সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২০ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন বর্ধিত ভবনে ১২৫ শয্যার করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে নতুন এই ইউনিটে চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকটের কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। এদিকে সম্ভাব্য করোনা থেকে রক্ষা পেতে বরিশালে মাস্কের ব্যবহার বেড়েছে। এ কারণে বরিশালের সার্জিক্যাল দোকানগুলো মাস্ক শূন্য হয়ে পড়েছে।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছুদিন আগেই হাসপাতালের মূল ভবনে ৫ শয্যার করোনা ইউনিট স্থাপন করে কর্তৃপক্ষ। নতুন করে করোনা ইউনিট আইসোলেটেড করার নির্দেশনা আসায় পুরনো ভবন থেকে করোনা ইউনিট সোমবার বেলা ১২টায় নতুন বর্ধিত ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
ইতিমধ্যে নতুন ওই ইউনিটে স্থাপন করা হয়েছে ভেল্টিলেশন মেশিনসহ যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক। প্রস্তুুত রাখা হয়েছে ৩০ জনের একটি নার্স টিম।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, নতুন ভবনে আড়াই শ’ শয্যা করার মতো স্থান রয়েছে। তবে আপাতত ১২৫টি শয্যা স্থাপন করা হচ্ছে। করোনা ইউনিটের জন্য স্থান এবং চিকিৎসা সামগ্রী থাকলেও চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির তীব্র জনবল সংকট রয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুরনো ৫শ’ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী এই হাসপাতালে ২২৪টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯৭ জন। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৪২৬ জন কর্মচারির বিপরীতে আছেন ৩০২জন।

এদিকে সম্ভাব্য করোনা থেকে রক্ষা পেতে বরিশালে মাস্ক এবং হ্যান্ডওয়াশের চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে সার্জিক্যাল দোকানগুলোতে মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক দোকানে মাস্ক নেই বললেই চলে।

নগরীর বগুড়া রোডের বরিশাল সার্জিক্যালের রতন চক্রবর্তী জানান, করোনা ভাইরাসের শুরু থেকেই মাস্কের ব্যবহার বেড়ে যায়। ইদানিং মাস্কের ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছে। ঢাকার মোকামে চাহিদাপত্র দিয়েও মাস্ক পাচ্ছেন না তারা। এ কারণে আপাতত মাস্ক নেই। বরিশালে ৮টি সার্জিক্যাল দোকান রয়েছে। এর কোনটিতেই মাস্ক নেই বলে জানান রতন চক্রবর্তী

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন বর্ধিত ভবনে ১২৫ শয্যার করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে নতুন এই ইউনিটে চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকটের কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। এদিকে সম্ভাব্য করোনা থেকে রক্ষা পেতে বরিশালে মাস্কের ব্যবহার বেড়েছে। এ কারণে বরিশালের সার্জিক্যাল দোকানগুলো মাস্ক শূন্য হয়ে পড়েছে।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছুদিন আগেই হাসপাতালের মূল ভবনে ৫ শয্যার করোনা ইউনিট স্থাপন করে কর্তৃপক্ষ। নতুন করে করোনা ইউনিট আইসোলেটেড করার নির্দেশনা আসায় পুরনো ভবন থেকে করোনা ইউনিট সোমবার বেলা ১২টায় নতুন বর্ধিত ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
ইতিমধ্যে নতুন ওই ইউনিটে স্থাপন করা হয়েছে ভেল্টিলেশন মেশিনসহ যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক। প্রস্তুুত রাখা হয়েছে ৩০ জনের একটি নার্স টিম।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, নতুন ভবনে আড়াই শ’ শয্যা করার মতো স্থান রয়েছে। তবে আপাতত ১২৫টি শয্যা স্থাপন করা হচ্ছে। করোনা ইউনিটের জন্য স্থান এবং চিকিৎসা সামগ্রী থাকলেও চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির তীব্র জনবল সংকট রয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুরনো ৫শ’ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী এই হাসপাতালে ২২৪টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯৭ জন। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৪২৬ জন কর্মচারির বিপরীতে আছেন ৩০২জন।

এদিকে সম্ভাব্য করোনা থেকে রক্ষা পেতে বরিশালে মাস্ক এবং হ্যান্ডওয়াশের চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে সার্জিক্যাল দোকানগুলোতে মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক দোকানে মাস্ক নেই বললেই চলে।

নগরীর বগুড়া রোডের বরিশাল সার্জিক্যালের রতন চক্রবর্তী জানান, করোনা ভাইরাসের শুরু থেকেই মাস্কের ব্যবহার বেড়ে যায়। ইদানিং মাস্কের ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছে। ঢাকার মোকামে চাহিদাপত্র দিয়েও মাস্ক পাচ্ছেন না তারা। এ কারণে আপাতত মাস্ক নেই। বরিশালে ৮টি সার্জিক্যাল দোকান রয়েছে। এর কোনটিতেই মাস্ক নেই বলে জানান রতন চক্রবর্তী