সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

টিস্যুবক্সে প্রিন্ট করে মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহার সমালোচনার মুখে পড়েছে মাউশি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২০ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:
সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে মুজিববর্ষ নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ থাকলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) টিস্যুবক্সে প্রিন্ট করে মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে। টিস্যুবক্সে বাংলাদেশের স্থপতির জন্মশতবার্ষিকীর লোগো ব্যবহারের সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাসছে। আর এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে মাউশি।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে টিস্যুবক্সগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। তবে মুজিববর্ষ ঘিরে বাড়াবাড়ি না করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন বলে সম্প্রতি জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এরই মধ্যে শিক্ষা অধিদপ্তরের টিস্যুবক্সে বঙ্গবন্ধুর লোগো ছাপা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা উপমন্ত্রী ফেসবুকে এ নিয়ে স্ট্যাটাসে লিখেছেন, মুজিববর্ষের লোগো অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যত্রতত্র প্রিন্ট করার একটি ঘটনা, যা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে হয়েছে, তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে এই প্রিন্টের বক্সগুলো বাজেয়াপ্ত করেছি এবং এর পিছনে কে সেটি জানাতে বলেছি। পরিকল্পিতভাবে এ কাজ করা হয়ে থাকলে অবশ্যই শাস্তি পেতেই হবে।

তিনি লেখেন, আমাদের সমাজ, প্রশাসন, রাজনীতিক পরিমণ্ডলের সবখানেই অবিবেচক আর অতিউৎসাহীর কোনো কমতি নেই। পাশাপাশি অপরাজনৈতিক শক্তির দোসররা তো আছেই! এরা চাইবে যে কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে, বিতর্ক সৃষ্টি করতে। এই চ্যালেঞ্জটি আমাদের আছেই। এই বিশাল প্রশাসনের কোথায় কে কোন বিতর্ক ঘটিয়ে ফেলেছে তা আগে থেকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তাই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আর ব্যবস্থা নিয়েই আমাদের এগোতে হবে।

‘সবার অবগতির জন্য আমরা জানাচ্ছি ‘মুজিববর্ষের’ আনুষ্ঠানিকতা কার্যক্রম, ইত্যাদির দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য একটি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি আছে। এর প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই কমিটি নির্দেশিত কাজের বাইরে কিছু করতে চাইলে আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন দুস্থ, গৃহহীন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কল্যাণমূলক কিছু করতে, যেমন তাদের জন্য গৃহনির্মাণ। এতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় তার সাধারণ মানুষের জন্য যেই সমান অধিকারের দেশ তিনি রেখে যেতে চেয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের পথে আমরা অনেক দূর এগোতে পারবো। সুতরাং, অতিউৎসাহীরা সাবধান!’

এ নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দপ্তরে যোগাযোগ করলে জানানো হয় তিনি ঢাকার বাইরে রয়েছেন। দপ্তর থেকে মাউশির উপপরিচালকের (সাধারণ প্রশাসন) সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

উপপরিচালক মো. রুহুল মমিন বলেন, অধিদপ্তর থেকে এরকম কোনো টিস্যুবক্স তৈরি কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। আমার ধারণা হয়তো কেউ সৌজন্য বা বিজ্ঞাপন আকারে দিয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি আমরা অবশ্যই দেখবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টিস্যুবক্সে প্রিন্ট করে মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহার সমালোচনার মুখে পড়েছে মাউশি

আপডেট সময় : ১০:১৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:
সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে মুজিববর্ষ নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ থাকলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) টিস্যুবক্সে প্রিন্ট করে মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে। টিস্যুবক্সে বাংলাদেশের স্থপতির জন্মশতবার্ষিকীর লোগো ব্যবহারের সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাসছে। আর এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে মাউশি।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে টিস্যুবক্সগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। তবে মুজিববর্ষ ঘিরে বাড়াবাড়ি না করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন বলে সম্প্রতি জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এরই মধ্যে শিক্ষা অধিদপ্তরের টিস্যুবক্সে বঙ্গবন্ধুর লোগো ছাপা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা উপমন্ত্রী ফেসবুকে এ নিয়ে স্ট্যাটাসে লিখেছেন, মুজিববর্ষের লোগো অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যত্রতত্র প্রিন্ট করার একটি ঘটনা, যা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে হয়েছে, তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে এই প্রিন্টের বক্সগুলো বাজেয়াপ্ত করেছি এবং এর পিছনে কে সেটি জানাতে বলেছি। পরিকল্পিতভাবে এ কাজ করা হয়ে থাকলে অবশ্যই শাস্তি পেতেই হবে।

তিনি লেখেন, আমাদের সমাজ, প্রশাসন, রাজনীতিক পরিমণ্ডলের সবখানেই অবিবেচক আর অতিউৎসাহীর কোনো কমতি নেই। পাশাপাশি অপরাজনৈতিক শক্তির দোসররা তো আছেই! এরা চাইবে যে কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে, বিতর্ক সৃষ্টি করতে। এই চ্যালেঞ্জটি আমাদের আছেই। এই বিশাল প্রশাসনের কোথায় কে কোন বিতর্ক ঘটিয়ে ফেলেছে তা আগে থেকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তাই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আর ব্যবস্থা নিয়েই আমাদের এগোতে হবে।

‘সবার অবগতির জন্য আমরা জানাচ্ছি ‘মুজিববর্ষের’ আনুষ্ঠানিকতা কার্যক্রম, ইত্যাদির দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য একটি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি আছে। এর প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই কমিটি নির্দেশিত কাজের বাইরে কিছু করতে চাইলে আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন দুস্থ, গৃহহীন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কল্যাণমূলক কিছু করতে, যেমন তাদের জন্য গৃহনির্মাণ। এতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় তার সাধারণ মানুষের জন্য যেই সমান অধিকারের দেশ তিনি রেখে যেতে চেয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের পথে আমরা অনেক দূর এগোতে পারবো। সুতরাং, অতিউৎসাহীরা সাবধান!’

এ নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দপ্তরে যোগাযোগ করলে জানানো হয় তিনি ঢাকার বাইরে রয়েছেন। দপ্তর থেকে মাউশির উপপরিচালকের (সাধারণ প্রশাসন) সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

উপপরিচালক মো. রুহুল মমিন বলেন, অধিদপ্তর থেকে এরকম কোনো টিস্যুবক্স তৈরি কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। আমার ধারণা হয়তো কেউ সৌজন্য বা বিজ্ঞাপন আকারে দিয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি আমরা অবশ্যই দেখবো।