সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মাকে গলা কেটে খুন করে ঠান্ডা মাথায় প্রেমিককে নিয়ে ফুর্তি করে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ৩২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: ছুরি দিয়ে মাকে গলা কেটে খুন করেছেন মেয়ে। আর রডের বাড়ি মেরে রক্তাক্ত করলেন ভাইকে । এরপর মায়ের মরদেহ আর আহত ভাইকে বাড়িতে ফেলে রেখেই ঠান্ডা মাথায় প্রেমিককে নিয়ে উঠে পড়েন আন্দামানগামী বিমানে। পরে ওই তরুণী ও তার পুরুষসঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিন্তু এমন ঘটনায় হতভম্ব হয়ে গেছেন পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, অভিযুক্ত অমৃতা চন্দ্রশেখর (৩৩) একজন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। তিনি ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের বাসিন্দা।

তার ভাই হরিশ জানান, অমৃতা বাড়িতে জানিয়েছিলেন, তাকে হায়দরাবাদে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁকে চলে যেতে হবে। এরপর গত সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে নাগাদ তিনি তার দিদিকে নিজের জামা কাপড় গোছগাছ করতে দেখেন। হরিশ তাকে সাহায্য করতে চাইলেও রাজি হননি অমৃতা। এরপরই ছোট ভাই হরিশের উপর রড নিয়ে চড়াও হন অমৃতা। হরিশের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন তাদের মা-ও। তখন ভাইকে ছেড়ে ছুরি হাতে মায়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন অমৃতা। ছুরির আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যান মা। এরপর তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান অমৃতা।

হরিশ আরও জানান, অমৃতার ছেলেবন্ধু শ্রীধর রাও তখন রাস্তায় মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। তার মোটরসাইকেলে চড়েই চম্পট দেন দুজনে। হরিশ জখম অবস্থাতেই আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত মা-কে বাঁচাতে পারেননি তিনি।

খবর পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। অমৃতা ও তাঁর পুরুষসঙ্গী শ্রীধরের খোঁজ পেয়ে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের পোর্টব্লেয়ারে ছুটে যায় পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এই ঘটনা সম্পর্কে এক পুলিশকর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার তদন্ত করছি। এই খুনের উদ্দেশ্য কী তা এখনও আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।’

তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অমৃতার পরিবার ঋণে ডুবে রয়েছে। এ কারণেই অমৃতারমধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। এই খুনের সঙ্গে অমৃতার প্রেমিক শ্রীধরের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাকে গলা কেটে খুন করে ঠান্ডা মাথায় প্রেমিককে নিয়ে ফুর্তি করে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১১:১৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: ছুরি দিয়ে মাকে গলা কেটে খুন করেছেন মেয়ে। আর রডের বাড়ি মেরে রক্তাক্ত করলেন ভাইকে । এরপর মায়ের মরদেহ আর আহত ভাইকে বাড়িতে ফেলে রেখেই ঠান্ডা মাথায় প্রেমিককে নিয়ে উঠে পড়েন আন্দামানগামী বিমানে। পরে ওই তরুণী ও তার পুরুষসঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিন্তু এমন ঘটনায় হতভম্ব হয়ে গেছেন পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, অভিযুক্ত অমৃতা চন্দ্রশেখর (৩৩) একজন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। তিনি ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের বাসিন্দা।

তার ভাই হরিশ জানান, অমৃতা বাড়িতে জানিয়েছিলেন, তাকে হায়দরাবাদে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁকে চলে যেতে হবে। এরপর গত সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে নাগাদ তিনি তার দিদিকে নিজের জামা কাপড় গোছগাছ করতে দেখেন। হরিশ তাকে সাহায্য করতে চাইলেও রাজি হননি অমৃতা। এরপরই ছোট ভাই হরিশের উপর রড নিয়ে চড়াও হন অমৃতা। হরিশের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন তাদের মা-ও। তখন ভাইকে ছেড়ে ছুরি হাতে মায়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন অমৃতা। ছুরির আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যান মা। এরপর তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান অমৃতা।

হরিশ আরও জানান, অমৃতার ছেলেবন্ধু শ্রীধর রাও তখন রাস্তায় মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। তার মোটরসাইকেলে চড়েই চম্পট দেন দুজনে। হরিশ জখম অবস্থাতেই আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত মা-কে বাঁচাতে পারেননি তিনি।

খবর পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। অমৃতা ও তাঁর পুরুষসঙ্গী শ্রীধরের খোঁজ পেয়ে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের পোর্টব্লেয়ারে ছুটে যায় পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এই ঘটনা সম্পর্কে এক পুলিশকর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার তদন্ত করছি। এই খুনের উদ্দেশ্য কী তা এখনও আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।’

তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অমৃতার পরিবার ঋণে ডুবে রয়েছে। এ কারণেই অমৃতারমধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। এই খুনের সঙ্গে অমৃতার প্রেমিক শ্রীধরের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।