সংবাদ শিরোনাম ::
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে গুলি করে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয় নগরে ১২২ কেজি গাজা সহ গ্রেপ্তারে ১জন চুয়াডাঙ্গা গার্লস স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তের মাঝপথে ভর্তি জালিয়াতি, স্বাক্ষর জালসহ নানা অপকর্মের হোতা অফিস সহায়ক আটক রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত

সোর্স শহীদের অপরাধ পাহাড় সমান, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন ও পুলিশ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০ ২০০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোহরাব হোসেনঃ রাজধানীর বনানী থানার পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কথিত সোর্স শহীদ সিমাহীন চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের কথিত সোর্স শহীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় ওসি ও এসআইসহ বনানী থানার পুলিশও বিব্রত অবস্থায় রয়েছে বলে একাধিক পুলিশ নিশ্চিত করেছে। সূএ বলছে, বনানী থানার কিছু অসাধু পুলিশের শেল্টারে শহীদ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে বনানী, গোডাউন বস্তি, কড়াইল বস্তি, মহাখালী ও চেয়ারম্যানবাড়ী এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, পতিতালয়, জুয়ার আসর, চোরাই তেলকারবারী, ফুটপাত, ভাসমান হকার, হিজড়াদের চাঁদাবাজি, অন্যায়ভাবে মামলা দেয়া, আসামি ধরা, আসামি ছাড়াসহ অনেক অবৈধ কর্মকান্ডই সোর্স শহীদের ইশারায় করা হয়।

বিভিন্ন ক্রাইম জোন থেকে মাসোহারা, টাকার বিনিময়ে এলাকার লোকজনকে গ্রেফতার করিয়ে নির্যাতন, সাধারণ মানুষকে হয়রানী, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে। এলাকার লোকজন কথিত সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় কাউন্সিলর, ওসি, এসি ও পুলিশ কমিশানারের কাছে অভিযোগ করলেও এছাড়া বিভিন্ন পএিকার পাতায় শহীদের অপরাধের কথা উঠে আসলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৫ সালে বনানী আমতলী ২নং রোডের হিন্দুপাড়া বস্তি থেকে অবৈধ পিস্তল, গুলি ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ শহীদকে গ্রেফতার করেছিল র্যব-১। এই মামলায় সাজা খেটে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। বনানী-গুলশান থানা পুলিশের ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার হিসেবেও কাজ করেছে শহীদ। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে বনানী গোডাউন বস্তিতে বেশকিছু ঘরও দখল করে নিয়েছেন তিনি। পরিবার নিয়ে এই বস্তিতেই বসবাস করেন। সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদক ব্যবসা করেন পুলিশের সহযোগিতায়। সোর্স শহীদের ঘরে প্রতিদিন মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। তারা এখানে মাদক সেবন ও অবৈধ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সোর্স শহীদের অপরাধ পাহাড় সমান, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন ও পুলিশ!

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০

সোহরাব হোসেনঃ রাজধানীর বনানী থানার পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কথিত সোর্স শহীদ সিমাহীন চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের কথিত সোর্স শহীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় ওসি ও এসআইসহ বনানী থানার পুলিশও বিব্রত অবস্থায় রয়েছে বলে একাধিক পুলিশ নিশ্চিত করেছে। সূএ বলছে, বনানী থানার কিছু অসাধু পুলিশের শেল্টারে শহীদ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে বনানী, গোডাউন বস্তি, কড়াইল বস্তি, মহাখালী ও চেয়ারম্যানবাড়ী এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, পতিতালয়, জুয়ার আসর, চোরাই তেলকারবারী, ফুটপাত, ভাসমান হকার, হিজড়াদের চাঁদাবাজি, অন্যায়ভাবে মামলা দেয়া, আসামি ধরা, আসামি ছাড়াসহ অনেক অবৈধ কর্মকান্ডই সোর্স শহীদের ইশারায় করা হয়।

বিভিন্ন ক্রাইম জোন থেকে মাসোহারা, টাকার বিনিময়ে এলাকার লোকজনকে গ্রেফতার করিয়ে নির্যাতন, সাধারণ মানুষকে হয়রানী, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে। এলাকার লোকজন কথিত সোর্স শহীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় কাউন্সিলর, ওসি, এসি ও পুলিশ কমিশানারের কাছে অভিযোগ করলেও এছাড়া বিভিন্ন পএিকার পাতায় শহীদের অপরাধের কথা উঠে আসলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৫ সালে বনানী আমতলী ২নং রোডের হিন্দুপাড়া বস্তি থেকে অবৈধ পিস্তল, গুলি ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ শহীদকে গ্রেফতার করেছিল র্যব-১। এই মামলায় সাজা খেটে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। বনানী-গুলশান থানা পুলিশের ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার হিসেবেও কাজ করেছে শহীদ। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে বনানী গোডাউন বস্তিতে বেশকিছু ঘরও দখল করে নিয়েছেন তিনি। পরিবার নিয়ে এই বস্তিতেই বসবাস করেন। সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদক ব্যবসা করেন পুলিশের সহযোগিতায়। সোর্স শহীদের ঘরে প্রতিদিন মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। তারা এখানে মাদক সেবন ও অবৈধ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।