সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ভ্যালেন্টাইন ডে ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষ্যে বরিশালে অন্য সব বছরগুলোর চেয়ে কয়েক গুন ফুল বেশি বিক্রি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২১৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক:: আজ ভ্যালেন্টাইন ডে কিংবা বিশ্ব ভালবাসা দিবস। ভালবাসা দিবসের দিনে বছর শুক্রবার একই দিনে পহেলা ফাল্গুন। আর যে কারনে এবছর একটু ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে এ দিবসে। শহরের ফুলের দোকান গুলোতে ছেয়ে গেছে ভ্যালেন্টাইনের ফুলে।

ভ্যালেন্টাইন ডে ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষ্যে বরিশালে অন্য সব বছরগুলোর চেয়ে কয়েক গুন ফুল বেশি বিক্রি হচ্ছে। দাম বেশী হলেও প্রিয়জনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে কার্পণ্য নেই কাছের মানুষের। বিশেষ করে প্রেমিক জুটির। দিবসটি উপলক্ষে মাস খানেক আগে থেকেই চাহিদা অনুযায়ী ফুলের অর্ডার দেওয়া দেয় শহরের দোকানগুলো। তবে অন্য বছরের তুলনায় এবার কয়েকটি প্রাকৃতিক জলোচ্ছাস ও পাতা পঁচা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় ফুলের দামটা একটু বেশী বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মৌসুমের ৫ টাকার গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা এক একটি। জারভারা, গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা, গ্যালোডি, সিপসী ও রজনী ফুলটাই বেশী বিক্রি হয়। আর তাও ৩০/৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পুষ্প কুঞ্জের সত্বাধীকারী মো. সজল হাওলাদার জানান, অন্য সময়ের চেয়ে চাহিদা বেশি থাকায় বেশি দামেই আমাদের ফুল কিনতে হয়েছে। তার উপরে আবার ফুল ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় দামটা কয়েক গুন হয়েছে।

কামিনী পুষ্ট কুঞ্জ এর মালিক হাসান মল্লিক জানা, দাম বেশি থাকায় আমরাও সন্তুষ্ট নই। তবুও ক্রেতারাদের ভিড় পড়ে গেছে। আমারা চেষ্টা করছি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ফুল বিক্রি করতে। কয়েকজন অব্যবসায়ী লোক এই ব্যবসায় ঢুকে মৌসুমে ফুল বিক্রি করার পূর্বেই বেশি দামে ফুল কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে। আমাদের তাদের কাছ থেকে ফুল কিনে বিক্রি করতে হয়। সরাসরি বাগান মালিক থেকে ফুল কিনতে পারলে এত বেশি দাম দিয়ে কিনতে হতনা, বলেন তিনি।

রিয়া ফুলঘরের সত্বাধীকারী মো. জহির জানান, ফুলের সব চেয়ে বড় মৌসুম এটি। এই মৌসুমে একটি চক্র দাদন দিয়ে ফুল স্টক করে রাখে। তাদের নিকট থেকে চড়া দামে ফুল কিনে বিক্রি করতে হয়। তাই অন্য সময়ের চেয়ে এই সময়ে দামটা বেশি হয়। প্রায় ২০/২৫ হাজার টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এক মাত্র যশোহরেই ফুল বানিজ্যিকভাবে বিক্রি হয়। তাই তারা এক টাকার মাল ৫ টাকায় বিক্রি করে।

তবুও উৎসবকে ঘিরে ফুলের ব্যপক কদর। দোকানে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় পড়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভ্যালেন্টাইন ডে ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষ্যে বরিশালে অন্য সব বছরগুলোর চেয়ে কয়েক গুন ফুল বেশি বিক্রি

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেস্ক:: আজ ভ্যালেন্টাইন ডে কিংবা বিশ্ব ভালবাসা দিবস। ভালবাসা দিবসের দিনে বছর শুক্রবার একই দিনে পহেলা ফাল্গুন। আর যে কারনে এবছর একটু ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে এ দিবসে। শহরের ফুলের দোকান গুলোতে ছেয়ে গেছে ভ্যালেন্টাইনের ফুলে।

ভ্যালেন্টাইন ডে ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষ্যে বরিশালে অন্য সব বছরগুলোর চেয়ে কয়েক গুন ফুল বেশি বিক্রি হচ্ছে। দাম বেশী হলেও প্রিয়জনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে কার্পণ্য নেই কাছের মানুষের। বিশেষ করে প্রেমিক জুটির। দিবসটি উপলক্ষে মাস খানেক আগে থেকেই চাহিদা অনুযায়ী ফুলের অর্ডার দেওয়া দেয় শহরের দোকানগুলো। তবে অন্য বছরের তুলনায় এবার কয়েকটি প্রাকৃতিক জলোচ্ছাস ও পাতা পঁচা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় ফুলের দামটা একটু বেশী বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মৌসুমের ৫ টাকার গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা এক একটি। জারভারা, গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা, গ্যালোডি, সিপসী ও রজনী ফুলটাই বেশী বিক্রি হয়। আর তাও ৩০/৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পুষ্প কুঞ্জের সত্বাধীকারী মো. সজল হাওলাদার জানান, অন্য সময়ের চেয়ে চাহিদা বেশি থাকায় বেশি দামেই আমাদের ফুল কিনতে হয়েছে। তার উপরে আবার ফুল ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় দামটা কয়েক গুন হয়েছে।

কামিনী পুষ্ট কুঞ্জ এর মালিক হাসান মল্লিক জানা, দাম বেশি থাকায় আমরাও সন্তুষ্ট নই। তবুও ক্রেতারাদের ভিড় পড়ে গেছে। আমারা চেষ্টা করছি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ফুল বিক্রি করতে। কয়েকজন অব্যবসায়ী লোক এই ব্যবসায় ঢুকে মৌসুমে ফুল বিক্রি করার পূর্বেই বেশি দামে ফুল কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে। আমাদের তাদের কাছ থেকে ফুল কিনে বিক্রি করতে হয়। সরাসরি বাগান মালিক থেকে ফুল কিনতে পারলে এত বেশি দাম দিয়ে কিনতে হতনা, বলেন তিনি।

রিয়া ফুলঘরের সত্বাধীকারী মো. জহির জানান, ফুলের সব চেয়ে বড় মৌসুম এটি। এই মৌসুমে একটি চক্র দাদন দিয়ে ফুল স্টক করে রাখে। তাদের নিকট থেকে চড়া দামে ফুল কিনে বিক্রি করতে হয়। তাই অন্য সময়ের চেয়ে এই সময়ে দামটা বেশি হয়। প্রায় ২০/২৫ হাজার টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এক মাত্র যশোহরেই ফুল বানিজ্যিকভাবে বিক্রি হয়। তাই তারা এক টাকার মাল ৫ টাকায় বিক্রি করে।

তবুও উৎসবকে ঘিরে ফুলের ব্যপক কদর। দোকানে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় পড়ে গেছে।