সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

দক্ষিণ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের এখন মৃত্যুর ফাঁদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ ৮৮২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি প্রতিনিধি: দক্ষিণ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ঝালকাঠিতে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। এক সময় এই বিদ্যালয় আটশত থেকে নয়শত ছাত্র লেখাপড়া করতো। দুটি স্বিফট চালুর পর থেকেএই বিদ্যালয় প্রায় দুই হাজার ছাত্র লেখাপড়া করে। শিক্ষক সংকট শিক্ষক সংখ্যা প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, এমএলএসএস সংকট এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে চলছে পাঠদান। স্কুলের লেখাপড়ার মান নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। সচেতন মহলের দাবি আগের সেই স্কুলে লেখাপড়া এখন আর নেই, শিক্ষাকরা থাকে কোচিং বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত। শিশুদের প্রতি খেয়াল রাখে না। স্কুলের ডিসিপ্লিন এখন আর নেই, ছাত্ররা স্কুলে মারামারি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। প্রায়ই দেখা যায় স্কুলে পুলিশ আসে। সচেতন মহল মনে করেন যদি এই স্কুলে একজন প্রধান শিক্ষক থাকতো তাহলে স্কুলে লেখাপড়া ঠিকমতো হত। স্কুলের ভবনের অবস্থা এতটাই নাজুক প্রতিটি রুম থেকে ছাদ ধ্বসে পড়েছে। বর্ষাকালে প্রতিটি রুমের ছাদ থেকে পানি পড়ে। শিশুদের লেখাপড়া বেড়াত ঘটে। প্লাস্টার ধসে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। ঝালকাঠি সচেতন মহল মনে করেন। যেকোনো সময় এই স্কুলটি ধসে পড়তে পারে। জরুরী ভিত্তিতে যদি নতুন ভবন তৈরি করা না হয় ঝালকাঠিতে একসময় স্কুলটি মৃত্যুকূপে পরিণত হবে। আমাদের সন্তানদের বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনটি পূর্ণ নির্মাণ করা হোক । একাধিক অভিভাবক জানান,স্কুলের শিশুরা ঢুকলে আমরা চিন্তায় থাকি কখন ভবনটি ধসে পড়ে। একাধিক অভিভাবক জানান দুই বছর আগে শুনেছি যে একনেকে পাস হয়েছে ভবনটি দশতলা হবে , এখন পর্যন্ত কোন কার্যক্রম দেখছিনা। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করবো আমাদের শিশুদের জীবন রক্ষার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভবনটি পুনর্নির্মাণ করা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দক্ষিণ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের এখন মৃত্যুর ফাঁদ

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি প্রতিনিধি: দক্ষিণ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ঝালকাঠিতে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। এক সময় এই বিদ্যালয় আটশত থেকে নয়শত ছাত্র লেখাপড়া করতো। দুটি স্বিফট চালুর পর থেকেএই বিদ্যালয় প্রায় দুই হাজার ছাত্র লেখাপড়া করে। শিক্ষক সংকট শিক্ষক সংখ্যা প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, এমএলএসএস সংকট এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে চলছে পাঠদান। স্কুলের লেখাপড়ার মান নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। সচেতন মহলের দাবি আগের সেই স্কুলে লেখাপড়া এখন আর নেই, শিক্ষাকরা থাকে কোচিং বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত। শিশুদের প্রতি খেয়াল রাখে না। স্কুলের ডিসিপ্লিন এখন আর নেই, ছাত্ররা স্কুলে মারামারি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। প্রায়ই দেখা যায় স্কুলে পুলিশ আসে। সচেতন মহল মনে করেন যদি এই স্কুলে একজন প্রধান শিক্ষক থাকতো তাহলে স্কুলে লেখাপড়া ঠিকমতো হত। স্কুলের ভবনের অবস্থা এতটাই নাজুক প্রতিটি রুম থেকে ছাদ ধ্বসে পড়েছে। বর্ষাকালে প্রতিটি রুমের ছাদ থেকে পানি পড়ে। শিশুদের লেখাপড়া বেড়াত ঘটে। প্লাস্টার ধসে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। ঝালকাঠি সচেতন মহল মনে করেন। যেকোনো সময় এই স্কুলটি ধসে পড়তে পারে। জরুরী ভিত্তিতে যদি নতুন ভবন তৈরি করা না হয় ঝালকাঠিতে একসময় স্কুলটি মৃত্যুকূপে পরিণত হবে। আমাদের সন্তানদের বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনটি পূর্ণ নির্মাণ করা হোক । একাধিক অভিভাবক জানান,স্কুলের শিশুরা ঢুকলে আমরা চিন্তায় থাকি কখন ভবনটি ধসে পড়ে। একাধিক অভিভাবক জানান দুই বছর আগে শুনেছি যে একনেকে পাস হয়েছে ভবনটি দশতলা হবে , এখন পর্যন্ত কোন কার্যক্রম দেখছিনা। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করবো আমাদের শিশুদের জীবন রক্ষার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভবনটি পুনর্নির্মাণ করা হোক।