সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

সোর্স শহীদের অপরাধ পাহাড় সমান, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন ও পুলিশ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোহরাব হোসেনঃ রাজধানীর বনানী থানার পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কথিত সোর্স শহীদ সিমাহীন চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের কথিত সোর্স শহীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় ওসি ও এসআইসহ বনানী থানার পুলিশও বিব্রত অবস্থায় রয়েছে বলে একাধিক পুলিশ নিশ্চিত করেছে। সূএ বলছে, বনানী থানার কিছু অসাধু পুলিশের শেল্টারে শহীদ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে বনানী, গোডাউন বস্তি, কড়াইল বস্তি, মহাখালী ও চেয়ারম্যানবাড়ী এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, পতিতালয়, জুয়ার আসর, চোরাই তেলকারবারী, ফুটপাত, ভাসমান হকার, হিজড়াদের চাঁদাবাজি, অন্যায়ভাবে মামলা দেয়া, আসামি ধরা, আসামি ছাড়াসহ অনেক অবৈধ কর্মকান্ডই সোর্স শহীদের ইশারায় করা হয়।

বিভিন্ন ক্রাইম জোন থেকে মাসোহারা, টাকার বিনিময়ে এলাকার লোকজনকে গ্রেফতার করিয়ে নির্যাতন, সাধারণ মানুষকে হয়রানী, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে। এলাকার লোকজন কথিত সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় কাউন্সিলর, ওসি, এসি ও পুলিশ কমিশানারের কাছে অভিযোগ করলেও এছাড়া বিভিন্ন পএিকার পাতায় শহীদের অপরাধের কথা উঠে আসলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৫ সালে বনানী আমতলী ২নং রোডের হিন্দুপাড়া বস্তি থেকে অবৈধ পিস্তল, গুলি ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ শহীদকে গ্রেফতার করেছিল র্যব-১। এই মামলায় সাজা খেটে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। বনানী-গুলশান থানা পুলিশের ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার হিসেবেও কাজ করেছে শহীদ। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে বনানী গোডাউন বস্তিতে বেশকিছু ঘরও দখল করে নিয়েছেন তিনি। পরিবার নিয়ে এই বস্তিতেই বসবাস করেন। সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদক ব্যবসা করেন পুলিশের সহযোগিতায়। সোর্স শহীদের ঘরে প্রতিদিন মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। তারা এখানে মাদক সেবন ও অবৈধ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সোর্স শহীদের অপরাধ পাহাড় সমান, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন ও পুলিশ!

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০

সোহরাব হোসেনঃ রাজধানীর বনানী থানার পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কথিত সোর্স শহীদ সিমাহীন চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের কথিত সোর্স শহীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় ওসি ও এসআইসহ বনানী থানার পুলিশও বিব্রত অবস্থায় রয়েছে বলে একাধিক পুলিশ নিশ্চিত করেছে। সূএ বলছে, বনানী থানার কিছু অসাধু পুলিশের শেল্টারে শহীদ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে বনানী, গোডাউন বস্তি, কড়াইল বস্তি, মহাখালী ও চেয়ারম্যানবাড়ী এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, পতিতালয়, জুয়ার আসর, চোরাই তেলকারবারী, ফুটপাত, ভাসমান হকার, হিজড়াদের চাঁদাবাজি, অন্যায়ভাবে মামলা দেয়া, আসামি ধরা, আসামি ছাড়াসহ অনেক অবৈধ কর্মকান্ডই সোর্স শহীদের ইশারায় করা হয়।

বিভিন্ন ক্রাইম জোন থেকে মাসোহারা, টাকার বিনিময়ে এলাকার লোকজনকে গ্রেফতার করিয়ে নির্যাতন, সাধারণ মানুষকে হয়রানী, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে। এলাকার লোকজন কথিত সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় কাউন্সিলর, ওসি, এসি ও পুলিশ কমিশানারের কাছে অভিযোগ করলেও এছাড়া বিভিন্ন পএিকার পাতায় শহীদের অপরাধের কথা উঠে আসলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৫ সালে বনানী আমতলী ২নং রোডের হিন্দুপাড়া বস্তি থেকে অবৈধ পিস্তল, গুলি ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ শহীদকে গ্রেফতার করেছিল র্যব-১। এই মামলায় সাজা খেটে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। বনানী-গুলশান থানা পুলিশের ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার হিসেবেও কাজ করেছে শহীদ। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে বনানী গোডাউন বস্তিতে বেশকিছু ঘরও দখল করে নিয়েছেন তিনি। পরিবার নিয়ে এই বস্তিতেই বসবাস করেন। সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদক ব্যবসা করেন পুলিশের সহযোগিতায়। সোর্স শহীদের ঘরে প্রতিদিন মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। তারা এখানে মাদক সেবন ও অবৈধ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।