পরকীয়া প্রেমিকার বাসার টেংকিত বস্তাবন্দি মেলে তাঁর লাশ।
- আপডেট সময় : ০৪:২৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২০ ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:: নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর আল কাইয়ুম নিপুণ (৩৩) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যুবকের পরকীয়া প্রেমিকার সুমির বাসার টেংকিত মেলে তাঁর লাশ। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভাগ্যের পাড়া গ্রামের মোকারমের বাড়ির সেফটি ট্যাংকের ভিতর থেকে ওই যুবকের বস্তাবন্দি গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানা যায়, গত ৩ মার্চ সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় আল কাইয়ুম নিপুণ। নিহত কাইয়ুম নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার গোতাশিয়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তার বাবা বিদেশ থাকায় সে পরিবার নিয়ে নরসিংদীর ভেলানগর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতো।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত কাইয়ুমের সঙ্গে পলাশের ভাগ্যের পাড়া গ্রামের মোকারমের স্ত্রীর জেসমিন আক্তার সুমির পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। পরকীয়ার জেরে সুমীর শ্বশুর বাড়ির লোকজন কাইয়ুমকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বাড়ির পাশে সেফটি ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে। পরে পুলিশ ঘটনার পাঁচদিন পর সোমবার সন্ধ্যার দিকে নিহতের অর্ধগলিত বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের ভাই জাহিদুল ইসলাম অপু জানান, কাইয়ুম গত ৩ মার্চ সন্ধ্যায় বন্ধুর কাছে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরে তাকে না পেয়ে ৪ মার্চ নরসিংদী মডেল থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করি। জিডির সূত্রধরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আজ সোমবার সন্ধ্যায় নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ নেতৃত্বে পলাশ থানার ওসি শেখ মো. নাসির উদ্দিন ও নরসিংদী মডেল থানার ওসি সৈয়দুজ্জামানসহ পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহেদ আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, নিখোঁজের পর নিহতের মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্রধরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তে নামে পুলিশ। কল লিস্টে মোকারমের স্ত্রী সুমীর সঙ্গে একাধিক মোবাইল কলের যোগসূত্র পাওয়া যায়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমীকে আটক করা হয়। পরে সুমীর দেওয়া তথ্য মতে ওই বাড়ির সেফটি ট্যাংকের ভিতর থেকে কাইয়ুমের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সুমীসহ ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।


























