সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত

কনের মাকে নিয়ে বরের বাবা পলায়ন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ ২১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: আর চার পাঁচজন বর আর কনের মতোই তারাও ভেবেছিলেন স্বপ্নের মতো সুন্দর বিয়ের আসরের কথা। রাজকীয় সমারোহে সকলের সামনেই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে নিজের পছন্দের মানুষকে আপন করে নেওয়ার চিন্তায় বিভোর ছিলেন দুই পাত্র-পাত্রী। তবে সেই বিয়েতে ছেদ ফেলে দিলেন তাদের অভিভাবকরা। সম্প্রতি ভারতের সুরাটে কনের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন বরের বাবা।
ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত এক বছর ধরে ওই যুবক ও যুবতির পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়। দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। তাদের এনগেজমেন্টও হয়ে যায়। তারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। ফলে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু বিয়ের একমাস আগেই ঘটল গণ্ডগোল। ১০ জানুয়ারি থেকে পাত্রের বাবা রাকেশের (নাম পরিবর্তিত) কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পেশায় তিনি কাপড়ের ব্যবসায়ী। এছাড়া একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। পাত্রীর মা স্বাতীর (নাম পরিবর্তিত) সঙ্গে তার পরিচয় অনেক আগে থেকেই। ছোটবেলায় রাকেশ ও স্বাতী আমরেলি জেলায় থাকতেন। একে অপরের প্রতিবেশি ছিলেন তারা। তখন থেকেই তাদের মধ্যে প্রেম। কিন্তু তাদের বিয়ে হয়নি।

ঘটনাচক্রে এক বছর আগে রাকেশের ছেলের সঙ্গে স্বাতীর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। ফের কাছাকাছি আসেন রাকেশ ও স্বাতী। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের ছেলেমেয়ের বিয়ের দিন স্থির হয়। কিন্তু তার আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান রাকেশ।

এদিকে, ওই একই দিন থেকে খোঁজ নেই স্বাতীরও। কেউ কেউ তো বলছেন, এত বছর পর পুরনো প্রেম জেগে ওঠেছে। একসময় যে প্রেম বড়দের জন্য পূর্ণতা পায়নি, এবার নিজেরাই সেই প্রেমকে চরিতার্থ করতে উদ্যত হয়েছেন। তাই বেয়াই-বেয়ান হওয়ার আগে পালিয়ে স্বামী-স্ত্রী হয়ে গিয়েছেন তারা। বিয়ে করে ফেলেছেন। যদিও রাকেশের ছেলে ও স্বাতীর মেয়ে কিন্তু এ ব্যাপারে একেবারে চুপ। একে তো পারিবারিক কেলেঙ্কারি। তার ওপর বাবা-মায়ের জন্য তাদের নিজেদের প্রেমের তরী তো ডোবার পথে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কনের মাকে নিয়ে বরের বাবা পলায়ন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: আর চার পাঁচজন বর আর কনের মতোই তারাও ভেবেছিলেন স্বপ্নের মতো সুন্দর বিয়ের আসরের কথা। রাজকীয় সমারোহে সকলের সামনেই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে নিজের পছন্দের মানুষকে আপন করে নেওয়ার চিন্তায় বিভোর ছিলেন দুই পাত্র-পাত্রী। তবে সেই বিয়েতে ছেদ ফেলে দিলেন তাদের অভিভাবকরা। সম্প্রতি ভারতের সুরাটে কনের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন বরের বাবা।
ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত এক বছর ধরে ওই যুবক ও যুবতির পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়। দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। তাদের এনগেজমেন্টও হয়ে যায়। তারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। ফলে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু বিয়ের একমাস আগেই ঘটল গণ্ডগোল। ১০ জানুয়ারি থেকে পাত্রের বাবা রাকেশের (নাম পরিবর্তিত) কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পেশায় তিনি কাপড়ের ব্যবসায়ী। এছাড়া একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। পাত্রীর মা স্বাতীর (নাম পরিবর্তিত) সঙ্গে তার পরিচয় অনেক আগে থেকেই। ছোটবেলায় রাকেশ ও স্বাতী আমরেলি জেলায় থাকতেন। একে অপরের প্রতিবেশি ছিলেন তারা। তখন থেকেই তাদের মধ্যে প্রেম। কিন্তু তাদের বিয়ে হয়নি।

ঘটনাচক্রে এক বছর আগে রাকেশের ছেলের সঙ্গে স্বাতীর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। ফের কাছাকাছি আসেন রাকেশ ও স্বাতী। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের ছেলেমেয়ের বিয়ের দিন স্থির হয়। কিন্তু তার আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান রাকেশ।

এদিকে, ওই একই দিন থেকে খোঁজ নেই স্বাতীরও। কেউ কেউ তো বলছেন, এত বছর পর পুরনো প্রেম জেগে ওঠেছে। একসময় যে প্রেম বড়দের জন্য পূর্ণতা পায়নি, এবার নিজেরাই সেই প্রেমকে চরিতার্থ করতে উদ্যত হয়েছেন। তাই বেয়াই-বেয়ান হওয়ার আগে পালিয়ে স্বামী-স্ত্রী হয়ে গিয়েছেন তারা। বিয়ে করে ফেলেছেন। যদিও রাকেশের ছেলে ও স্বাতীর মেয়ে কিন্তু এ ব্যাপারে একেবারে চুপ। একে তো পারিবারিক কেলেঙ্কারি। তার ওপর বাবা-মায়ের জন্য তাদের নিজেদের প্রেমের তরী তো ডোবার পথে।