সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হচ্ছে আজ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২০ ২১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৬ সালে শুরু হয় দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গার নির্মাণ কাজ। অবশেষে নির্মাণ কাজ শেষে এক্সপ্রেসওয়েটির ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের ৫৫ কিলোমিটার অংশ খুলে দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা জানান, এক্সপ্রেসওয়েটিতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারবে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সে হিসেবে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ২৭ থেকে ৩০ মিনিট। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এক্সপ্রেসওয়েটির ভাঙ্গা অংশ পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হলে পরিপূর্ণ সুফল পাওয়া যাবে এ পথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা।

আধুনিক ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সমৃদ্ধ ৬ লেনের এ মহাসড়কটিতে স্থানীয়দের ব্যবহারের জন্য থাকছে ২ লেনের সার্ভিস রোড। এছাড়াও রয়েছে ৪টি করে ফ্লাইওভার, রেলওয়ে ওভারব্রিজ, বড় ব্রিজ এবং ১৯টি আন্ডারপাসসহ বিশ্বমানের সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এ হাইওয়েতে আগামী ২০ বছরের জন্য ক্রমবর্ধমান ট্রাফিকের পরিমাণ বিবেচনা করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ১১০০৩.৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে ২০১৬ সালে ৪টি জেলা– ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর এবং ফরিদপুরে এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করে এবং এটি নির্ধারিত সময়সীমার ৩ মাস আগে নির্মাণ কাজ শেষ করে। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২০ সালের ২০ জুন।

১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিববর্ষ উদযাপন শুরুর প্রাক্কালে এক্সপ্রেসওয়ে ট্রাফিকের জন্য উন্মুক্ত হতে চলেছে।

স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য এক্সপ্রেসওয়ের দু’পাশে দুটি পরিষেবা লেন রাখা হয়েছে যাতে দ্রুত যানবাহনগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় চলাচল করতে পারে এবং এইভাবে দীর্ঘপথের যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমে আসে।

এক্সপ্রেসওয়ের ৫টি ফ্লাইওভারের মধ্যে একটি ২.৩ কিলোমিটার কদমতলী-বাবুবাজার লিংক রোড ফ্লাইওভার রয়েছে। অন্য ৪টি ফ্লাইওভার হলো আবদুল্লাহপুর, শ্রীনগর, পুলিয়াবাজার এবং মালিগ্রামে।

৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে জুরাইন, কুচিয়ামোড়া, শ্রীনগর ও আতাদিতে চারটি রেলওয়ে ওভারব্রিজ রয়েছে এবং ৪টি বড় সেতু রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৩ মিটার ধলেশ্বরী- ১, ৫৯১ মিটার ধলেশ্বরী- ২, ৪৬৬ মিটার আড়িয়াল খান এবং ১৩৬ মিটার কুমার সেতু।

দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ১১ হাজার কোটি টাকা। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই এক্সপ্রেসওয়েতে আছে কালভার্ট, আন্ডারপাস, ৪টি বড় সেতু, ২৫ টি ছোট সেতু, ৫টি ফ্লাইওভার, ২টি ইন্টার চেন, ৪টি রেলওয়ে ওভার পাস। অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন একটি সড়ক। আমার মনে হয় এটি ইউরোপের অনেক দৃষ্টিনন্দন সড়ককেও হার মানাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হচ্ছে আজ।

আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :: ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৬ সালে শুরু হয় দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গার নির্মাণ কাজ। অবশেষে নির্মাণ কাজ শেষে এক্সপ্রেসওয়েটির ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের ৫৫ কিলোমিটার অংশ খুলে দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা জানান, এক্সপ্রেসওয়েটিতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারবে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সে হিসেবে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ২৭ থেকে ৩০ মিনিট। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এক্সপ্রেসওয়েটির ভাঙ্গা অংশ পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হলে পরিপূর্ণ সুফল পাওয়া যাবে এ পথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা।

আধুনিক ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সমৃদ্ধ ৬ লেনের এ মহাসড়কটিতে স্থানীয়দের ব্যবহারের জন্য থাকছে ২ লেনের সার্ভিস রোড। এছাড়াও রয়েছে ৪টি করে ফ্লাইওভার, রেলওয়ে ওভারব্রিজ, বড় ব্রিজ এবং ১৯টি আন্ডারপাসসহ বিশ্বমানের সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এ হাইওয়েতে আগামী ২০ বছরের জন্য ক্রমবর্ধমান ট্রাফিকের পরিমাণ বিবেচনা করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ১১০০৩.৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে ২০১৬ সালে ৪টি জেলা– ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর এবং ফরিদপুরে এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করে এবং এটি নির্ধারিত সময়সীমার ৩ মাস আগে নির্মাণ কাজ শেষ করে। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২০ সালের ২০ জুন।

১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিববর্ষ উদযাপন শুরুর প্রাক্কালে এক্সপ্রেসওয়ে ট্রাফিকের জন্য উন্মুক্ত হতে চলেছে।

স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য এক্সপ্রেসওয়ের দু’পাশে দুটি পরিষেবা লেন রাখা হয়েছে যাতে দ্রুত যানবাহনগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় চলাচল করতে পারে এবং এইভাবে দীর্ঘপথের যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমে আসে।

এক্সপ্রেসওয়ের ৫টি ফ্লাইওভারের মধ্যে একটি ২.৩ কিলোমিটার কদমতলী-বাবুবাজার লিংক রোড ফ্লাইওভার রয়েছে। অন্য ৪টি ফ্লাইওভার হলো আবদুল্লাহপুর, শ্রীনগর, পুলিয়াবাজার এবং মালিগ্রামে।

৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে জুরাইন, কুচিয়ামোড়া, শ্রীনগর ও আতাদিতে চারটি রেলওয়ে ওভারব্রিজ রয়েছে এবং ৪টি বড় সেতু রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৩ মিটার ধলেশ্বরী- ১, ৫৯১ মিটার ধলেশ্বরী- ২, ৪৬৬ মিটার আড়িয়াল খান এবং ১৩৬ মিটার কুমার সেতু।

দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ১১ হাজার কোটি টাকা। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই এক্সপ্রেসওয়েতে আছে কালভার্ট, আন্ডারপাস, ৪টি বড় সেতু, ২৫ টি ছোট সেতু, ৫টি ফ্লাইওভার, ২টি ইন্টার চেন, ৪টি রেলওয়ে ওভার পাস। অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন একটি সড়ক। আমার মনে হয় এটি ইউরোপের অনেক দৃষ্টিনন্দন সড়ককেও হার মানাবে।