সংবাদ শিরোনাম ::
রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ সেজে সিগন্যাল দিয়ে গাড়ি থামিয়ে ছিনতাই আটক ৪

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: গায়ে পুলিশের জ্যাকেট। সড়কে বসায় চেকপোস্ট। পরে পুলিশ সেজে সিগন্যাল দিয়ে গাড়ি থামিয়ে ছিনতাই শুরু করে একটি চক্র। অবশেষে বিষয়টি টের পেয়ে চারজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ও একটি পুলিশের জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে তাদের সাংবাদিকদের সামনে হাজির করে রাজশাহীর পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর দুপুরেই আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ পরিচয়ে আটক চার ছিনতাইকারী হলেন- রাজশাহী মহানগরীর কাটাখালি থানার সুচারণ এলাকার আবদুল মতিনের ছেলে রুহুল আমিন, একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে সাগর হোসেন, মোকবুল হোসেনের ছেলে নিলয় এবং রূপসিডাঙ্গা এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে প্রাবণ হোসেন।

রাজশাহীর কাটাখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, ঘটনাটি শুক্রবার সন্ধ্যার। ওই দিন সন্ধ্যায় শহর থেকে চার বন্ধুকে নিয়ে এক যুবক কাটাখালির সুচারণ এলাকায় যান। সেখানে তার খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় রুহুল আমিনের সঙ্গে ওই পাঁচ যুবকের পরিচয় হয়। পরে তারা খেজুরের রস পান করার উদ্দেশে গাড়ি নিয়ে রুহুলের সঙ্গেই পাশের এক বাগানে যান। কিন্তু রস পানের সময় নিলয়, শ্রাবণ ও সাগর সেখানে গিয়ে হাজির হন।

তাদের মধ্যে একজন পুলিশের জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন। ওই চারজন নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেন। এরপর ওই পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে রস পানের অভিযোগ এনে তাদের আটক করেন। এ সময় প্রত্যেকের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। আটকের সময় ওই পাঁচ যুবক জানতে চান ওই পুলিশ সদস্যরা মহানগরীর কোন থানার। এতে পুলিশ পরিচয় দেওয়া চার ছিনতাইকারী আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাদের মারধর করেন।

ওসি জানান, এর পর ‘স্যারকে’ ডাকতে এবং পিকআপ আনার কথা বলে রুহুল ছাড়া অন্য তিন ছিনতাইকারী সটকে পড়েন। এ সময় ওই পাঁচ যুবকের সন্দেহ হয় যে তারা পুলিশ নন। তারা পুলিশ রুহুলকে ধরে কাটাখালি থানায় নিয়ে যান। এ সময় সত্যতা বেরিয়ে আসে।

ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল স্বীকার করে যে তারা পুলিশ সেজে ছিনতাই করে থাকে। পরে রুহুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জনগণের সহায়তায় এক এক করে অন্য তিন ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।

এ সময় ছিনতাই করা পাঁচটি মোবাইল ও পুলিশের একটি জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পাঁচজনের একজন মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার দুপুরে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি জিল্লুর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ সেজে সিগন্যাল দিয়ে গাড়ি থামিয়ে ছিনতাই আটক ৪

আপডেট সময় : ০৭:১৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: গায়ে পুলিশের জ্যাকেট। সড়কে বসায় চেকপোস্ট। পরে পুলিশ সেজে সিগন্যাল দিয়ে গাড়ি থামিয়ে ছিনতাই শুরু করে একটি চক্র। অবশেষে বিষয়টি টের পেয়ে চারজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ও একটি পুলিশের জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে তাদের সাংবাদিকদের সামনে হাজির করে রাজশাহীর পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর দুপুরেই আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ পরিচয়ে আটক চার ছিনতাইকারী হলেন- রাজশাহী মহানগরীর কাটাখালি থানার সুচারণ এলাকার আবদুল মতিনের ছেলে রুহুল আমিন, একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে সাগর হোসেন, মোকবুল হোসেনের ছেলে নিলয় এবং রূপসিডাঙ্গা এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে প্রাবণ হোসেন।

রাজশাহীর কাটাখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, ঘটনাটি শুক্রবার সন্ধ্যার। ওই দিন সন্ধ্যায় শহর থেকে চার বন্ধুকে নিয়ে এক যুবক কাটাখালির সুচারণ এলাকায় যান। সেখানে তার খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় রুহুল আমিনের সঙ্গে ওই পাঁচ যুবকের পরিচয় হয়। পরে তারা খেজুরের রস পান করার উদ্দেশে গাড়ি নিয়ে রুহুলের সঙ্গেই পাশের এক বাগানে যান। কিন্তু রস পানের সময় নিলয়, শ্রাবণ ও সাগর সেখানে গিয়ে হাজির হন।

তাদের মধ্যে একজন পুলিশের জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন। ওই চারজন নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেন। এরপর ওই পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে রস পানের অভিযোগ এনে তাদের আটক করেন। এ সময় প্রত্যেকের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। আটকের সময় ওই পাঁচ যুবক জানতে চান ওই পুলিশ সদস্যরা মহানগরীর কোন থানার। এতে পুলিশ পরিচয় দেওয়া চার ছিনতাইকারী আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাদের মারধর করেন।

ওসি জানান, এর পর ‘স্যারকে’ ডাকতে এবং পিকআপ আনার কথা বলে রুহুল ছাড়া অন্য তিন ছিনতাইকারী সটকে পড়েন। এ সময় ওই পাঁচ যুবকের সন্দেহ হয় যে তারা পুলিশ নন। তারা পুলিশ রুহুলকে ধরে কাটাখালি থানায় নিয়ে যান। এ সময় সত্যতা বেরিয়ে আসে।

ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল স্বীকার করে যে তারা পুলিশ সেজে ছিনতাই করে থাকে। পরে রুহুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জনগণের সহায়তায় এক এক করে অন্য তিন ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।

এ সময় ছিনতাই করা পাঁচটি মোবাইল ও পুলিশের একটি জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পাঁচজনের একজন মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার দুপুরে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি জিল্লুর।