সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কনের মাকে নিয়ে বরের বাবা পলায়ন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ ২০৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: আর চার পাঁচজন বর আর কনের মতোই তারাও ভেবেছিলেন স্বপ্নের মতো সুন্দর বিয়ের আসরের কথা। রাজকীয় সমারোহে সকলের সামনেই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে নিজের পছন্দের মানুষকে আপন করে নেওয়ার চিন্তায় বিভোর ছিলেন দুই পাত্র-পাত্রী। তবে সেই বিয়েতে ছেদ ফেলে দিলেন তাদের অভিভাবকরা। সম্প্রতি ভারতের সুরাটে কনের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন বরের বাবা।
ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত এক বছর ধরে ওই যুবক ও যুবতির পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়। দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। তাদের এনগেজমেন্টও হয়ে যায়। তারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। ফলে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু বিয়ের একমাস আগেই ঘটল গণ্ডগোল। ১০ জানুয়ারি থেকে পাত্রের বাবা রাকেশের (নাম পরিবর্তিত) কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পেশায় তিনি কাপড়ের ব্যবসায়ী। এছাড়া একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। পাত্রীর মা স্বাতীর (নাম পরিবর্তিত) সঙ্গে তার পরিচয় অনেক আগে থেকেই। ছোটবেলায় রাকেশ ও স্বাতী আমরেলি জেলায় থাকতেন। একে অপরের প্রতিবেশি ছিলেন তারা। তখন থেকেই তাদের মধ্যে প্রেম। কিন্তু তাদের বিয়ে হয়নি।

ঘটনাচক্রে এক বছর আগে রাকেশের ছেলের সঙ্গে স্বাতীর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। ফের কাছাকাছি আসেন রাকেশ ও স্বাতী। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের ছেলেমেয়ের বিয়ের দিন স্থির হয়। কিন্তু তার আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান রাকেশ।

এদিকে, ওই একই দিন থেকে খোঁজ নেই স্বাতীরও। কেউ কেউ তো বলছেন, এত বছর পর পুরনো প্রেম জেগে ওঠেছে। একসময় যে প্রেম বড়দের জন্য পূর্ণতা পায়নি, এবার নিজেরাই সেই প্রেমকে চরিতার্থ করতে উদ্যত হয়েছেন। তাই বেয়াই-বেয়ান হওয়ার আগে পালিয়ে স্বামী-স্ত্রী হয়ে গিয়েছেন তারা। বিয়ে করে ফেলেছেন। যদিও রাকেশের ছেলে ও স্বাতীর মেয়ে কিন্তু এ ব্যাপারে একেবারে চুপ। একে তো পারিবারিক কেলেঙ্কারি। তার ওপর বাবা-মায়ের জন্য তাদের নিজেদের প্রেমের তরী তো ডোবার পথে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কনের মাকে নিয়ে বরের বাবা পলায়ন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: আর চার পাঁচজন বর আর কনের মতোই তারাও ভেবেছিলেন স্বপ্নের মতো সুন্দর বিয়ের আসরের কথা। রাজকীয় সমারোহে সকলের সামনেই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে নিজের পছন্দের মানুষকে আপন করে নেওয়ার চিন্তায় বিভোর ছিলেন দুই পাত্র-পাত্রী। তবে সেই বিয়েতে ছেদ ফেলে দিলেন তাদের অভিভাবকরা। সম্প্রতি ভারতের সুরাটে কনের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন বরের বাবা।
ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত এক বছর ধরে ওই যুবক ও যুবতির পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়। দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। তাদের এনগেজমেন্টও হয়ে যায়। তারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। ফলে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু বিয়ের একমাস আগেই ঘটল গণ্ডগোল। ১০ জানুয়ারি থেকে পাত্রের বাবা রাকেশের (নাম পরিবর্তিত) কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পেশায় তিনি কাপড়ের ব্যবসায়ী। এছাড়া একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। পাত্রীর মা স্বাতীর (নাম পরিবর্তিত) সঙ্গে তার পরিচয় অনেক আগে থেকেই। ছোটবেলায় রাকেশ ও স্বাতী আমরেলি জেলায় থাকতেন। একে অপরের প্রতিবেশি ছিলেন তারা। তখন থেকেই তাদের মধ্যে প্রেম। কিন্তু তাদের বিয়ে হয়নি।

ঘটনাচক্রে এক বছর আগে রাকেশের ছেলের সঙ্গে স্বাতীর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। ফের কাছাকাছি আসেন রাকেশ ও স্বাতী। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের ছেলেমেয়ের বিয়ের দিন স্থির হয়। কিন্তু তার আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান রাকেশ।

এদিকে, ওই একই দিন থেকে খোঁজ নেই স্বাতীরও। কেউ কেউ তো বলছেন, এত বছর পর পুরনো প্রেম জেগে ওঠেছে। একসময় যে প্রেম বড়দের জন্য পূর্ণতা পায়নি, এবার নিজেরাই সেই প্রেমকে চরিতার্থ করতে উদ্যত হয়েছেন। তাই বেয়াই-বেয়ান হওয়ার আগে পালিয়ে স্বামী-স্ত্রী হয়ে গিয়েছেন তারা। বিয়ে করে ফেলেছেন। যদিও রাকেশের ছেলে ও স্বাতীর মেয়ে কিন্তু এ ব্যাপারে একেবারে চুপ। একে তো পারিবারিক কেলেঙ্কারি। তার ওপর বাবা-মায়ের জন্য তাদের নিজেদের প্রেমের তরী তো ডোবার পথে।