এলাকার বাংলাবাজার রোডের উত্তর পাশে ১ নং খতিয়ানভুক্ত এসএ ৩০৪ ও আরএস ৬৫৩ নং পার্ট দাগে জমি ১৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারের জমি ৭৭ শতাংশ ও স্থানীয় আবদুল আজিজের নামে ৭০ শতাংশ।
আজিজ অনেক আগে থেকেই ৭৭ শতাংশের ভোগদখলীয় মালিক। সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক বাড়ি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল।
এ ছাড়া তিনি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দিয়েছেন সোয়া ১১ শতাংশ। স্কুলের পাশে তার দানকৃত পাঁচ শতাংশে নির্মাণ করা হয়েছে জাঙ্গালিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাবাজার রোড সংলগ্ন অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ জমির অর্ধেকেরও বেশি অংশে একটি পুকুর ছিলো। গত বছর বালু ফেলে ভরাট করে তাতে হাজী আজিজ সুপার মার্কেট নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। তিন তলা ফাউন্ডেশন মার্কেটটির নিচ তলার কাজ সম্পন্নে তোড়জোড় চলছে। শতাধিক দোকান ভাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের জামানত। আজিজের একমাত্র ছেলে জাহাঙ্গীর আলম শহরের অন্যতম বড় গ্লাস ব্যবসায়ী। খাস জমি গ্রাসের উদ্দেশে বাবার নামে ডিমারকেশন করেছেন তিনি। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসএ শাখার ১৮১/২০১৮ নং সীমানা নির্ধারণ মামলা অনুযায়ী, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ৭৭ শতাংশ জমি খাস হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর খালি ৭০ শতাংশ জমি দেখানো হয়েছে জোত হিসেবে। অর্থাৎ ৭৭ শতাংশ জমি আগে থেকেই তাদের ভোগদখলে। অবশিষ্ট ৭০ শতাংশে মার্কেট নির্মাণের ফলে পুরো সরকারি জমি বেহাত হয়ে গেল। শিল্প কারখানা অধ্যুষিত ওই এলাকায় বিঘাপ্রতি জমির বর্তমান বাজারমূল্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকা। সে হিসাবে দখলীয় জমির মূল্য দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ওয়াকিবহাল সূত্র জানায়, তঞ্চকতাপূর্ণ ডিমারকেশনটিতে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। সন্দেহের অগ্রভাগে থাকা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম বর্তমানে এলএ শাখায় কর্মরত। একাধিক ভূমি কর্মকর্তা বলেছেন, পার্ট দাগে ডিমারকেশনের সময় সরকারের স্বার্থে রাস্তা সংলগ্ন অংশ অগ্রাধিকার পায়। দখলীয় অংশকে খাস দেখিয়ে খালি অংশ দখলদারের হাতে তুলে দেওয়া গুরুতর অপরাধ। এ ছাড়া খাস জমি ওয়াকফ বা দান করার এখতিয়ার কোন ব্যক্তির নেই। আগের ভোগদখলীয় অংশই জোত হিসেবে পরিগণিত হবে। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের আমলে ওই ডিমারকেশনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাই বর্তমান কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে এগোতে চাইছেন না।