সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

৯৯৯-এ ফোন করার গণধর্ষণ থেকে রক্ষা পেল তরুণী। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২০ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: রাত ২টা ৫৬ মিনিট। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন এক কিশোরী (১৭)। ভয়ার্ত কণ্ঠে তাকে উদ্ধারের আকুতি জানান। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯-এ দায়িত্ব পালনকারীরা চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানা পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা পাঠান। এর পর সেই গভীর রাতেই চলে অভিযান এবং উদ্ধার করা হয় কিশোরীকে। গত সোমবার দিনগত রাতের ঘটনা এটি। কিশোরীকে উদ্ধারের পাশাপাশি অপকর্মের জন্য সেখানে তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন যে নারী তাকে এবং ধর্ষণের উদ্দেশে সেখানে জড়ো হওয়া তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

৯৯৯ কর্তৃপক্ষ জানায়, ভিকটিম কিশোরী ফোন করে জানান, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার কাঠগড়ের একটি বাড়িতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে ধর্ষণ করা হতে পারে বিষয়টি আঁচ করতে পেরে বাথরুমে গিয়ে কৌশলে ৯৯৯-এ ফোন করেন তিনি; উদ্ধারের জন্য অশ্রুরুদ্ধ কণ্ঠে আকুতি জানান। ৯৯৯ কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে পতেঙ্গা থানার ডিউটি অফিসারের কাছে জরুরি বার্তা পাঠানোর পর পতেঙ্গা থানার এসআই মো. সুমন তার টিম নিয়ে তৎক্ষণাত ছুটে যান ঘটনাস্থলে। অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কাঠগড়ের ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভিকটিম কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তাকে আটকে রেখে ধর্ষণের পরিকল্পনার অভিযোগে ইয়াসমিন আক্তার, রনি দত্ত (২৩), মো. জোবায়ের (২৮) ও নেয়ামত (৩৮) নামে চারজনকে আটক করা হয়।

কিশোরী জানান, চাকরির সন্ধানে তিনি চট্টগ্রাম এসেছিলেন। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় হয় ইয়াসমিন আক্তারের। ইয়াসমিনই তাকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই বাসায় ডেকে নেন। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করার জন্য ওই তিন যুবক জড়ো হন। তাৎক্ষণিক সাড়া দিয়ে উদ্ধার করে বড় ধরনের বিপদের হাত থেকে রক্ষা করায় ৯৯৯ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান ভিকটিম কিশোরী।

এ বিষয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি তবারক উল্লাহ আমাদের সময়কে বলেন, জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা সব ধরনের সেবা দিতে প্রস্তুত থাকি আমরা। যে কেউ বিপদে পড়লে বা বিপদ আঁচ করতে পালে সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯-এ ফোন করার অনুরোধ জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৯৯৯-এ ফোন করার গণধর্ষণ থেকে রক্ষা পেল তরুণী। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: রাত ২টা ৫৬ মিনিট। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন এক কিশোরী (১৭)। ভয়ার্ত কণ্ঠে তাকে উদ্ধারের আকুতি জানান। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯-এ দায়িত্ব পালনকারীরা চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানা পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা পাঠান। এর পর সেই গভীর রাতেই চলে অভিযান এবং উদ্ধার করা হয় কিশোরীকে। গত সোমবার দিনগত রাতের ঘটনা এটি। কিশোরীকে উদ্ধারের পাশাপাশি অপকর্মের জন্য সেখানে তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন যে নারী তাকে এবং ধর্ষণের উদ্দেশে সেখানে জড়ো হওয়া তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

৯৯৯ কর্তৃপক্ষ জানায়, ভিকটিম কিশোরী ফোন করে জানান, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার কাঠগড়ের একটি বাড়িতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে ধর্ষণ করা হতে পারে বিষয়টি আঁচ করতে পেরে বাথরুমে গিয়ে কৌশলে ৯৯৯-এ ফোন করেন তিনি; উদ্ধারের জন্য অশ্রুরুদ্ধ কণ্ঠে আকুতি জানান। ৯৯৯ কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে পতেঙ্গা থানার ডিউটি অফিসারের কাছে জরুরি বার্তা পাঠানোর পর পতেঙ্গা থানার এসআই মো. সুমন তার টিম নিয়ে তৎক্ষণাত ছুটে যান ঘটনাস্থলে। অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কাঠগড়ের ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভিকটিম কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তাকে আটকে রেখে ধর্ষণের পরিকল্পনার অভিযোগে ইয়াসমিন আক্তার, রনি দত্ত (২৩), মো. জোবায়ের (২৮) ও নেয়ামত (৩৮) নামে চারজনকে আটক করা হয়।

কিশোরী জানান, চাকরির সন্ধানে তিনি চট্টগ্রাম এসেছিলেন। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় হয় ইয়াসমিন আক্তারের। ইয়াসমিনই তাকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই বাসায় ডেকে নেন। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করার জন্য ওই তিন যুবক জড়ো হন। তাৎক্ষণিক সাড়া দিয়ে উদ্ধার করে বড় ধরনের বিপদের হাত থেকে রক্ষা করায় ৯৯৯ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান ভিকটিম কিশোরী।

এ বিষয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি তবারক উল্লাহ আমাদের সময়কে বলেন, জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা সব ধরনের সেবা দিতে প্রস্তুত থাকি আমরা। যে কেউ বিপদে পড়লে বা বিপদ আঁচ করতে পালে সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯-এ ফোন করার অনুরোধ জানান তিনি।