সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ঝালকাঠিতে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের গ্রেফতার দুইজন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২০ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি::ঝালকাঠির রাজাপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত মোঃ সাগর খান (১৮) ও মোঃ হেমায়েত খলিফা (৪০) নামে দুই ধর্ষককে আটক করেছে রাজাপুর থানা পুলিশ। সোমবার রাতে দুইজনকে আটক করলেও ঘটনার সাথে জড়িত মোঃ জালাল হাওলাদার (৪০) পলাতক রয়েছে। তবে ধর্ষণের ঘটনা দামাচাপা দিতে একটি প্রভাবশালী চাটুকার মহল চেষ্টা চালায় যে কারনে বিষয়টি জানাজানি ও মামলা দায়েরের বিলম্ব ঘটে। অভিযোগ পেয়েই পুলিশ দুই ধর্ষককে আটক করে।

অভিযোগে ও ধর্ষিতার পরিবার জানায়, রোববার বিকালে ধর্ষিতা তার ঘরের সামনে বসা ছিল। এমন সময় একই এলাকার মোঃ রশিদ হাওলাদারের পুত্র মোঃ জালাল হাওলাদার (৪০) প্রথমে এসে ওই ছাত্রীকে বলে তোকে হেমায়েত তার বাড়িতে ডাকে। জালালের কথায় কোন কর্নপাত না করে ধর্ষতা মেয়েটি বসে থাকে। কিছুক্ষণ পরে আবার একই এলাকার মোঃ শহিদ খানের পুত্র মো. সাগর খান (১৮) এসে পুনরায় আবার ধর্ষিতা মেয়েটিকে বলে তোকে হেমায়েত তার বাড়িতে ডাকে। তখন ওই মেয়েটি কি জন্যে তাকে ডাকে জানার জন্য হেমায়েতের বাড়ি যায় এবং দরজায় দাড়িয়ে কেন ডেকেছে জানতে চাইলেই হেমায়েত তার ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে মেয়েটিকে টেনে বিতরে নেয় এবং সাগর, জালাল ও হেমায়েত তিনজনেই পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরে এ ঘটনা কাউকে না বলতে মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগেে উল্লেখ করেন। এমনকি এ কথা কাউকে জানালে মেয়েটিকে মেরে ফেলা হবে বলে ধর্ষনকারীরা হুমকি দেয়। পরবর্তীতে মেয়ে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ী ফিরে তার মাকে বলে। তখন মেয়েটির পরিবার মেয়েটিকে নিয়ে থানায় যায় এবং মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই ধর্ষিতা ছাত্রীর চিকিৎসা ও ডাক্তারী পরিক্ষা করায়।

এ ব্যাপারে রাজাপুর থানা ওসি (তদন্ত) মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, অভিযোগ পেয়েই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত ২ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা ও মেয়েটির ডাক্তারি পরিক্ষা করানো হয়েছে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের গ্রেফতার দুইজন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি::ঝালকাঠির রাজাপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত মোঃ সাগর খান (১৮) ও মোঃ হেমায়েত খলিফা (৪০) নামে দুই ধর্ষককে আটক করেছে রাজাপুর থানা পুলিশ। সোমবার রাতে দুইজনকে আটক করলেও ঘটনার সাথে জড়িত মোঃ জালাল হাওলাদার (৪০) পলাতক রয়েছে। তবে ধর্ষণের ঘটনা দামাচাপা দিতে একটি প্রভাবশালী চাটুকার মহল চেষ্টা চালায় যে কারনে বিষয়টি জানাজানি ও মামলা দায়েরের বিলম্ব ঘটে। অভিযোগ পেয়েই পুলিশ দুই ধর্ষককে আটক করে।

অভিযোগে ও ধর্ষিতার পরিবার জানায়, রোববার বিকালে ধর্ষিতা তার ঘরের সামনে বসা ছিল। এমন সময় একই এলাকার মোঃ রশিদ হাওলাদারের পুত্র মোঃ জালাল হাওলাদার (৪০) প্রথমে এসে ওই ছাত্রীকে বলে তোকে হেমায়েত তার বাড়িতে ডাকে। জালালের কথায় কোন কর্নপাত না করে ধর্ষতা মেয়েটি বসে থাকে। কিছুক্ষণ পরে আবার একই এলাকার মোঃ শহিদ খানের পুত্র মো. সাগর খান (১৮) এসে পুনরায় আবার ধর্ষিতা মেয়েটিকে বলে তোকে হেমায়েত তার বাড়িতে ডাকে। তখন ওই মেয়েটি কি জন্যে তাকে ডাকে জানার জন্য হেমায়েতের বাড়ি যায় এবং দরজায় দাড়িয়ে কেন ডেকেছে জানতে চাইলেই হেমায়েত তার ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে মেয়েটিকে টেনে বিতরে নেয় এবং সাগর, জালাল ও হেমায়েত তিনজনেই পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরে এ ঘটনা কাউকে না বলতে মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগেে উল্লেখ করেন। এমনকি এ কথা কাউকে জানালে মেয়েটিকে মেরে ফেলা হবে বলে ধর্ষনকারীরা হুমকি দেয়। পরবর্তীতে মেয়ে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ী ফিরে তার মাকে বলে। তখন মেয়েটির পরিবার মেয়েটিকে নিয়ে থানায় যায় এবং মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই ধর্ষিতা ছাত্রীর চিকিৎসা ও ডাক্তারী পরিক্ষা করায়।

এ ব্যাপারে রাজাপুর থানা ওসি (তদন্ত) মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, অভিযোগ পেয়েই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত ২ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা ও মেয়েটির ডাক্তারি পরিক্ষা করানো হয়েছে ।