সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

স্কুলের পিয়ন হয়েও নবম শ্রেণির ক্লাস নিলেন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: স্কুলের পিয়ন হয়েও নবম শ্রেণির ক্লাস নিলেন। তাও আবার পদার্থবিজ্ঞান ও অঙ্কের ক্লাস। শুনে নিশ্চয় অবাক হচ্ছেন। বাস্তবে এমনটাই হয়েছে ভারতের হরিয়ানায় অম্বালার কাছে মাজরি গ্রামের গভর্নমেন্ট সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে।
জানা গেছে, ৪০০ জন শিক্ষার্থীর ১৯ জন শিক্ষকের স্কুলে পিয়ন কমল সিংহ একদিন দেখেন, বেশির ভাগ শিক্ষকই সেদিন স্কুলে আসেননি। তারমধ্যে অঙ্কের শিক্ষক একজন তিনিও সেদিন আসেননি। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস বন্ধ ছিল। বিষয়টা তার ভাল লাগেনি। তারপর সোজা চলে যান স্কুলের প্রিন্সিপালের কাছে। জানান, নবম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ও অঙ্ক ক্লাস সে দিনের জন্য তিনি করাতে চান।

কমলের কথা শুনে ও পরিস্থিতি বিচার করে বাধা দেননি প্রিন্সিপাল। পেশায় পিয়ন হলেও কমল যে পড়াশোনায় মেধাবী ও পদার্থবিজ্ঞানে এমএসসি পাস, তা জানতেন প্রিন্সিপাল। এরপরে নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা ‘কমল স্যার’-এর ক্লাস করে এতই খুশি হয় যে, এ বার তারাই প্রিন্সিপালের কাছে কমল সিংহেক দিয়ে ক্লাস করানোর আবেদন জানায়।

কমলকে আবার সুযোগ দেন প্রিন্সিপাল। দশম শ্রেণির ক্লাসে নিজে হাজির থাকেন। কমলের পড়ানোর দক্ষতা ও বিষয়ের প্রতি জ্ঞান দেখে অবাক প্রিন্সিপাল। কিছুদিন পরে বিদ্যালয়ের একমাত্র অঙ্কের শিক্ষক কাজে যোগ দেন। এর আগে ভোটের কাজ, খাতা দেখা, বোর্ডের পরীক্ষার খাতা দেখার সঙ্গে একাই এক সপ্তাহে প্রায় ৫৪টা ক্লাস করাতেন কমল। কমলের চাপ খানিকটা কমানোর চেষ্টা করেন প্রিন্সিপাল। সপ্তাহে ১৭-১৮টা ক্লাসের ভার দেন কমলকে।

হরিয়ানার শিক্ষামন্ত্রী কনওয়ার পাল গুজ্জ জানান, উচ্চ শিক্ষিতদের মাত্র ১০-১২ শতাংশই এমন পদে চাকরি করেন। তবে তারা কিছু দিন কাজের পর উচ্চপদস্থ চাকরি পেয়ে যান। কিন্তু কমল এখনো তেমন কোনো চাকরি পাননি বলে তার বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্কুলের পিয়ন হয়েও নবম শ্রেণির ক্লাস নিলেন।

আপডেট সময় : ১২:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: স্কুলের পিয়ন হয়েও নবম শ্রেণির ক্লাস নিলেন। তাও আবার পদার্থবিজ্ঞান ও অঙ্কের ক্লাস। শুনে নিশ্চয় অবাক হচ্ছেন। বাস্তবে এমনটাই হয়েছে ভারতের হরিয়ানায় অম্বালার কাছে মাজরি গ্রামের গভর্নমেন্ট সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে।
জানা গেছে, ৪০০ জন শিক্ষার্থীর ১৯ জন শিক্ষকের স্কুলে পিয়ন কমল সিংহ একদিন দেখেন, বেশির ভাগ শিক্ষকই সেদিন স্কুলে আসেননি। তারমধ্যে অঙ্কের শিক্ষক একজন তিনিও সেদিন আসেননি। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস বন্ধ ছিল। বিষয়টা তার ভাল লাগেনি। তারপর সোজা চলে যান স্কুলের প্রিন্সিপালের কাছে। জানান, নবম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ও অঙ্ক ক্লাস সে দিনের জন্য তিনি করাতে চান।

কমলের কথা শুনে ও পরিস্থিতি বিচার করে বাধা দেননি প্রিন্সিপাল। পেশায় পিয়ন হলেও কমল যে পড়াশোনায় মেধাবী ও পদার্থবিজ্ঞানে এমএসসি পাস, তা জানতেন প্রিন্সিপাল। এরপরে নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা ‘কমল স্যার’-এর ক্লাস করে এতই খুশি হয় যে, এ বার তারাই প্রিন্সিপালের কাছে কমল সিংহেক দিয়ে ক্লাস করানোর আবেদন জানায়।

কমলকে আবার সুযোগ দেন প্রিন্সিপাল। দশম শ্রেণির ক্লাসে নিজে হাজির থাকেন। কমলের পড়ানোর দক্ষতা ও বিষয়ের প্রতি জ্ঞান দেখে অবাক প্রিন্সিপাল। কিছুদিন পরে বিদ্যালয়ের একমাত্র অঙ্কের শিক্ষক কাজে যোগ দেন। এর আগে ভোটের কাজ, খাতা দেখা, বোর্ডের পরীক্ষার খাতা দেখার সঙ্গে একাই এক সপ্তাহে প্রায় ৫৪টা ক্লাস করাতেন কমল। কমলের চাপ খানিকটা কমানোর চেষ্টা করেন প্রিন্সিপাল। সপ্তাহে ১৭-১৮টা ক্লাসের ভার দেন কমলকে।

হরিয়ানার শিক্ষামন্ত্রী কনওয়ার পাল গুজ্জ জানান, উচ্চ শিক্ষিতদের মাত্র ১০-১২ শতাংশই এমন পদে চাকরি করেন। তবে তারা কিছু দিন কাজের পর উচ্চপদস্থ চাকরি পেয়ে যান। কিন্তু কমল এখনো তেমন কোনো চাকরি পাননি বলে তার বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।